পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কৃষ্ণ কলি

ছবি
কৃষ্ণকথার অবলেপে সুযাপণ-নির্দেশের প্রায় সর্বাংশই ' শ্রীমদ্ভাগবত' থেকেই উত্থিত। বেদ-উপনিষদ , বিভিন্ন পুরাণ- উপপুরাণের ঈশ্বর প্রসঙ্গ তথা ইদানীং কাল অবধি বিভিন্ন বৈষ্ণব ধর্ম-প্রতিষ্ঠানের কৃষ্ণনামী ঈশ্বর চর্চা এই অনুকবিতা গুচ্ছের ভারকেন্দ্র।বাংলা ভাষায় এ চেষ্টা প্রথম নয়। বলাবাহুল্য সংস্কৃত ,হিন্দী, ওড়িআ তথা ই়ংরেজী ভাষা হতে বঙ্গান্তর করতে গিয়ে পুরোপুরি ত্রুটি-বিচ্যুতির সঙ্গছাড়া হতে পারি নি। ১ ঈশ্বর শ্রেষ্ঠতম শ্রোতা। ক্রন্দন, চিৎকার, অনুনয় নিষ্প্রয়োজন... অশ্রুততম প্রার্থনাও তাঁর কৃপা এড়ায় না! ২ অনাসক্ত হৃদয়ই সবার হৃদয় জয় করে... তাঁর পবিত্র, ঐশ্বরিক প্রেমের কারণে! ৩ বস্তুর বন্দীত্বে, মোহত্বে... অযুত বাধার নাগপাশে জড়াতেই জড় হতেই থাকবে... যদি না, এক ও ঐকান্তিকের প্রতি বিশ্বাস ও বিশ্বস্তি বাড়াতেই থাকো। ৪ প্রতিটি কর্ম ও ক্রিয়ার কিছু অস্বস্তি অন্বিত; যেমন অগ্নি সনে ধুম্র...  একারণে কর্তব্যকে ছেড়ো না। ৫ আত্মা। অবিভাজ্য, অখন্ডনীয়, অকাট্য, অদহনীয়, অসিক্তসম্ভব, অশুষ্কনীয়, অক্ষয়, অব্যয়, চিরশাশ্বত... ৬ সময় শ্রেষ্ঠতম হন্তারক... সঅব কিছুকে হত্য...

বোধি-বিন্দু ৮

ছবি
এ কিস্তির বুদ্ধ-বোধের কবিতাবলীর মূল ঘ্রাণ সম্পর্ক ও তার ডালপালার ঘরকন্না। বলাবাহুল্য, সহস্রাধিক বছরের বুদ্ধ-বচন...  বহু যুগের বহু মনীষা ও মননের ঢেউএ নব নব কথা-কলেবর পেয়েছে। বোধিগামী সুষুম্নার নির্বানগামীতা তাতে তিলমাত্রও পথভ্রষ্ট হয় নি। পালি, হিন্দী, ওড়িআ, ইংরেজী তথা দেশীয় বিভিন্ন ভাষার স্বকীয়তা রক্ষা আর বোধিবোধে যুগপৎ অটল থেকে পদ্যের পদ্মপথ বিস্তার করা আমার কাছে বড় কঠিন ঠেকেছেই। তবু, এ কিস্তি প্রকাশের অবুদ্ধতা অপ্রকাশ রাখা গেল না। ৫১ সম্পর্কের স্বাভাবিক মৃত্যু হয় না। কখনও। অহং, আচরণ ও অবহেলাই সম্পর্ককে হত্যা করে। ৫২  কেউই সম্পূর্ণ ও নিঃখুত নয়। মানুষকে ছোট ছোট ভুলের কারণে ত্যাগ করতে থাকলে একদিন তো তুমি  এ বিশ্বে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়বে! ভালোমন্দের বিচার কমিয়ে বরং বেশী করে আপন করতে শেখো। ৫৩ তোমার হাসি দিয়েই ভুবনজয়ী হও। বিশ্বকে তোমার হাসি মুছে নিতে দিও না। ৫৪ যা কিছু তোমার বিরক্ত, বিপন্ন, বিব্রত, বিরূদ্ধতা সাধছে... ওরাই তোমার আসল শিক্ষক। ৫৫ যা কিছু বা যে কেউ তোমার জীবনে আসে ভালো বা মন্দ অভিলাষে... ভাঙে, চূর্ন করে গড়ে আকৃত করে তোমার সত...

পাতা বিষয়ক পত্ররচনা

ছবি
দ্যাখো, এদের দিকে তাকাও - বছরের মধ্যেই আয়ু ফুরোবে; ঝড়, আপদ শব্দগুলো সত্য জেনেও... তবু পাতায় পাতায় শিরায় উপশিরায় কেমন অশেষ হাসির হিল্লোল স্রোতমান! দ্যাখো... বেদনায়ও বহুবর্ষজীবি হওয়া যায়... তিল তিল করে কুড়োনো খুশির ফুল গুলোকে অনন্ত দু:খের সুতোয়  মাল্যবান করে করে বাঁচো;  লীলাকুসুমতলা এ জীবন! প্রতি পলের প্রার্থনার প‌‌ত্ররাজি একত্র করে কৃতাঞ্জলিপূটে সুখ, দুখ, পাওয়া, না পাওয়া, হাসি কান্নাদের ... একসাথে একমাঠে খেলতে ছাড়ো ; ওরা ঠোকাঠুকি, কোলাকুলি করুক... একঘরে শুধু অন্ধ আঁধারকে বন্দী রেখে বা একান্ত মুঠোবদ্ধ আলোর কিই বা মূল্য!  ভাঙো ,সব দেওয়াল ভাঙো ...  দুঃখকে, অমৃতকে, শূন্য পূর্নতাকে  যে যার হিসেব বুঝে নিতে দাও! দ্বন্দ্ব থেকে আনন্দে... ততক্ষণ পাতা, অন্ধকার আর মেঘের খেলা দেখে দেখে অদৃশ্য অমোঘ চাকার তান শুনে শুনে সময়-বাহিত করো ... তুমি তো ঘৃণা বা প্রীতির কেউ নও ।