পোস্টগুলি

2018 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রত্যাবর্তন অথবা মহাপ্রস্থানপর্ব

ছবি
নিজের কাছে ফেরার পথ কতটা সম্ভব জানিনা। হয়তো এমন কোনও পথই হয় না! ফিরে যাওয়া, মুখ ফেরানো ইত্যাদি কথাস্ত্রের অধিকার, রুচি সবার হয় না জানি। পথ খুঁজে লাভ নেই খুঁজিনি তাই। ক্ষরণ,...

ভালো থেকো, ঘিরে থেকো

ছবি
কখনোই যেখানে পদধূলি পড়েনি তোমার ; তোমার মেদুর সুঘ্রাণ আমায় ঘিরে ঘিরে রাখে! সেথাও। কেন এ সম্মোহন বলো , মধুরা! পুষ্পশর কী তোমাতে অগম? বলো আলো, বলো মুক্তি...! কতো দূরে আছি ; জানো, তবু ...

ছোট্ট এক আশা

ছবি
ছোট্ট একটা যত্ন, রত্ন বাড়ছে দ্যাখো- তোমার অবহেলার গা জড়িয়ে তুচ্ছটা কেমন হাসছে!নিষ্পাপ! আকর্ষ ছিঁড়ে ফেলার মন্ত্র শিখতে আমি চাইনে তোমার কাছে । বারে বারে না হারাবার, না জড়াব...

ঝালাই অথবা ফাটল বা কম্পিত পত্রপর্ব

ছবি
দু'জনার মাঝে এক-উঁকি আলো বয়ে গেছে; রয়ে গেছে এখনও। এরপর দুটো গাছ জুড়ে যাবে না দূরে যাবে; পুড়ে যাবে - আগুয়ান সন্ধ্যেকে এত কঠিন প্রশ্ন হেনো না! আলিঙ্গনের ওম সব শীতার্ত বাহুর বরা...

।। হৃদয় ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকা, তোমাকে।।

ছবি
কাছে এসো ... দেখাবো সাদা-কালোর গুন্ঠনের গিঁট খোলা সবুজ সবুঝ মুখ। তোমায় প্রাণিত প্রাণবন্ত প্রাণ, আমার। জলের বেড়া কেমনে ডিঙোবে ? জল নয় পায়ের মল ভেবে ছলাৎ - ছলাৎ হাঁটো ... আমায় ছোঁ...

|| ঝরঝর শীতার্ত পাতার প্রতি ||

ছবি
চিত্রকবিতা

শূন্যের নীচে নেমো না, দোহাই

ছবি
অবহেলা বুঝতে যত দেরী ক্রমবর্ধমান ক্ষতির বহুগুণায়ণ ততই ; শুধু! ফিরতে হতোই শূণ্যমুঠোয় একদিন। নিজের কাছে ফেরা সবচেয়ে কঠিন তাই তো পথ শেষ হয়নি, এখনও! সাধনা ইতিহীন ... শেষ হবে না ; কখনও। গমনে প্রত্যাবর্তনে ছিল ছিলই অপরাধ একমাত্র ...  সম্বরণে  ব্যর্থ, অক্ষম। আসলে বেদনার কোনও ঘরবাড়ি হয় না; থাকেও না। স্থায়ী। নরম হৃদয়ে প্রিয় আবাস!  কোমল মাটিতে নখরাভিলাষ দুগ্ধ-মাংসপোষ্য বিড়ালেরও! সবাই পারেনা নিতে মরণ তিলে তিলে ধূপের ভস্মায়নের জীবন। বিপরীতে যুদ্ধ জয়ের হাসি যোগানোর আহা, কী মধুর এ জীবন! কিছু ভার কিছু যোজন মৃত্যু খুঁজে আনে... আছে  কী ক্ষমতা তোমার ওগো,দাতা? দহন ছাড়া আর কিছুই দান ছিলো না তোমার ঝুলিতে ওগো , অকৃপণ! তোমায় সসীম, অক্ষম ভাবতে বড় ভয় করে- একলা চলবার,বাঁচবার থেকে অনেক অশেষ বেশী!

