নিজের কাছে ফেরার পথ কতটা সম্ভব জানিনা। হয়তো এমন কোনও পথই হয় না! ফিরে যাওয়া, মুখ ফেরানো ইত্যাদি কথাস্ত্রের অধিকার, রুচি সবার হয় না জানি। পথ খুঁজে লাভ নেই খুঁজিনি তাই। ক্ষরণ,...
অবহেলা বুঝতে যত দেরী ক্রমবর্ধমান ক্ষতির বহুগুণায়ণ ততই ; শুধু! ফিরতে হতোই শূণ্যমুঠোয় একদিন। নিজের কাছে ফেরা সবচেয়ে কঠিন তাই তো পথ শেষ হয়নি, এখনও! সাধনা ইতিহীন ... শেষ হবে না ; কখনও। গমনে প্রত্যাবর্তনে ছিল ছিলই অপরাধ একমাত্র ... সম্বরণে ব্যর্থ, অক্ষম। আসলে বেদনার কোনও ঘরবাড়ি হয় না; থাকেও না। স্থায়ী। নরম হৃদয়ে প্রিয় আবাস! কোমল মাটিতে নখরাভিলাষ দুগ্ধ-মাংসপোষ্য বিড়ালেরও! সবাই পারেনা নিতে মরণ তিলে তিলে ধূপের ভস্মায়নের জীবন। বিপরীতে যুদ্ধ জয়ের হাসি যোগানোর আহা, কী মধুর এ জীবন! কিছু ভার কিছু যোজন মৃত্যু খুঁজে আনে... আছে কী ক্ষমতা তোমার ওগো,দাতা? দহন ছাড়া আর কিছুই দান ছিলো না তোমার ঝুলিতে ওগো , অকৃপণ! তোমায় সসীম, অক্ষম ভাবতে বড় ভয় করে- একলা চলবার,বাঁচবার থেকে অনেক অশেষ বেশী!
২২ নীচতা বা পবিত্রতা জন্ম বা বংশ থেকে নয় - কর্ম থেকেই আসে। ২৩ শান্তি কঠোরশ্রম বা সমস্যাহীন নিরালা স্থান নয়। এসবের মাঝে থেকেও হৃদয়ে ধীর-স্থীর দৃঢ় অবিচল থাকাই শান্তি। ২৪ অন্যের মনোতুষ্টির জন্য যাপণ কোরো না জীবন। শেষত: সবাই একটা ধারণায় তো সবাই পৌঁছবেই। একদিন। তাই, নিজ অর্জিত মতে বাঁচো। ২৫ যদি কারও মন জানতে চাও - তার প্রযুক্ত শব্দদের দ্যাখো। যদি কারও হৃদয়কে জানতে চাও - তার কর্ম-কীর্তিকে জানো। আগে। ২৬ সবচেয়ে কঠোর শিক্ষক হল জীবন-অভিজ্ঞতা। সে পরীক্ষা নেওয়ার পর শেখায়। ২৭ জীবন আদতে সহজ, সরল, সাদা-মাটা। আমরাই তাকে জটিল করে তুলি। ইচ্ছাকৃত ও জোরপূর্বক। ২৮ জীবন কখনও শেখানো বন্ধ করে না। শেখা বন্ধ কোরো না কখনও। সবিনয়ে শিখে চলো।
না বিদ্যুৎ-স্রোত , না অস্তারুণ কেউ পোড়ায় নি।তোমায়। রটনা রেস্তোরাঁ হতে উদ্গীর্ণ ধুঁয়ো মেলোড্রামা ছড়াচ্ছে। শুধু। ভুয়ো। দোহাই, নিজের গায়ে হাত দিয়ে দ্যাখো। একটি বার। একটু...
মূলতঃ হিন্দী, ইংরেজী ও ভগ্ন-পালি প্রাকৃত ভাষা হতে অনুসৃত এই পর্যায়ের লেখা গুলি।আমার উৎস গুলির গৌতম বুদ্ধের উপদেশাবলীর সাথে সম্পূর্ণত: প্রত্যক্ষ যোগ থাকা অনিশ্চিত। বোধি ভাবনার শুরু কখনোই বুদ্ধ থেকে নয়। তিনি সম সময়ে এই ভাব-দর্শণকে বৃহৎ রূপ দান করেছিলেন। তত্ব-দার্শণিকতার চেয়ে জীবনাচরণে, সময়ের অসুখ সারানোয় গৌতম সর্বাধিক প্রয়োগ করেছিলেন। সেই বোধ ও বোধির স্রোতে পরে অযুত মত ও বাঁকের যোজনা ঘটেছে। ঘটে চলেছে। আজ এই পর্বের কবিতার তৃতীয় কিস্তি। বলাবাহুল্য, সাহিত্যে-সৌকর্য বহু আগে বোধি- বচনের কাছে আত্মসমর্পণ করে আছে। যদি। ১৪ এই জিৎ কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। সব জয়-যোগ্যকে তোমায় সমর্পণ করবে; পৃথিবীর যাবৎ যুদ্ধ-জয়ের চেয়েও বৃহৎ! যদি, নিজেকে জয় করতে পারো। ১৫ শব্দ যখন সত্য ও করুনারুণের হৃদয়ের অতল হতে উত্থিত হয় - পৃথিবী বদলে দিতে পারে ! হোক না তা প্রলয় বা প্রশমণের। ১৬ জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে নিয়ে ভাবছো - অন্যকে ছারখার করবে! আদতে জ্বালাবে তো নিজেকেই। শুধু। যখন তুমি রাগে-ক্রোধে থাকো। ১৭ সত্য ভাষণ-মাত্রেই অতীতে ঢুকে যায় ; চুকে যায় কথা-ভার। অসত্য ভাষণ ভবিষ্যতের অশেষ বিপর্যয...
