পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাঁচার স্বার্থে

ছবি
তুমি প্রবল ভাবে ছিলে বা আছো বলে তোমাতে একান্ত আকীর্ণ, আবিল বলে ... বড় বড় ঝড়গুলোর ঝাপটে, এলোমেলো তীর্যক খাদ, ধারালো শিকারী চোখ গুলো হতে, কোমল কপট রশ্মিরাজির লুকোনো প্রখর নখর হতে ... বেঁচে বেঁচে যাই ভালো বেসে যাই। নৈকট্যে না হোক, স্মৃত সত্তায় ছেয়ে আছো । এই বড় পাওয়া ... এই বড় বেঁচে যাওয়া।

হয় বসন নয় বসন্ত

ছবি
প্রিয়ে, মনের বসন অনন্তকাল অমলিন রাখতে বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদী পাটিগাণিতিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। ভালোথাকা। নইলে কুজ্ঝটিক অভিমানে, কচি কচি কলহে কেচে হাসির কাঁদনে ধুয়ে মাঝে মধ্যে আলিঙ্গনের ওমে ব্যস সেঁকে নিলেই হল ... একেবারে ঝকঝকে ; চিরনতুন। প্রিয়ে, বসন পরো এবার ধুলোর ভয়ে অযত্নে, অপ্রেমে থেকো না আর।

মধ্যরাত্রির মর্নিং ওয়াক

ছবি
কেবল অতীত-ঘাতী সময় ছাড়া। স্মৃতির আঁতুড় বলো কিম্বা গায়েয়, গাছের ঘনিষ্ঠ স্পন্দিত ছায়া ... কেউই খুব একটা দৌড়তে পারে না। স্মৃতির সন্ততিরা দানোর মতো বাড়ে ঠিকই , সৃষ্টিকর্তার মান আর কতটাই বা রাখে! নিত্পরা পলেরা খুঁড়োতে জানে শুধু,  হাঁটার হাসি কেন যে শেখে না!

বোধি-বিন্দু ১০

ছবি
কিস্তি ১০  গৌতম বুদ্ধের জন্মের বহু আগে থেকেই বোধি-ভাবনার দার্শনিক চর্চার সূত্রপাত হয়েছিল । তাঁর জীবৎকালে বোধিতত্ত্ব এবং তার প্রয়োগ বৈপ্লবিক স্বরূপ ও ব্যাপ্তি লাভ করে। বুদ্ধ-তিরোধানের আড়াই হাজার বছর পরেও জীবনে-যাপণে তারঁ উপদেশ ও বাণী সমান উপযোগী।এখনও মূলতত্ত্ব বজায় রেখে সময় ও উপযোগীতা অনুযায়ী অযুত বাণী-বিস্তার ঘটে‌ চলেছে। যেগুলির সাথে গৌতম বুদ্ধের মূল উপদেশাবলীর সাথে প্রতক্ষ্য ভাষিক যোগ না থাকলেও  আস্বাদনে কোনও তারতম্য ঘটেনি ।ই-বুদ্ধইজমম্ নামক আধুনিকতম ধারায় সমকালীনতার প্রেক্ষাপটে বোধিতত্ত্বের আকর্ষণীয় প্রকাশ ঘটেছে। এই কিস্তিতে উক্ত ধারার অন্তর্গত বিভিন্ন  ভাষায় রচিত কিছু পংক্তির অনুবাদের আয়াস সাধিত হয়েছে।  ৮৪   এ বিশ্ব, সংসার  ছেড়ে তুমি চাইলে পালাতে  পারবে! কিন্তু, নিজেকে ছেড়ে কতদূরই বা যাবে?  ৮৫  সময়  নির্ধারণ করে এ জীবনে   তুমি কার দেখা পাবে। হৃদয় নির্ধারণ করে তুমি এ জীবনে কার সঙ্গ আশা করো। তোমার আচরণ নির্ধারণ করে আজীবন কে তোমার পাশে থাকবে। ৮৬ অভিযোগ  অনুযোগ করে আসলে নিজেরই পীড়ন বাড়াও। পারো ...

গদ্যের সান্ধ্য গীতিকা

ছবি
সন্ধ্যায় বাইরের সব আলো মুছে যাওয়ার পরেও  দু'একটা অবাধ্য গবাদি তৃণহীন প্রান্তরে অমোঘ এক অভ্যাসে ঘ্রাণে ঘ্রাণে পাগল হতে থাকেই! সময়, তোমার অস্ত্রেরা কী খুব একটা ধারালো! তবে কেন ওরা বেঁচে আছে? এখনও!

অনামিক

ছবি
একটা মানুষকে আত্মহত্যা করা যাবে না বলে ... শারীরিক বৈকল্য জনিত স্বাভাবিক মৃত্যুর অপেক্ষায় কিভাবে কি করে বেঁচে বেঁচে থাকতে হয়! নিজেকে দামী ভেবে ভেবে । কে খবর রাখে ? দার্শণিকগণ তখন কোন্ চুলোয় ব্যস্ত ন্যস্ত থাকে! 

একটি কেদারার এলিজি

ছবি
মেঘের প্রতি মনের মনের প্রতি সময়ের অযুত অভিমান গেঁজে ওঠা স্বাভাবিক। বৃষ্টি, সৃষ্টির তরে। পাটিগাণিতিক আঁশ-বেড়ালটাকে অহং এর আঁচল সামলাতে দিয়ে কী ভালোই না করলে!  যৌথ জিরোনোর বেচারা কেদারাটার  জন্ম মিথ্যে হলো। কেদারা নিমেশের নিমিত্ত-মাত্র; বসার পক্ষে ভালো ভালো বাসার তরে ভালো নয় প্রমাণিত।

আত্মম্ভরিতা ২

ছবি
অহংগতি... কায়ার আগে আগে যখন ছায়া চলে ; আত্মঘাতী তলোয়ার শরীরে তূণিত করে... চলে বেবাক বাগাড়ম্বরে ...!

