পোস্টগুলি

জুন, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমার বন্ধু জয় এবং তার ভয়েরা

ছবি
জানো, আমি চোখ বন্ধ করতে শিশুর মত ভয় পাই আজকাল... পাছে কেউ দূরত্বকে আবিষ্ট ভাবে জড়িয়ে ধরে দীর্ঘশ্বাসকে আরও তপ্ত করে খুন করে! বিশ্বাস করো , চোখ বুজলে মৃত্যুভয় নয় ; পঞ্চেন্দ্রিয়ের এক তুমুল আবিল ঐকতান আমাকে সারা পৃথিবীর সব ব্যস্ততা , বন্ধন, ব্যাপৃততা থেকে ছিঁড়ে নিয়ে গিয়ে ... কোনও এক স্বপ্নীল স্বর্গসুন্দর দ্বীপের রাজ্য, রাজত্ব, রাজকন্যের সঅব কিছুর মালিক করে দ্যায়! সে জীবনের আয়ু, অস্তিত্ব সম্বন্ধে আমার এক তিলও জানা নেই ... তাই হয়তো ভয়েরা ভালোবাসতে সাহস পায়! " তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর,   এখনি, অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।"

অননুমোদিত কলিকণ্যেরা ২

ছবি
আর এক গোছা স্ফুট- অস্ফুট  প্রেমগন্ধী অনুকারী কবিতা অর্পিত হলো। কিছু লেখার মূল স্রষ্টার স্পষ্ট দাবীদারকে উল্লেখ করতে পারলাম। ব্যতীতরা বিভিন্ন ভাষার প্রচলিত স্রোতে ভেসে আসা অর্ঘ্য। বস্তুতঃ রচনা তো শেষাবধি রচয়িতার নয়, সহমর্মীর।অথঃ  কিস্তি নম্বর দুই। ১৬ হে প্রিয়ে, যদি দ্বিধায় গ্রস্ত হও -- আমি না অন্য কেউ। দোহাই, আমায় বেছো না! ১৭ ভালোবাসার একটাই দায় ও দ্বায়িত্ব ... অন্য হৃদয়টাকে আগলে রেখো শুধু।  (মূল কবিতা : ব্রিগেট ডেভো) ১৮ ঘন মেঘ আজ ভালোবাসার বরিষণে ঝর ঝর ঝরমাণ... আর... আর... তোমাকে ভীষণভাবে মনে পড়ছে। পড়েই চলেছে... ১৯ যে তোমাকে তার একান্ত আকাশ মনে করে না! তার সূর্য-কিরণ হতে চাও কেন যে! ২০ ওগো দূরতর দূরবাসিনী মেঘকন্যে, ভাষে ভাষে নিতি নিতি তোমার হতে পারিনা প্রতিদিন; ক্ষমো সখে আমার অপরাধ... একপলও কেন যে তোমায় ভুলে থাকতে দাও না!  সতত রত রাখো মোরে  তোমাতে । ২১ এসো প্রিয়ে , পরস্পরে মথিত মজ্জিত হই - দু'জনে ধরাধামে আর রবো ক'দিন । (মূল কবিতা : জালালুদ্দীন রুমি) ২২ লড়ি, চুমোই, জড়াই, লিখি, বলি, ঝগড়াই, কাঁদি,...

অননুমোদিত কলিকণ্যেরা

ছবি
এ লেখা গুলোর মূল শেকড় আমার হৃদ- উদ্গত নয়।আবিশ্বের চলিত অচলিত, নামিক- অনামিক স্রস্টার বিভিন্ন ভাষার কতিপয় লেখার অননুমোদিত অনুচীকির্ষার অরোধ্য ইচ্ছার অক্ষম বহিঃপ্রকাশ এ কবিতা গুচ্ছ। প্রেমবিষয়ক। জানি না কতটা ছুঁতে পারবো তোমাকে!বিশেষতঃ তোমার স্বকীয় কলিরা স্পষ্টত অতীব সুললিত যেখানে ; যেহেতু ব্যথায় পরিচিতি আমাদের...  এ কলি সমূহকে সমব্যথার অর্ঘ্য রূপেই মেনো। ১ তুমি আমার দুঃখ, সুখ আর এ মৃত্তিকা ও আকাশ - ক্রন্দসীর মধ্যিখানের সঅব কিছু। তুমি। ২ সর্বৈবকে নিঃখুত করতে আজীবন ব্যয়িত করে নির্বোধ। জ্ঞাণী জানে আবিশ্বের সবকিছুই নিখুঁত, নিটোল। ৩ তোমার অঙ্গুলিদাম যখন ধীরে ধীরে আমাতে জড়াতে থাকে হঠাৎ জীবনে সাড়ের জাগরণ শুরু... ৪ যখন ফুল ফুটতে পারে না, পরিবেশটাকে বদলানোর চেষ্টা করো; ফুলটাকে বদলে কী লাভ! ৫ প্রেম এক অপরূপ ধরনের ভয় ছাড়া আর কিছু নয়! ৬ পৃথিবীর সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ধারালো, কঠিনতর... খারাপ লাগা হল - পরস্পরকে ভীষণ চাই তবু দু'জনে এক হওয়া যাবে না কভু। ৭ তোমাকে হারিয়ে ও দুঃখী হতে চলেছে, ওর দুশ্চিন্তাকে থামাও। সব অতীত-ভার, ব্যথা ভুলে ফের মনে করি...