শুধু এক মুঠো অজুহাত জড়ো করতে পারলে ; ফিরে যাওয়া ফিঙেদের হয়ে ল্যাজের কাজলপাতিতে তোমার কানের লতিতে গান এঁকে দিতুম। ধুঁদুলের নিরীহ বীজেদের মতো যদি টুপ করে ঝরে পড়া যেতো তোমার আঙুলের আলগোছে ... ধীরে ধীরে কচি কচি ডানা দুটি মেলে, তাকাতাম তোমার অঞ্জনে অর্চিত চোখ দুটোয় ... সব ভুলে করুণায় ভিজে যেতো চারপাশ! ধুয়ে যেতো আমার সঅব ভুল গুলো! ভাবলুম , হাহাকার করে কেঁদে উঠি, সব প্রার্থনা জড়ো করে তোমায় ফের বাঁধনে বাঁধনে বাঁধি! নদীকে মানাবার মতো কোনও বাঁশি, কোনও কথাকলি নাই আর আমার কাছে! নিজেই ছিঁড়েছি, ছুঁড়েছি নিগড়টাকে কৃষ্ণিম মাথুরে কোন্ সে অতল কৃষ্ণ গহ্বরে! নিঃস্বের বিশ্ব এতো নির্জনতর! হাতহীন এ জগন্নাথের বাকচাতুরীও আজ প্রলয়ের প্রস্তরে নত ... পরিনতি ! নুড়ি, ধূলিদেরও বেলা গড়ে যায় কোনও ভাবে ... ঝরে যাওয়ার মতো যদি একটা জম্পেশ অজুহাত নাগালে থাকে তোমার দিও তো উড়ায়ে আমার পানে... ওগো যোধৃ, যুঝতে যুঝতে যদি এক কণা অবকাশ এসে তোমার বসে পাশে আর দয়ার চোখে হাসে। ঝড়, মেঘ ,বরিষণ তো ক্ষণায়ু ... বুদ্বুদ বীর। অক্ষমকে ক্ষমা অসম্ভব জানি! তাই ঘৃণাই যথার্থ। ...