গাছেদের গায়ে অজুহাত লেপো না

ছবি
দূর তবু এতো দূরের নয়; যতটা খুব কাছে রয়েও তুমি বাহুবন্ধনে সেধেছো বঞ্চনা! নাকি কী  সত্যিই কুয়াশা ঠেলে হাঁটতে জানো না? পথ আর কতদিনই বা রবে বৃক্ষহীন? তখন আবার বৃক্ষকে বাধা বোলো না! # মূল ছবি : মার্টিন পোডো

শিশির শব্দের এক মুঠো মূক অনুগামী

ছবি
১ দুধেল নির্বাক ভোরের মত হয়তো কোনও একদিন স্বরচিত, পর-রচিত সব বেড়া বন্ধন ঠেলে তোমার খুব কাছে এসে দাঁড়াবো... অনধিকারের অধিকারে চোখে চোখ ছোঁয়াবো... দেখবো, ছোঁয়াচে রোগ হতে ক্রমে আরোগ্য পেয়েছো আমারই অযত্ন, অবহেলায়। দিগন্ত পারের দিঘল চোখেদের কথা স্মৃতির সম্পানে চড়ে কেবলি হৃদয় কুঁদে কুঁদে তোমারই মূর্তি গড়ে .‌‌‌.. ভাঙন, সৃজন, আলিঙ্গন... এই ঐকিক খেলা মাত্র। স্পন্দিত পরিচয়। হয়তো নির্বাক ভোরের কাক অন্ধকারে উড়ে যাবেই একদিন। ২ তোমার আমার মাঝে যে রাশিকীর্ণ রশিরা সতত সজাগ শুয়ে থাকে; তিলে তিলে তাদের আঁট আলগা করে চলেছি প্রত্যহ। আমার সৈকত ক্ষয়ে ক্ষয়ে তোমারই সজীব দ্বীপ সাজছে। এ প্রদোষ কাল প্রাক্-প্রসবের ; যা কিছু যন্ত্রণা আসলে আগামী সুখের মন্ত্রণা। ৩ কতদিনের পয়োস্রোত জমে আছে , প্রসবের অব্যবহিত পরের স্তনভার যেন ... অশেষ কথালাপে ভরপুর! ওষ্ঠের দ্বার কে প্রথম ছোঁয়াবে সেটাই বড় প্রশ্ন! দু'পক্ষ প্রস্তুত। জন্ম মৃত্যুর মত এ অনিকেত-ক্ষণ কখন যে আসে!

বোধি-বিন্দু ৯

ছবি
পূর্বাপরের মতো, এই কিস্তির বুদ্ধ-বোধাচ্ছন্ন ভাষার পগার পেরোনো যাপন-বিধির কবিতিগুলির মূল সহস্রাধিক বছরের বোধি-স্রোতের সঙ্গেই জটে আবদ্ধ। বলাবাহুল্য, বেশীর ভাগ কবিতার শেকড়ই সরাসরি  সিদ্ধার্থ গোতমের মূখ-নিঃসৃত নয় ; বুদ্ধ, বোধি ও বোধকে পুঁজি করে বিভিন্ন মত ও দর্শণের সাথে ঝনাতকারের উপাত্ত হল বিভিন্ন সময়ে প্রচারিত এই যাপন-লিপি গুলি। বিভিন্ন প্রাচীন প্রাকৃত ও অর্বাচীন ভাষায় প্রকাশিত বুদ্ধ-বানী গুলির  ভাষান্তরের অপচেষ্টা নতুন কিস্তি অর্পিত হলো। ৬৭ অন্যকে জানা জ্ঞান বটে; নিজেকে জানা হল আসল জানা , আত্মপ্রদীপ্তি । ৬৮ পীড়া ও পীড়নকে তুমিই আঁকড়ে ধরেছো; ও তোমাকে ধরেনি, তুমিই আগলে আছো তাকে! মুক্ত হও। ৬৯ অভিযোগ করতে করতে ভুক্তভোগের শিকার হয়ো না! হয় পরিস্থিতিটাকে ছেড়ে এসো, বা ওকে বদলে দাও না হলে মেনে নাও। নির্দ্বিধ। এসব মাতন-মাত্র। ৭০ কারণ ব্যতীত কর্ম হয় না। বিনা প্রশ্নে তাকে আপন করে নাও। কর্মে বিশ্বাস রাখো। ৭১ দুই পরম শক্তিধর শব্দ - স্মিতি আর নীরবতা । স্মিত হাস্যে বহু সমস্যা হতে উত্তরণ সম্ভব। আর নীরবতা পারে অযুত বাধাকে অবহেলা করে  এ‌গিয়ে দিতে...

