পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অথঃ আদর কথিকা

ছবি
আমার পদতলে জাগা দূর্বা ঘাসেরা আজও সবুজ ঝলমলে... শুধু বেঁকেছে তাদের পথ;দুর্বার। ফিরে আসছে ;আমার পা বেয়ে কোমর ছুঁয়ে সর্বাঙ্গে ছড়াচ্ছে। রোমেরা মিথ্যে প্রতিপন্ন হচ্ছে বদলে যাচ্ছে ওদের সহায় সম্পত্তি, নাম,পরিচয়! বুঝতে দিচ্ছে সঅব... ব্যথার কোমল পালক বুলিয়ে দিচ্ছে সারা গায়ে ; আলোর, তোমার ভালোর উপশম। কথা ছড়াচ্ছে, প্রবোধ জাগাচ্ছে... 'পবিত্র অনন্ত ব্যথায় বাঁচো! ' আর একা নও তুমি... একা নও কখনও। তুমি। - এ প্রবোধ-বাক্য গুলো কেন দ্রৌপদীর আঁচল নয়! এখনও পোস্টার সাঁটাবার বহুলাংশ বাকী - ধ্রুবপদ গুলো গাইবার তরে তোমার কাছে সারাজীবনের ফুরসত আছে তো? আমার শুনতে আপত্তি নেই। জানি, অবোধের তরেই প্রবোধের জন্ম। তুমি কি ভুলে গ্যাছো? হাতে হাত রেখে বুকের অতলান্ত গভীরে পুঁতে দিয়েছিলে একটি মাত্র বীজ। ভালোলাগার! অবহেলায়? আগুন সামলানো এত কী সহজ! আঁচল সামলানোর মতো? অগ্নির দ্বিপথ মানি.. নির্বান অথবা ভস্মন। জ্বলনের নাম চারিত জীবিত দুর্ব্বা। কী অননুভূতপূর্ব! অপরূপ দুব্বো ঘাসের মাঠ ; এদেহে - আর কেউ গড়াগড়ি দেবার চারিত আগুন নেভাবার কিম্বা কোলে মুখ গুঁজে পড়ে থাকবার আলতো চিমটি বা ফুঁ...

নদী সমীপেষু

ছবি
একটা গোটা প্রস্তর-যুগ এগোচ্ছে আমার দিকে। কেবল একখন্ড অমসৃন পাথর নয় - সর্বগ্রাসী নীরব তরল মসৃণ আগ্নেয় ধারা আমার হাত-পা পঙ্গু করে ঠোঁটকে বোবা করে, অক্ষি নিভিয়ে... হৃদপিন্ডকে ঢিমে করে... ধীরে ধীরে তোমার আমার স্বপ্নপ্রান্তরের সব ঘাস লবণায়িত করে ; এগোচ্ছে... চূর্ণ, ক্রন্দিত জ্বলিত গলিত লাভা আসছে ; অনতিদূরে। আগুয়ান অগ্নি-উল্লাস! আচ্ছা , আগুন এতো নীরব হয়? তুমি আগে জানতে? কেন বলোনি! আমার ভয় হচ্ছে না। একরত্তিও । হয়তো ঠিক এভাবে নয়, তবে এমনটা হওয়ারই ছিল। স্বাভাবিক। জ্বলনের পর যে চিতাভস্মেরা উড়ে উড়ে পঞ্চভূতের সোহাগ পায় না... তারা তো পাথরই হয়। তোমার শুশ্রূষা আশা করিনি কখনো। তবুও নির্ঝর তুমি? কী পাও ভালো চেয়ে, কেঁদে? আমার ভালোবাসার প্রায়শ্চিত্ত কেন তুমি বইবে? আমি তো চাইনি কখনও তুমি কাছে আসো, পাশে বসো... বোলাও হাত তপ্ত কপালে আমার। পাথরে কোমল কমল কর রেখে  কষ্ট লুটে কী সুখ পাও! কেন এ প্রস্তরগস্ততার গতি আগলাও! জানি, তুমি এক অনন্ত আঁচলময় নদী... তুমি না হয় আর একটু বেঁকে প্রবাহিত হও- ততক্ষণে আমি পুরোটা পাথর হই। রইবো, বইবো অবিনশ্বর অনন্তপল একসাথে... কখনো সতত স্...