বোধি-বিন্দু ৪

ছবি
২২ নীচতা বা পবিত্রতা জন্ম বা বংশ থেকে নয় - কর্ম থেকেই আসে। ২৩ শান্তি কঠোরশ্রম বা সমস্যাহীন নিরালা স্থান নয়। এসবের মাঝে থেকেও হৃদয়ে ধীর-স্থীর দৃঢ় অবিচল থাকাই শান্তি। ২৪ অন্যের মনোতুষ্টির জন্য যাপণ কোরো না জীবন। শেষত: সবাই একটা ধারণায় তো সবাই পৌঁছবেই। একদিন।  তাই, নিজ অর্জিত মতে বাঁচো। ২৫ যদি কারও মন জানতে চাও - তার প্রযুক্ত শব্দদের দ্যাখো। যদি কারও হৃদয়কে জানতে চাও - তার কর্ম-কীর্তিকে জানো। আগে। ২৬ সবচেয়ে কঠোর শিক্ষক হল জীবন-অভিজ্ঞতা। সে পরীক্ষা নেওয়ার পর শেখায়। ২৭ জীবন আদতে সহজ, সরল,  সাদা-মাটা। আমরাই তাকে জটিল করে তুলি। ইচ্ছাকৃত ও জোরপূর্বক। ২৮ জীবন কখনও শেখানো বন্ধ করে না। শেখা বন্ধ কোরো না কখনও।  সবিনয়ে শিখে চলো।

|| দহন ,শম বা প্রশম ইত্যাদি ||

ছবি
না বিদ্যুৎ-স্রোত , না অস্তারুণ কেউ পোড়ায় নি।তোমায়। রটনা রেস্তোরাঁ হতে উদ্গীর্ণ ধুঁয়ো মেলোড্রামা ছড়াচ্ছে। শুধু। ভুয়ো। দোহাই, নিজের গায়ে হাত দিয়ে দ্যাখো। একটি বার। একটু...

বোধি-বিন্দু ৩

ছবি
মূলতঃ হিন্দী, ইংরেজী ও ভগ্ন-পালি প্রাকৃত ভাষা হতে অনুসৃত এই পর্যায়ের লেখা গুলি।আমার উৎস গুলির গৌতম বুদ্ধের উপদেশাবলীর সাথে সম্পূর্ণত: প্রত্যক্ষ যোগ থাকা অনিশ্চিত। বোধি ভাবনার শুরু কখনোই বুদ্ধ থেকে নয়। তিনি সম সময়ে এই ভাব-দর্শণকে বৃহৎ রূপ দান করেছিলেন। তত্ব-দার্শণিকতার চেয়ে জীবনাচরণে, সময়ের অসুখ সারানোয় গৌতম সর্বাধিক প্রয়োগ করেছিলেন। সেই বোধ ও বোধির স্রোতে পরে অযুত মত ও বাঁকের যোজনা ঘটেছে। ঘটে চলেছে। আজ এই পর্বের কবিতার তৃতীয় কিস্তি। বলাবাহুল্য, সাহিত্যে-সৌকর্য বহু আগে  বোধি- বচনের কাছে আত্মসমর্পণ করে আছে। যদি।  ১৪ এই জিৎ কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। সব জয়-যোগ্যকে তোমায় সমর্পণ করবে; পৃথিবীর যাবৎ  যুদ্ধ-জয়ের চেয়েও বৃহৎ! যদি, নিজেকে জয় কর‌তে পারো। ১৫ শব্দ যখন সত্য ও করুনারুণের হৃদয়ের অতল হতে উত্থিত হয় - পৃথিবী বদলে দিতে পারে ! হোক না তা প্রলয় বা প্রশমণের। ১৬ জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে নিয়ে ভাবছো - অন্যকে ছারখার করবে! আদতে জ্বালাবে তো নিজেকেই। শুধু। যখন তুমি রাগে-ক্রোধে থাকো। ১৭ সত্য ভাষণ-মাত্রেই অতীতে ঢুকে যায় ; চুকে যায় কথা-ভার। অসত্য ভাষণ ভবিষ্যতের অশেষ বিপর্যয...