হর এক মেঘ জরুরী হোতা হ্যায়

ছবি
ভাদুরে শারদ রাত সাধারণত এত শীতল হয় না। হয়তো ভেতরের গুমোট, বাইরে এসে তুলনার তুলাদন্ডে পড়ে হেরে যাচ্ছে । আসলে, মেঘেরা দিনের ঝগড়া দিনেই মিটিয়ে নিচ্ছে। বৃষ্টির হালফিলের হালখাতা লোভে টইটম্বুর। ব্যাঙ্কের তো ব্যাংয়ের  দশা চলছে ... বেশী টাকা বানের তোড়ে বিদেশগামী হচ্ছে। নদী নালা যতটা পারছে টানছে, বাকিটা বমির কারেন্ট অ্যাকাউন্টে ঢালছে। ফল যাইহোক, বৃষ্টি কিস্তিতে কিস্তিতে মস্তিতে বেশ পড়ছে। ব্যাপারটা পজিটিভ।       পজিটিভ নামক ভদ্দরলোক আদতে বেশ রক্ষণশীল। এটা ঠিক ঘরের বউ দমিয়ে রেখে পরের বউ দেখার পজেসিভ পলিসিটা নয়। এই গ্রহে ভিন্ন মত, পথ, চোখ, হাত ও স্বার্থের  এল. ও. সি. -র সংখ্যা খুব কম নয়। তোমার ছোঁড়া ঢিল, কখনও এ পারে এসে ফুল হয়ে যেতেও পারে। সবই দেখা, দেখতে পারার ওপর নির্ভরশীল। তোমার নিরুত্তর দেওয়ালে আঁকা আমার ভ্রান্তিকাব্য ; ও  পিঠে প্রহসন হতে পারে। তোমার এক শব্দে সব বুঝে ফেলার কাছে , আমার নিযুত না পাঠাতে পারা  ছিন্নপত্রেরা সংখ্যা বিচারে নঞর্থক। যত কথা, যত ব্যথা, যত আকুল আলিঙ্গনের জন্ম ব্যর্থ হয়েছে...  তারা সবাই  তোমার কাছে এক একজন নেতিবাচক নেড়ি মাত্র...

কৃষ্ণ কলি

ছবি
কৃষ্ণকথার অবলেপে সুযাপণ-নির্দেশের প্রায় সর্বাংশই ' শ্রীমদ্ভাগবত' থেকেই উত্থিত। বেদ-উপনিষদ , বিভিন্ন পুরাণ- উপপুরাণের ঈশ্বর প্রসঙ্গ তথা ইদানীং কাল অবধি বিভিন্ন বৈষ্ণব ধর্ম-প্রতিষ্ঠানের কৃষ্ণনামী ঈশ্বর চর্চা এই অনুকবিতা গুচ্ছের ভারকেন্দ্র।বাংলা ভাষায় এ চেষ্টা প্রথম নয়। বলাবাহুল্য সংস্কৃত ,হিন্দী, ওড়িআ তথা ই়ংরেজী ভাষা হতে বঙ্গান্তর করতে গিয়ে পুরোপুরি ত্রুটি-বিচ্যুতির সঙ্গছাড়া হতে পারি নি। ১ ঈশ্বর শ্রেষ্ঠতম শ্রোতা। ক্রন্দন, চিৎকার, অনুনয় নিষ্প্রয়োজন... অশ্রুততম প্রার্থনাও তাঁর কৃপা এড়ায় না! ২ অনাসক্ত হৃদয়ই সবার হৃদয় জয় করে... তাঁর পবিত্র, ঐশ্বরিক প্রেমের কারণে! ৩ বস্তুর বন্দীত্বে, মোহত্বে... অযুত বাধার নাগপাশে জড়াতেই জড় হতেই থাকবে... যদি না, এক ও ঐকান্তিকের প্রতি বিশ্বাস ও বিশ্বস্তি বাড়াতেই থাকো। ৪ প্রতিটি কর্ম ও ক্রিয়ার কিছু অস্বস্তি অন্বিত; যেমন অগ্নি সনে ধুম্র...  একারণে কর্তব্যকে ছেড়ো না। ৫ আত্মা। অবিভাজ্য, অখন্ডনীয়, অকাট্য, অদহনীয়, অসিক্তসম্ভব, অশুষ্কনীয়, অক্ষয়, অব্যয়, চিরশাশ্বত... ৬ সময় শ্রেষ্ঠতম হন্তারক... সঅব কিছুকে হত্য...

বোধি-বিন্দু ৮

ছবি
এ কিস্তির বুদ্ধ-বোধের কবিতাবলীর মূল ঘ্রাণ সম্পর্ক ও তার ডালপালার ঘরকন্না। বলাবাহুল্য, সহস্রাধিক বছরের বুদ্ধ-বচন...  বহু যুগের বহু মনীষা ও মননের ঢেউএ নব নব কথা-কলেবর পেয়েছে। বোধিগামী সুষুম্নার নির্বানগামীতা তাতে তিলমাত্রও পথভ্রষ্ট হয় নি। পালি, হিন্দী, ওড়িআ, ইংরেজী তথা দেশীয় বিভিন্ন ভাষার স্বকীয়তা রক্ষা আর বোধিবোধে যুগপৎ অটল থেকে পদ্যের পদ্মপথ বিস্তার করা আমার কাছে বড় কঠিন ঠেকেছেই। তবু, এ কিস্তি প্রকাশের অবুদ্ধতা অপ্রকাশ রাখা গেল না। ৫১ সম্পর্কের স্বাভাবিক মৃত্যু হয় না। কখনও। অহং, আচরণ ও অবহেলাই সম্পর্ককে হত্যা করে। ৫২  কেউই সম্পূর্ণ ও নিঃখুত নয়। মানুষকে ছোট ছোট ভুলের কারণে ত্যাগ করতে থাকলে একদিন তো তুমি  এ বিশ্বে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়বে! ভালোমন্দের বিচার কমিয়ে বরং বেশী করে আপন করতে শেখো। ৫৩ তোমার হাসি দিয়েই ভুবনজয়ী হও। বিশ্বকে তোমার হাসি মুছে নিতে দিও না। ৫৪ যা কিছু তোমার বিরক্ত, বিপন্ন, বিব্রত, বিরূদ্ধতা সাধছে... ওরাই তোমার আসল শিক্ষক। ৫৫ যা কিছু বা যে কেউ তোমার জীবনে আসে ভালো বা মন্দ অভিলাষে... ভাঙে, চূর্ন করে গড়ে আকৃত করে তোমার সত...