কবির মৃত্যু উপলক্ষে একটি নিশি পক্ষীগীতি

ছবি
সব ক্রৌঞ্চ-ক্রৌঞ্চীর ডানা আছে, তবে ওদের উড়ে উড়ে কাছে আসতে নেই; পাশে বসার মানা আছে। দূরে দূরে সুরে সুরে বেশ কথা বলা যায়, এ কম্মোটি খুব জানা আছে! চঞ্চু,অক্ষি,ত্বক, বাহুডোর, ঘনশ্বাস সবই আছে; শুধু পাওয়া বারণ। ছোঁয়ায় মরণ! তোমরা  তো ননী নও, লবণ পুতুলি... ছোঁয়া ছুঁয়ি হলেই অনন্তে বিলীন হবে। আকাঙ্ক্ষা করো, জ্বলো, পোড়ো, কাঁদো... অবারিত ভাবনায় ভাবো। যত পারো। চেয়ো ;পেয়ো না শুধু! হে ক্রৌঞ্চ-ক্রৌঞ্চি, ভালোবাসো - শুধু কাছেতে এসে, পাশেতে বোসো না। অপার আগুনে জ্বলো তবু সত্যি সত্যি জড়িয়ে থেকো না জড়িয়ে কেঁদো না, হেসো না... ভালোবেঁচোনা শুধু! পরস্পর। কোরো না, কোরো না কেবল অগ্নি, তুষার অথবা শুশ্রূষা বিনিময়! সংসার শিকারীরা হয় তোমাকে নতুবা বা আমাকে শমন-শরে বিদ্ধ করবেই; তোমার আমি বা আমার তুমির হৃদয় হতে শোক-শোণিতের স্রোত বইবেই ! তোমার আমার শেষের গানে কে বল্মীক-ধন্য হবে? কাউকে ধন্য করা যাবে না। এসো অমরত্বের রত্নমালা খুলে ফেলি... একে একে সব অলঙ্কার ভালোলাগার; হৃদ-দুয়ারে এসো কঠোর একটা লাগাম পরাই - প্রাণপণে চেপে ধরি শিকল... মৃত্যুর পর অবধি প্রয়াসী রই। জন্ম হতে দেবো না নব-রা...

অথ: আদর গীতিকা

ছবি
আমার পদতলে জাগা দূর্বা ঘাসেরা আজও সবুজ ঝলমলে... শুধু বেঁকেছে তাদের পথ;দুর্বার। ফিরে আসছে ;আমার পা বেয়ে কোমর ছুঁয়ে সর্বাঙ্গে ছড়াচ্ছে। রোমেরা মিথ্যে প্রতিপন্ন হচ্ছে বদলে যাচ্ছে ওদের সহায় সম্পত্তি, নাম,পরিচয়! বুঝতে দিচ্ছে সঅব... ব্যথার কোমল পালক বুলিয়ে দিচ্ছে সারা গায়ে ; আলোর, তোমার ভালোর উপশম। কথা ছড়াচ্ছে, প্রবোধ জাগাচ্ছে... 'পবিত্র অনন্ত ব্যথায় বাঁচো! ' আর একা নও তুমি... একা নও কখনও। তুমি। - এ প্রবোধ-বাক্য গুলো কেন দ্রৌপদীর আঁচল নয়! এখনও পোস্টার সাঁটাবার বহুলাংশ বাকী - ধ্রুবপদ গুলো গাইবার তরে তোমার কাছে সারাজীবনের ফুরসত আছে তো? আমার শুনতে আপত্তি নেই। জানি, অবোধের তরেই প্রবোধের জন্ম। তুমি কি ভুলে গ্যাছো? হাতে হাত রেখে বুকের অতলান্ত গভীরে পুঁতে দিয়েছিলে একটি মাত্র বীজ। ভালোলাগার! অবহেলায়? আগুন সামলানো এত কী সহজ! আঁচল সামলানোর মতো? অগ্নির দ্বিপথ মানি.. নির্বান অথবা ভস্মন। জ্বলনের নাম চারিত জীবিত দুর্ব্বা। কী অননুভূতপূর্ব! অপরূপ দুব্বো ঘাসের মাঠ ; এদেহে - আর কেউ গড়াগড়ি দেবার চারিত আগুন নেভাবার কিম্বা কোলে মুখ গুঁজে পড়ে থাকবার আলতো চিমটি বা ফুঁ...

আমাকে আমি

ছবি
আলোরা আধো শরমে আড়ালে যাচ্ছে নীলের কোলে! কালোরা ব্যস্ত মৃত্যু বাসর সাজাতে।একটু দেরী হলেই ভোরের হরকরা আরও একটা দিনের বাঁচার চিঠি হাতে গুঁজে  দিয়ে যাবে। এ ডিউটি এড়ানোর কোনও পথ নেই। মরলে আর করতে হবে না।'মরেঙ্গে ইয়ে  করেঙ্গে' ! ডাকিয়াবাবুর   চরণ শশচঞ্চল অনন্তের ,বসন্তের  দোর হতে দোরান্তরে। অপরূপ এক আলোক-ছলনা;এ জীবন! প্রাপ্তি ঠিক ততটাই ; যতটা  পল তুমি আমায় তোমার কোলে কিডন্যাপের ছলে কোল দিয়ে রাখো। জন্ম- মৃত্যু এ প্রাপ্তির তুচ্ছ দুই বন্ধনী মাত্র। বাঁচতে দাও বলে বাঁচি ; ভাবাও , হাসাও ,কাঁদাও। তুমি কে ? তুমি কি তোমাকে জানো ?