মেঘলা গোধূলী। সন্ধ্যার কালিমা গরিষ্ঠ হচ্ছে ধীরে ধীরে ; আকাশে তারার, আলোর চিন্তা রেখে কী লাভ আর! পরিস্থিতি ও পরিসরকে সন্ধ্যা হিসেবে না মেনে উপায় কই। রাত খুব দূরে নয়। মন মোর ...
৭ জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা - প্রতীক্ষা। সঠিক সময়ের তরে। ৮ জ্ঞানের চেয়ে গভীরতর হল উপলব্ধি ; তোমাকে চেনে তো অনেকে - বোঝে কয় জনা ! ৯ সবচেয়ে ক্রূর সৃষ্টি অর্থ। তবে, এর দ্বারা ...
কার্ত্তিকী ২ দিনের মাধুকরী। স্মৃতির থলিতে চেপেচুপে ভরে নেওয়া পথপাশে পড়ে থাকা স্মিত সম্পদ। হয়তো তুচ্ছও। অবজ্ঞা অমোঘ অস্ত্র। তবে অজ্ঞের হাতে মানায় না। তৃণ-গুল্মের ফুলের আয়ু বোঝো? ভালোলাগার সমানুপাতিক।
এই নুড়ি কবিতা গুলি হল সহস্রাধিক বছর ধরে লোকমুখে বয়ে আসা গৌতম বুদ্ধের উপদেশাবলীর ভাষান্তরের চেষ্টা মাত্র। মূলতঃ ইংরেজী, সংস্কৃত, হিন্দী, ভগ্ন পালি প্রাকৃতের থেকে সাহায্...
শর্তহীনতার শর্তে বেড়ে ওঠা আলিঙ্গন-প্রিয় স্বাভাবিক সবুজ গুলোকে অচল সম্পর্কের মত কচুকাটা করতে পারোই।কোমল বলে! যে মৃত্তিকা-লগ্ন তোমাদের পায়েরা... আজ সে ভূমি সুন্দর সবুঝ ...
উড্ডীন ডানারাজি হতে চূয়ত কথারেনু গুলোকে যদি বিশ্বাস করো- যদি বলো অভিমান, অনুযোগ বা আল্পনা কিংবা আরও এক ফুড়ুত বেঁচে নেওয়া... নেই দোষ নেই কিছু আর। আমি এলাম বলে ওদের নিয়ে উড়ে ...
কাজের খুঁটি গুলোয় একটা স্বাভাবিক টান থাকেই। কখনও এক পশলা জল , এক আঁচল অসম্বৃত প্রশ্রয় জটিল জট লতা ছড়ায়; ছড়াতে দেয় নাগাল থেকে গোছে ,আলগোছে... ধন্ধ-আকীর্ন ধুঁদুলের ফুল হয়ে ফো...
দ্বিপ্রাহরিক রোদ-স্নান সারছিল গাছটা। তোমরা যারা ভুতুড়ে বলো... তোমাদেরই খুঁজছিলো। সে। যারা তাকে খোঁজে না; তাদের ই খুঁজছিলো। অসীম আলোর আকাশ মাথায় ছাতাহীন ছাতিম। আমায় বললো, তোমাদের ছড়ানো গল্পের বীজেরা মিথ্যে। রটিত নায়ক করেছ। আমায়। আমি তো অশেষ ভয় নিয়েই ফিরলাম। ভালোবোঝা হারাবার ভয়! তোমরা কিন্তু ভালবাসার কাছে যেয়ো ; হিসেবকে নিকেশের সুযোগ দিও... অন্ততঃ একটি বার! কেউ তো একজন আছেই - হয় ভূত নয় ভালোবাসা। নির্ধূম বিশিখা জ্বলন ভাগ্যিস আরও কেউ একজন জ্বলে! নিঃসঙ্গতার কোতল-পর্ব খুব খারাপ লাগে না।
লেখা ও তাকে লেখা; একটা ব্যাপার বটে। প্রতি পলে ভাবনার সৈকতে এসে যা কিছু ঠোক্কর দেয় ; সব গুলোকে লিখিত সম্মান দেওয়া যায় না! কিছু অংশকে লেখার চামচে তুললেও... সারবত্তায় বা স্বা...