পাতা বিষয়ক পত্ররচনা

ছবি
দ্যাখো, এদের দিকে তাকাও - বছরের মধ্যেই আয়ু ফুরোবে; ঝড়, আপদ শব্দগুলো সত্য জেনেও... তবু পাতায় পাতায় শিরায় উপশিরায় কেমন অশেষ হাসির হিল্লোল স্রোতমান! দ্যাখো... বেদনায়ও বহুবর্ষজীবি হওয়া যায়... তিল তিল করে কুড়োনো খুশির ফুল গুলোকে অনন্ত দু:খের সুতোয়  মাল্যবান করে করে বাঁচো;  লীলাকুসুমতলা এ জীবন! প্রতি পলের প্রার্থনার প‌‌ত্ররাজি একত্র করে কৃতাঞ্জলিপূটে সুখ, দুখ, পাওয়া, না পাওয়া, হাসি কান্নাদের ... একসাথে একমাঠে খেলতে ছাড়ো ; ওরা ঠোকাঠুকি, কোলাকুলি করুক... একঘরে শুধু অন্ধ আঁধারকে বন্দী রেখে বা একান্ত মুঠোবদ্ধ আলোর কিই বা মূল্য!  ভাঙো ,সব দেওয়াল ভাঙো ...  দুঃখকে, অমৃতকে, শূন্য পূর্নতাকে  যে যার হিসেব বুঝে নিতে দাও! দ্বন্দ্ব থেকে আনন্দে... ততক্ষণ পাতা, অন্ধকার আর মেঘের খেলা দেখে দেখে অদৃশ্য অমোঘ চাকার তান শুনে শুনে সময়-বাহিত করো ... তুমি তো ঘৃণা বা প্রীতির কেউ নও ।

না -বিষয়ক কয়েকটি উড়ো খই

ছবি
এই যে তোমার সাথে এক পশলা কথা কওয়ার জন্যে ভেতর ভেতর গুমরে গুমরে মেঘের মত নীরবে অদৃশ্যমান কাঁদছি... বিশ্বাস করো, এ চাওয়া  এক চিলতে দেখার  বা এক পশম ছোঁয়ার  তরে নয়। কী হলো, কেমন আছে... কোনও বিপদ-আপদ হয়নি তো! দুশ্চিন্তা-বিলাসে ক্রমে ক্রমে পাতাল-গ্রস্ত হচ্ছি... ইনফ্যাচুয়েশনের বাংলা কি হয় ঠিক জানি না; বলো, এটা কী তাই? ডাক্তার বাবু তো বললেন, শরীরে কিচ্ছু হয়নি। তোমার মত আমিও মানি আর যাই হোক এ সব অন্ততঃ ভালোবাসা নয়! আদপে কিছুই নয় বলো? 

দেবীপক্ষ

ছবি
১ যুগে যুগে কালে কালে যতবার চাওয়ার সীমা লঙ্ঘন ... ততবারই ক্লেদাক্ত কষ্টের জন্ম হয়েছে। এবার অবশ্য একটু আলাদা অবজ্ঞা যুক্ত হয়েছে। লটবহরে। যে মানুষ অপমান বোঝে না... তাকে নির্লজ্জ, বেহায়া বলে কতটা বোঝানো যায়! প্রখর অসংযমের দুর্দান্ত দান সব! ২ কতটা তুচ্ছ আমি। সবচে' ভালো জানো তুমি । তবু কেন লেগে আছো কিম্বা, নিজেকে ঝুলিয়ে রেখেছো আলগোছে! মহুঁ পাত্র কিনারে। নিজেকে ছাড়িয়ে নিচ্ছো না কেন? এ ভদ্রতা না ক্রীড়াচ্ছল? নাকি ইচ্ছেবিলাস? তোমার খুশিতে আমি খুশি  নাহয়ে কী পারি! খেলো ,খেলো প্রিয়ে খুশির খেলন! ৩ অবশেষ পড়ে থাকে বুকের ওপর দিয়ে শেষের হেঁটে যাওয়ার পরেও ... আজ কিছুই নেই । আর। তবু সম্পর্কের শব আঁকড়ে পড়ে থাকা মানুষটার নাম কিছু ভেবে রেখেছো? গাধা? ভালো। রাধার সাথে বেশ মেলে ভালো! ৪ তুমি দেবী। এ মানি। সারণীতে মাধুকরী পাত্র হাতে আমাকে এক হতভাগ্য জনৈক সংখ্যা বলার অবলীলা শক্তি তোমার আছে। সহ্যের অবাধ্য আঁচল কেন যে বাগ মানে না... ক্ষমো দেবী, ক্ষমো মোরে ! ৫ কতটা তোমার আমি? জানার ইচ্ছে কখনোই ছিল না। আজও নেই ... কণামাত্রও ছুঁতে পারিনি গহিনে তোমায়....

