পোস্টগুলি

মে, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদের গল্প

ছবি
নদী নির্মর, সে শুধু ক্ষতিকর খাত বদলায়! খাঁ খাঁ পাড়, শূন্য গাত্রের নুড়ি , ধ্বসে পড়া ঘাট, আর হাল ভাঙা চুরমার নৌকোর ল্যান্ডস্কেপ তো নদী নয়। অতীতের কারুব্যথার চিহ্নমাত্র। কিছু কিছু মানুষ নুড়ি ছুঁয়ে ছুঁয়েই কিভাবে জীবনের তীর খুঁজে পায়। নদীর যোগ্য ক'জনই বা হয়! বাঁকের বক্রতা বাড়লেই কানে আসবে আগুয়ান অশ্বক্ষুর-ধ্বনি। হয়তো হ্রদ জাগবে, কেটে যাবে হা-হুতাশি  পিপাসুদের কাল। নদী আর তার ফেলে যাওয়ার তান অফুরান অফুরান ...

কাঠের কন্ঠগীতি

ছবি
শুধু এক মুঠো অজুহাত জড়ো করতে পারলে ; ফিরে যাওয়া ফিঙেদের হয়ে ল্যাজের কাজলপাতিতে তোমার কানের লতিতে গান এঁকে দিতুম। ধুঁদুলের  নিরীহ বীজেদের মতো যদি টুপ করে ঝরে পড়া যেতো তোমার আঙুলের আলগোছে ... ধীরে ধীরে কচি কচি ডানা দুটি মেলে, তাকাতাম তোমার অঞ্জনে অর্চিত চোখ দুটোয় ... সব ভুলে করুণায় ভিজে যেতো চারপাশ! ধুয়ে যেতো আমার সঅব ভুল গুলো! ভাবলুম , হাহাকার করে কেঁদে উঠি, সব প্রার্থনা জড়ো করে তোমায় ফের বাঁধনে বাঁধনে বাঁধি! নদীকে মানাবার মতো কোনও বাঁশি, কোনও কথাকলি নাই আর আমার কাছে! নিজেই ছিঁড়েছি, ছুঁড়েছি নিগড়টাকে কৃষ্ণিম মাথুরে কোন্ সে অতল কৃষ্ণ গহ্বরে! নিঃস্বের বিশ্ব এতো নির্জনতর! হাতহীন এ জগন্নাথের বাকচাতুরীও আজ প্রলয়ের প্রস্তরে নত ... পরিনতি ! নুড়ি, ধূলিদেরও বেলা গড়ে যায় কোনও ভাবে ... ঝরে যাওয়ার মতো যদি  একটা জম্পেশ অজুহাত নাগালে থাকে তোমার দিও তো উড়ায়ে আমার পানে... ওগো যোধৃ, যুঝতে যুঝতে যদি এক কণা অবকাশ এসে তোমার বসে পাশে আর দয়ার চোখে হাসে। ঝড়, মেঘ ,বরিষণ তো ক্ষণায়ু ... বুদ্বুদ বীর। অক্ষমকে ক্ষমা অসম্ভব জানি! তাই ঘৃণাই যথার্থ। ...