পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বোধি-বিন্দু ৪

ছবি
২২ নীচতা বা পবিত্রতা জন্ম বা বংশ থেকে নয় - কর্ম থেকেই আসে। ২৩ শান্তি কঠোরশ্রম বা সমস্যাহীন নিরালা স্থান নয়। এসবের মাঝে থেকেও হৃদয়ে ধীর-স্থীর দৃঢ় অবিচল থাকাই শান্তি। ২৪ অন্যের মনোতুষ্টির জন্য যাপণ কোরো না জীবন। শেষত: সবাই একটা ধারণায় তো সবাই পৌঁছবেই। একদিন।  তাই, নিজ অর্জিত মতে বাঁচো। ২৫ যদি কারও মন জানতে চাও - তার প্রযুক্ত শব্দদের দ্যাখো। যদি কারও হৃদয়কে জানতে চাও - তার কর্ম-কীর্তিকে জানো। আগে। ২৬ সবচেয়ে কঠোর শিক্ষক হল জীবন-অভিজ্ঞতা। সে পরীক্ষা নেওয়ার পর শেখায়। ২৭ জীবন আদতে সহজ, সরল,  সাদা-মাটা। আমরাই তাকে জটিল করে তুলি। ইচ্ছাকৃত ও জোরপূর্বক। ২৮ জীবন কখনও শেখানো বন্ধ করে না। শেখা বন্ধ কোরো না কখনও।  সবিনয়ে শিখে চলো।

|| দহন ,শম বা প্রশম ইত্যাদি ||

ছবি
না বিদ্যুৎ-স্রোত , না অস্তারুণ কেউ পোড়ায় নি।তোমায়। রটনা রেস্তোরাঁ হতে উদ্গীর্ণ ধুঁয়ো মেলোড্রামা ছড়াচ্ছে। শুধু। ভুয়ো। দোহাই, নিজের গায়ে হাত দিয়ে দ্যাখো। একটি বার। একটু...

বোধি-বিন্দু ৩

ছবি
মূলতঃ হিন্দী, ইংরেজী ও ভগ্ন-পালি প্রাকৃত ভাষা হতে অনুসৃত এই পর্যায়ের লেখা গুলি।আমার উৎস গুলির গৌতম বুদ্ধের উপদেশাবলীর সাথে সম্পূর্ণত: প্রত্যক্ষ যোগ থাকা অনিশ্চিত। বোধি ভাবনার শুরু কখনোই বুদ্ধ থেকে নয়। তিনি সম সময়ে এই ভাব-দর্শণকে বৃহৎ রূপ দান করেছিলেন। তত্ব-দার্শণিকতার চেয়ে জীবনাচরণে, সময়ের অসুখ সারানোয় গৌতম সর্বাধিক প্রয়োগ করেছিলেন। সেই বোধ ও বোধির স্রোতে পরে অযুত মত ও বাঁকের যোজনা ঘটেছে। ঘটে চলেছে। আজ এই পর্বের কবিতার তৃতীয় কিস্তি। বলাবাহুল্য, সাহিত্যে-সৌকর্য বহু আগে  বোধি- বচনের কাছে আত্মসমর্পণ করে আছে। যদি।  ১৪ এই জিৎ কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। সব জয়-যোগ্যকে তোমায় সমর্পণ করবে; পৃথিবীর যাবৎ  যুদ্ধ-জয়ের চেয়েও বৃহৎ! যদি, নিজেকে জয় কর‌তে পারো। ১৫ শব্দ যখন সত্য ও করুনারুণের হৃদয়ের অতল হতে উত্থিত হয় - পৃথিবী বদলে দিতে পারে ! হোক না তা প্রলয় বা প্রশমণের। ১৬ জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে নিয়ে ভাবছো - অন্যকে ছারখার করবে! আদতে জ্বালাবে তো নিজেকেই। শুধু। যখন তুমি রাগে-ক্রোধে থাকো। ১৭ সত্য ভাষণ-মাত্রেই অতীতে ঢুকে যায় ; চুকে যায় কথা-ভার। অসত্য ভাষণ ভবিষ্যতের অশেষ বিপর্যয...

দহন-সর্বস্ব উষ্ণতার নৈদাঘী

ছবি
ফিরে আসার, আড়ালে আগলাবার আশা দহনান্তে মৃত্তিকায় পেয়েছে আলিঙ্গন; মূল হতে তিলাতি তিল ক্ষুদ্রতম ভাগশেষ - হাঁটু গেড়ে ভিক্ষার পর্ব শেষে বন্ধ্যাত্ব চিনেছে।  পুড়িয়ে তো ছারখার করলে সর্বস্ব! হে নিদাঘ, স্মৃতিকেও লুপ্ত করো! দোহাই।