মেঘলা সপ্তক

ছবি
১ নিজের কাছে ফেরার কোনও গল্প হয় না ; এ ফেরা শোভাযাত্রাহীন। অগৌরব। পাথরচাপা বোবা বেদন ছাড়া আর কিচ্ছু থাকে না সঙ্গে ...!  হেথা নিঃসঙ্গতাই বড় সঙ্গী। ২ এ এক অভূতপূর্ব বিচ্ছেদ... "দীর্ঘদিবস দীর্ঘরজনী' খুব কাছে থাকবো ; তবু, একটুও পাশে থাকবো না! না বিরহ, না মাথুর কী মধুর এ আমৃত্যু দহন ধূপের মতন ... ভস্ম হতে পঞ্চভূতগামী অন্তিম অমোঘ একান্ত আশ্রয় ভালো এক বাসা আমার। ৩ কিছু দুঃখ আছে যা ছাড়া সত্যিই বাঁচা যায় না। যার উদ্বোধন আছে নির্বাপন নেই।  দুঃখ যদি না কাঁদায় , ভালো বাঁচতে না শেখায় সে আর দুঃখ কিসের! একে ছেড়ে কোথা যাই বলো তো! ৪ ''সব পাখি ঘরে আসে — সব নদী; ফুরায় এ-জীবনের সব লেনদেন; থাকে শুধু অন্ধকার ," আর ভার্চুয়াল দুঃখবিলাসের পোস্টার । আমার। ৫ যে নিভৃত অশ্রুপাত অন্য তীরে স্বর্গকে সত্যে সৃজন করে; প্রভু, সে আনন্দধারায় ঝরাও ঝরাও আমায় আমরণ! ৬ আর কোনও কথা নেই ভাব, ভাবনা কাজ নেই ... নেই কোনও খেজুরে আলাপ , চাতকী-জীবন বা গোরোমন্থন... ভালো বাঁচা শুধু। এ শুধু ডানার দিন, এ লগন ডানা ভাসাবার, তোমার। ৫ শ্রীকৃষ্ণের মনোমন্থন...

ব্যথা-বিলাস

ছবি
কষ্ট, যন্ত্রণা এসব সহ্যের বস্তু ; প্রচারের নয়। যে পারেনা তার কষ্ট বাড়ে, বই কমে না। অন্য প্রত্যঙ্গকে চুপিচুপিও বলতে নেই আর এক অঙ্গের ব্যথার কথা। একই অঙ্গে যোজিত বলেই অন্যাঙ্গের ব্যথা বহু গুনিত হয়। ও অঙ্গে তো বেশীই বেশ বেশিই বেঁধে। হে, প্রেমিক ব্যথা বোলো না... যতটা পারো ভালো মুহূর্ত-প্রসূ হয়ো শুধু। ব্যথিতা করতে তোমার একটুও বাধেনা? এই তোমার ভালোবাসা? যতই মোরা ব্যথায় ব্যথায় গ্রথিত রই না কেন! সম্পর্কের জন্ম যতই সমব্যথায় হোক না কেন, শুশ্রূষার বদলে ব্যথা বাড়াতে রে মন, দোহাই আর ভালোবেসো না, ভালোবেসো না।

অননুমোদিত কলিকন্যেরা ৩

ছবি
সারা পৃথিবীর ভালোবাসার ফুলদানি হতে আরো এক গোছা ফুল এলোমেলো চয়িত করে...  তোমার জন্যে নিজের ভাষায় রাঙালাম। বলাবাহুল্য এবারেও অনুকরণে অক্ষমতার সঙ্গছাড়া হই নি! অথ: কিস্তি নম্বর তিন। ৩১ কিছু কিছু মানুষ কঠোরে-কোমলে কী মোহন বুননে যে বোনা! 'আলো মুঞি জানো না। ' ৩২ যদি দীর্ঘায়মান অসহ্য পরিস্থিতি  সহ্য করতে করতে  ক্লান্ত, রিক্ত, নিঃশেষিত হতে থাকো ক্রমাগত ... মৃত্যুতে সমর্পিত হয়ো না;  হাঁটো। তুমি তো গাছ নও। ৩৩ তুমি তো বোকার মত ভুল ভেবে মরো... 'আমি নাকি তোমার কথা ভুল করেও ভাবি না! ' তুমি কীই যে করো না... আস্ত গাধা একটা! (মূল কবিতা : ভার্জিনিয়া উলফ) ৩৪ তোমার ওই স্পর্শবিহীন সর্বৈব ছুঁয়ে ফেলার অননুকরণীয় রীতি... তোমায় আমাকে ভালবাসতে বাধ্য করেছে। ৩৫ জানো, আমার সকল ভয়, বিপন্নতা, রাগের স্বাভাবিক নিদান আবিষ্কার করেছি তোমার স্বর আর তোমাতে। (মূল কবিতা :জে.  আর.  রগ) ৩৬ তোমার অঙ্গুলিদাম আর আমার ত্বকের মাঝে লাখো লাখো পৃথিবীর জন্ম ও মহাশূন্যে নিলয় হতে থাকে... যখন তুমি আমায় ছোঁও... আর আমি সঅব ভুলে যাই! (মূল লেখা : ইয়ান থ...