দহন-সর্বস্ব উষ্ণতার নৈদাঘী

ছবি
ফিরে আসার, আড়ালে আগলাবার আশা দহনান্তে মৃত্তিকায় পেয়েছে আলিঙ্গন; মূল হতে তিলাতি তিল ক্ষুদ্রতম ভাগশেষ - হাঁটু গেড়ে ভিক্ষার পর্ব শেষে বন্ধ্যাত্ব চিনেছে।  পুড়িয়ে তো ছারখার করলে সর্বস্ব! হে নিদাঘ, স্মৃতিকেও লুপ্ত করো! দোহাই।

কুড়োনো কথারা

ছবি
|| হেমন্তের হয়ে ||          ঋতুর মৃত্যু না মৃত্যুমুখী ঋতু এ চিত্তচাঞ্চল্য শরতের প্রান্ত দিনগুলোয় জন্ম নেয়। বিশেষতঃ কুয়াশাকীর্ন ভোর গুলোয়, ম্যাড়ম্যাড়ে বিকেল ডিঙোনো প্র...

কবিতা নয় মেঘ

ছবি
মেঘলা গোধূলী। সন্ধ্যার কালিমা গরিষ্ঠ হচ্ছে ধীরে ধীরে ;  আকাশে তারার, আলোর চিন্তা রেখে কী লাভ আর! পরিস্থিতি ও পরিসরকে সন্ধ্যা হিসেবে না মেনে উপায় কই। রাত খুব দূরে নয়। মন মোর ...

শীতের নোটিশ পাওয়া থরথর পাতাদের প্রতি

ছবি
বহু গবাক্ষওয়ালা অন্ধ গুহাগাত্র-চিত্রে চোখ চালিয়ে তুমি পড়ছো - কারা কী খাবে, কী পরবে , কী বলবে উচিত- অনুচিতের...  উল্কি-বোনা গল্প! অবশ্যই নিটোল বারুদ ঠাসা আফিমি গপ্পো। আর তাকে গ...

বোধি- বিন্দু ২

ছবি
৭ জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা - প্রতীক্ষা। সঠিক সময়ের তরে। ৮ জ্ঞানের চেয়ে গভীরতর হল উপলব্ধি ; তোমাকে চেনে তো অনেকে - ‎বোঝে কয় জনা ! ৯ সবচেয়ে ক্রূর সৃষ্টি অর্থ। তবে, এর দ্বারা ...

দুর্বিবাকেরও কিছু দেওয়ার আছে

ছবি
তুমি আমি পড়ে আছি - টি. ডি. এস., শেয়ার -মিউচুয়াল ফান্ড, পদোন্নতি, কর্মদ্বীপে বাঁশ নামক ঘাসেদের ঝাড়, লাভ-লোকসান,জমা-খরচ, শতাংশ, সময়-দূরত্ব, পাত্তা, প্রেম- ল্যাং , প্রকল্প-ঝাড়িতং, লাল-ন...

না জানাই ভালো

ছবি
সবাই সর্বদা সর্বথা একসঙ্গে ভালো থাকতে পারে না। কখনও। আহ্লাদী কচি কলাপাতা-রঙা পাতায় মহুয়ায় বসন্ত লাগবার পরেও... কোথাও কোনও সৌভাগ্যবান ডালে লেগে থাকতেই পারে নিদ্রালু শিশ...

মেঘে মেঘে

ছবি
মেঘের ঘেরাটোপ... শেষ বিকেলের আলোকে ঘিরে ধরেছে আষ্টেপৃষ্ঠে! প্রো কাবাড্ডি। দেখা যাক কাল কে জেতে!  দীপাবলী , দীপেদের যে কী অবস্থা হবে!জ্বলবে না 'জলবে', জলে  ভিজবে... ! কংসাবতীর অ্যা...

তুচ্ছ ইত্যাদি

ছবি
কার্ত্তিকী ২ দিনের মাধুকরী। স্মৃতির থলিতে চেপেচুপে ভরে নেওয়া পথপাশে পড়ে থাকা স্মিত সম্পদ। হয়তো তুচ্ছও। অবজ্ঞা অমোঘ অস্ত্র। তবে অজ্ঞের হাতে মানায় না। তৃণ-গুল্মের ফুলের আয়ু বোঝো?  ভালোলাগার সমানুপাতিক।

বোধি-বিন্দু ১

ছবি
এই নুড়ি কবিতা গুলি হল সহস্রাধিক বছর ধরে লোকমুখে বয়ে আসা গৌতম বুদ্ধের উপদেশাবলীর ভাষান্তরের চেষ্টা মাত্র। মূলতঃ ইংরেজী, সংস্কৃত, হিন্দী, ভগ্ন পালি প্রাকৃতের থেকে সাহায্...