মেঘজন্ম

ছবি
নিজের ইচ্ছেয় জমে উঠিনি  না ঘনায়মানে, না পেঁজা তুলোয়;  তোমরা ভাবো,  যেথা ইচ্ছে যেতে পারি ; ডানাময় !  তোমাদের মনোভার লাঘবের  মেঘদূতমাত্র আমি। না পারি ইচ্ছে মত ঝরে পড়তে অশ্রু, বৃষ্টিতে ... পারলে বিশ্বাস করো কোনও খরা বা বন্যার কারণ আমি নই।  তুচ্ছ এক মেঘমাত্র। ইচ্ছে মত কান্নারও অধিকারহীন!

আমার বন্ধু জয় এবং তার ভয়েরা

ছবি
জানো, আমি চোখ বন্ধ করতে শিশুর মত ভয় পাই আজকাল... পাছে কেউ দূরত্বকে আবিষ্ট ভাবে জড়িয়ে ধরে দীর্ঘশ্বাসকে আরও তপ্ত করে খুন করে! বিশ্বাস করো , চোখ বুজলে মৃত্যুভয় নয় ; পঞ্চেন্দ্রিয়ের এক তুমুল আবিল ঐকতান আমাকে সারা পৃথিবীর সব ব্যস্ততা , বন্ধন, ব্যাপৃততা থেকে ছিঁড়ে নিয়ে গিয়ে ... কোনও এক স্বপ্নীল স্বর্গসুন্দর দ্বীপের রাজ্য, রাজত্ব, রাজকন্যের সঅব কিছুর মালিক করে দ্যায়! সে জীবনের আয়ু, অস্তিত্ব সম্বন্ধে আমার এক তিলও জানা নেই ... তাই হয়তো ভয়েরা ভালোবাসতে সাহস পায়! " তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর,   এখনি, অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।"

অননুমোদিত কলিকণ্যেরা ২

ছবি
আর এক গোছা স্ফুট- অস্ফুট  প্রেমগন্ধী অনুকারী কবিতা অর্পিত হলো। কিছু লেখার মূল স্রষ্টার স্পষ্ট দাবীদারকে উল্লেখ করতে পারলাম। ব্যতীতরা বিভিন্ন ভাষার প্রচলিত স্রোতে ভেসে আসা অর্ঘ্য। বস্তুতঃ রচনা তো শেষাবধি রচয়িতার নয়, সহমর্মীর।অথঃ  কিস্তি নম্বর দুই। ১৬ হে প্রিয়ে, যদি দ্বিধায় গ্রস্ত হও -- আমি না অন্য কেউ। দোহাই, আমায় বেছো না! ১৭ ভালোবাসার একটাই দায় ও দ্বায়িত্ব ... অন্য হৃদয়টাকে আগলে রেখো শুধু।  (মূল কবিতা : ব্রিগেট ডেভো) ১৮ ঘন মেঘ আজ ভালোবাসার বরিষণে ঝর ঝর ঝরমাণ... আর... আর... তোমাকে ভীষণভাবে মনে পড়ছে। পড়েই চলেছে... ১৯ যে তোমাকে তার একান্ত আকাশ মনে করে না! তার সূর্য-কিরণ হতে চাও কেন যে! ২০ ওগো দূরতর দূরবাসিনী মেঘকন্যে, ভাষে ভাষে নিতি নিতি তোমার হতে পারিনা প্রতিদিন; ক্ষমো সখে আমার অপরাধ... একপলও কেন যে তোমায় ভুলে থাকতে দাও না!  সতত রত রাখো মোরে  তোমাতে । ২১ এসো প্রিয়ে , পরস্পরে মথিত মজ্জিত হই - দু'জনে ধরাধামে আর রবো ক'দিন । (মূল কবিতা : জালালুদ্দীন রুমি) ২২ লড়ি, চুমোই, জড়াই, লিখি, বলি, ঝগড়াই, কাঁদি,...

অননুমোদিত কলিকণ্যেরা

ছবি
এ লেখা গুলোর মূল শেকড় আমার হৃদ- উদ্গত নয়।আবিশ্বের চলিত অচলিত, নামিক- অনামিক স্রস্টার বিভিন্ন ভাষার কতিপয় লেখার অননুমোদিত অনুচীকির্ষার অরোধ্য ইচ্ছার অক্ষম বহিঃপ্রকাশ এ কবিতা গুচ্ছ। প্রেমবিষয়ক। জানি না কতটা ছুঁতে পারবো তোমাকে!বিশেষতঃ তোমার স্বকীয় কলিরা স্পষ্টত অতীব সুললিত যেখানে ; যেহেতু ব্যথায় পরিচিতি আমাদের...  এ কলি সমূহকে সমব্যথার অর্ঘ্য রূপেই মেনো। ১ তুমি আমার দুঃখ, সুখ আর এ মৃত্তিকা ও আকাশ - ক্রন্দসীর মধ্যিখানের সঅব কিছু। তুমি। ২ সর্বৈবকে নিঃখুত করতে আজীবন ব্যয়িত করে নির্বোধ। জ্ঞাণী জানে আবিশ্বের সবকিছুই নিখুঁত, নিটোল। ৩ তোমার অঙ্গুলিদাম যখন ধীরে ধীরে আমাতে জড়াতে থাকে হঠাৎ জীবনে সাড়ের জাগরণ শুরু... ৪ যখন ফুল ফুটতে পারে না, পরিবেশটাকে বদলানোর চেষ্টা করো; ফুলটাকে বদলে কী লাভ! ৫ প্রেম এক অপরূপ ধরনের ভয় ছাড়া আর কিছু নয়! ৬ পৃথিবীর সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ধারালো, কঠিনতর... খারাপ লাগা হল - পরস্পরকে ভীষণ চাই তবু দু'জনে এক হওয়া যাবে না কভু। ৭ তোমাকে হারিয়ে ও দুঃখী হতে চলেছে, ওর দুশ্চিন্তাকে থামাও। সব অতীত-ভার, ব্যথা ভুলে ফের মনে করি...

অহংপক্ষ

ছবি
সব অভিযোগ, অকর্মণ্যতা, দ্বায়ীত্বজ্ঞানহীনতা স্বীকার করে নিতে আপত্তি ক'দিন আগেও ছিল না ; আজও নেই। একজন কঠোর পাপিষ্ঠকে অবহেলার অভিযোগে বেকসুর খালাস করলে কীভাবে! এত লঘুদন্ড! ভালো বুঝেছো,  দয়ার দরকার খুব বেশী ;  আমারই। অনুকম্পাভুক।

আঁধার আমার, আঁধার

ছবি
বজ্র-ঝলকও পারেনা, একরাত আঁধারের পুরোটায় আলো লেপে দিতে! ব্যর্থবজ্র। ঘনশ্যাম এক ঘনিষ্ঠ আড়াল তোমাকে আমার করে রাখে ; ঝড়, বৃষ্টি তো অতিথি মাত্র। সবারই জন্য আঁধার আসে প্রতিদিন.. কারও দেখা হয়; কারো হয় না। অপেক্ষা শুষ্কচক্ষে ফের ভোরের জন্ম লেখে। দিন তো দৈনিকই আসে... ভালোবেসে আশার কোল ঘেঁষে। তুমি আসতে না পারলেও, বা না চাইলেও ... তোমার ভাগের আঁধারের আঁচল... একা একা ওড়া অভিসারী ওড়না সম। সর্বব্যাপী, সর্বপ্লাবী। তোমার শূন্যতা অন্ধ আঁধারে পূর্ণ। তোমার মত করে ডাকতে রাখতে, বাঁধতে পারিনি বলে - একা। আঁধারে বাঁচি। এ আঁধার অশেষ ।  একা করবে না আর আমায়।

অধারাসম্ভব

ছবি
হারাইনি বলে হাহাকারও নেই। এত অন্তর্বেদন আমারই তরে, এত অমূল্য আমি... এ বিশ্বাসের ঘর হতে চ্যুত হয়েছি। নিজেরই বৈগুণ্যে অক্ষম, অপারগতায়! কী করে বলি... আঁখি মোদো, আমি তাতে ঘুম ছোঁয়াবো ... অশ্রুর গঙ্গোত্রী লোপাট করে দেবো; আর একটু দূরত্ব খুন করে আমার বাহুবন্ধনে তোমায় রইতে দেবো! অক্ষমের পক্ষে অসম্ভব। এ কাঁদন তো স্বাভাবিক। বরফগলা জলে পুষ্ট নদী। অঝোরে ঝরবে, বইবে... রক্তে, অশ্রুতে। শাশ্বত ধারা...

অনাধ্যাত্মিক

ছবি
সব লেখা গুলো আজ জীবন হয়ে গেছে। খাপছাড়া, অপূর্ণায়ত... অভিশপ্ত! দৈত্যাকার এক অপূরণীয় খাদ। খাদ্যহীন হাহাকারের হাঁ-ময়। সদ্যপ্রয়াত শীতে পরস্পরের কায়া হতে উষ্ণতা জাগাতে না পেরে নিগড় শিথিল হয়ে গেল... তোমার আমার কাছে থাকার সুতো। কাছে কাছেই আছে  দ্বিখন্ডমান শ্বাপদটা...  এখনও জ্যান্ত ছটফটানিময়। আমারই কারণে খোলসের মৃততার পরিচয় পেয়েছে সম্পর্কটি। হাহাকার অবয়বহীন, অনন্ত... বইতে,বাইতে থাকা আমরণ! স্মৃতি বাঁচন শুরু। ভগবানের কাছে প্রার্থনাই সাজে, কাছে পাওয়া নয়।  আসাটা স্বপ্নের ছিল বলেই  টুটে গেল, ঘুচে গেল সব...! ভগবান, তোমার সখা হতে পারিনি বলেই হয়তো পেয়েও হারালাম... জিজ্ঞাসার অধিকার অর্জন করলে হয়তো বলতাম, 'কেন এসেছিলে? ' সবাই ডাকলেই কী তোমায় এভাবে পায় ; স্বপ্নাতীত! তুচ্ছ তৃণকে কেই বা গণ্য করে! পুরো ব্রম্হান্ডই তো তোমার।  সচ্চিদানন্দময়ী।

নৈমিত্তিকী

ছবি
বোবা ঝড়, সাশ্রু নদী আর একাকীত্ব ছাড়া কোনও কোল নেই। এখন আমার। যথার্থ প্রাপ্তিই পাচ্ছি... পেয়েই চলেছি। স্বাভাবিক ফলশ্রুতি। অবহেলা, অবমাননা, অপমানের প্রসঙ্গ বড় অপ্রাসঙ্গিক। এখানে। ভালোবাসা বুঝেছিলে এও তো কল্পনাতীত প্রাপ্তি। বিনিময়ে ভালোবাসা চাইনি কখনও। তবু, যা কিছু ধন্য করেছে আমায়, দান পেয়েছি...  লোলুপ হয়েছি... তার প্রতিদান চোকাতেই হবে, আমৃত্যু। স্বাভাবিক। ধরা যখন পড়েছি... শান্তি এড়াবার প্রশ্নই নেই। কোনও। শুনেছি, পাথরে প্রহার বেঁধে না। যতটা এখনও বাকী ... সেসবও পাথর করে দাও। দোহাই। 