উন্মূলন পর্ব

ছবি
শর্তহীনতার শর্তে বেড়ে ওঠা আলিঙ্গন-প্রিয় স্বাভাবিক সবুজ গুলোকে অচল সম্পর্কের মত কচুকাটা করতে পারোই।কোমল বলে! যে মৃত্তিকা-লগ্ন তোমাদের পায়েরা... আজ সে ভূমি সুন্দর সবুঝ ...

রঙেদের পাড়ায় কোমল আলাপ

ছবি
উড্ডীন ডানারাজি হতে চূয়ত কথারেনু গুলোকে যদি বিশ্বাস করো- যদি বলো অভিমান, অনুযোগ বা আল্পনা কিংবা আরও এক ফুড়ুত বেঁচে নেওয়া... নেই দোষ নেই কিছু আর। আমি এলাম বলে ওদের নিয়ে উড়ে ...

বিলাস গাথা

ছবি
আমি চাই জ্বরটা থাক। আমৃত্যু সঙ্গী। সঙ্গে সর্বাঙ্গে। আমি একা হতে ভীত ; জ্বালা মুছবার কাজ জানে যদি কোনও দেবী; পুষ্পে পরাগে নত হতে চাই। তার।

মোছামুছি বা বাল্যখিল্য

ছবি
১ সবাই ভুলে যায় ... ভুলতে পারে ; ভোলেই একদিন। আমিও পারবো। কিন্তু, কবে? ২ কে বলেছে ভোলা কঠিন । ভুলতে চাওয়ার মত মুর্খামি পৃথিবীতে আর ক'টাই বা আছে?

এক ডিঙা মধুকর

ছবি
কাজের খুঁটি গুলোয় একটা স্বাভাবিক টান থাকেই। কখনও এক পশলা জল , এক আঁচল অসম্বৃত প্রশ্রয় জটিল জট লতা ছড়ায়; ছড়াতে দেয় নাগাল থেকে গোছে ,আলগোছে... ধন্ধ-আকীর্ন ধুঁদুলের ফুল হয়ে ফো...

ঐ তরুনী অথবা তরুশ্রীকে

ছবি
দ্বিপ্রাহরিক রোদ-স্নান সারছিল গাছটা। তোমরা যারা ভুতুড়ে বলো... তোমাদেরই খুঁজছিলো। সে। যারা তাকে খোঁজে না; তাদের ই খুঁজছিলো। অসীম আলোর আকাশ মাথায় ছাতাহীন ছাতিম। আমায় বললো, তোমাদের ছড়ানো গল্পের বীজেরা মিথ্যে। রটিত নায়ক করেছ। আমায়। আমি তো অশেষ ভয় নিয়েই ফিরলাম।  ভালোবোঝা হারাবার ভয়! তোমরা কিন্তু ভালবাসার কাছে যেয়ো ; হিসেবকে নিকেশের সুযোগ দিও... অন্ততঃ একটি বার! কেউ তো একজন আছেই - হয় ভূত নয় ভালোবাসা। নির্ধূম বিশিখা জ্বলন ভাগ্যিস আরও কেউ একজন জ্বলে! নিঃসঙ্গতার কোতল-পর্ব খুব খারাপ লাগে না।

চাঁদ ধরন পালা

ছবি
চাঁদটাকে আটকাতে চায়  আলপটকা এক আবডাল। কেন? অশিক্ষায়? আজীবন কলঙ্ক শুনেও অম্লান- জ্যোতি!   চাঁদেরও বা কী করবি তোরা! 

আনন দ্বারের নুড়িরা

লেখা ও তাকে লেখা; একটা ব্যাপার বটে। প্রতি পলে ভাবনার সৈকতে এসে যা কিছু ঠোক্কর দেয় ; সব গুলোকে লিখিত সম্মান দেওয়া যায় না!  কিছু অংশকে লেখার চামচে তুললেও...  সারবত্তায় বা স্বা...