চুয়াল্লিশের চালশে

ছবি
'ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স' এর ক্রেতা মূল্য সূচক অনুযায়ী, ২০১৮ সালের  ডলারের মূল্য ১৯৭৫ সালের গড় দামের চেয়ে ৩৬৬.৭৪% বেশি।এই সময়কালের মধ্যে ডলারের গড় মূল্য প্রতি বছরে ৩.৭৫%  করে হ্রাস পেয়েছে  ।      ১৯৭৫ সালের মুদ্রাস্ফীতি হার ছিল ৯.১৩%। ২০১৮ সালের মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ২.৪৪%। ২০১৮ ও ২০১৯ সালের মধ্যে গড় মূল্যস্ফীতির হারের ২০১৯ সালেই মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি। বলা বাহুল্য ,সদ্যসমাপ্ত ভোটেও মুদ্রাস্ফীতি,  বেকারত্ব, পরিবেশ দূষণ তথা যথার্থ শিক্ষা ব্যবস্থা বিষয়ে কোনও দিশা বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাওয়ার প্রয়োজন হয়নি! দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি, ধর্মীয় সুড়সুড়ি, কুকথার বন্যা আর বিনা পরিশ্রমে সাবসিডি গেলানো...  প্রকারান্তরে ঐ বরাদ্দটা যে কোনও নেতা  বা দলের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে নয়, নিজের কর থেকেই আগত - এই সত্যটাকে উপলব্ধি করা থেকে বঞ্চিত করার নীতি যথারীতি ছড়ানো হয়েছে ।অ্যাকাউন্টে নগদ প্রাপ্তির টোপেও ভোট নেওয়া হয়েছে। এই চাঁদিফাটা গরমে অর্থনীতি কপচানোটা পুরোটাই কাকতালীয়। সঙ্গের ছবিটা অর্থনীতির স্মৃতি-কন্ডুয়নে বাধ্য করলো। 'আমরা আগে কী সুন্দর...

বোধি-বিন্দু ৭

ছবি
৪১ মুখ নয় হৃদয়ের পানে তাকাও; পুরো জীবনটাই স্পষ্টতর হবে। দৃশ্যমান। ৪২ একটা মোম-বর্তিকা হতে সহস্র বর্তিকা জ্বাললেও ; তার আয়ুক্ষয় হয় না। দানে কখনও আনন্দ কমে না। ৪৩ আবরণ, আভরণ আর যা কিছুতে জড়িয়ে আছো... এসব ছাড়া তোমার হারাবার কিছু নেই আর। ৪৪ দুষ্কর্ম বিষবৎ পরিত্যাজ্য। ৪৫ সত্যের পথে দু'টো ভ্রান্তিই ঘটে। পুরোটা পথ না চলার। বা আদৌ যাত্রারম্ভ না করার। ৪৬ জিহ্বা ছুরির চেয়েও ধারালো। বিনা রক্তপাতে হত্যার ক্ষমতা রাখে! ৪৭ তিনটে জিনিস দীর্ঘদিন গুপ্ত থাকতে পারে না... সূর্য, চন্দ্র ও সত্য। ৪৮ তুমি অন্যের তরে  আলো জ্বাললে; সে আলো তোমার পথকেও আলোকিত করে। ৪৯  অসংযত চিন্তা,  চরমতম শত্রুর চেয়েও বেশী ক্ষতি করে। ৫০ বোধি বুদ্ধিতে যাপিত ব্যক্তির মৃত্যুভয় নেই। 

বোধি-বিন্দু ৬

ছবি
৩৪ বোধের, জ্ঞানের সর্বব্যাপপ্তির তরে আগে সব কিছু ভুলে বিস্মৃতিকে ক্ষমা করো। ৩৫ প্রতি প্রভাতেই আমাদের নবজন্ম হয়; আজকের কৃতকর্মই মূল বিবেচ্য। ৩৬ শান্তিকামী মন হতেই শান্তি আসে; ওকে এর বাইরে খুঁজো না। ৩৭ আনন্দে পৌঁছনোর কোনও পথ নেই ; আনন্দই পথ। ৩৮ আমরা আসলে নিজেদের চিন্তাভাবনারই ফসল; আমরা যা ভাবি তাই হই।  ভাবনার দ্বারা ভুবন গড়তে পারি। ৩৯ যা করে ফেলেছো, ওদিকে ফিরে দেখার টান কখনও রেখো না।আর। এখনো যা করা বাকী কেবল তার দিকেই দৃষ্টি রাখো নিবদ্ধ। ৪০ সুস্বাস্থ্য গড়া একান্ত কর্তব্য। সুস্থ সবল স্বচ্ছ বোধি মন নইলে গড়বে কার উপরে!

ম্রিয়মান লতার হয়ে

ছবি
চোখ হতে বয়ে আসা সব ক্ষরিত প্রস্রবণ, মুহুমুর্হু ওষ্ঠ কম্পনের প্রশমন আমার কাছে ছিলই। আমি তো তোমাকে জড়িয়েই বাঁচি; কাঁপন, ক্রন্দন কমা অবধি আলিঙ্গন... বিশ্বাস করো, আমি পারতামই। চাইনি লোকচক্ষে তোমাকে আমাকে গাছকে লতাকে আর আমাদের অরোধ্য ফল্গুধারাকে  প্রহসনে পরিণতি দিতে। এ দেহ ক্ষীনায়ু জানি.. সব ক্ষত, ক্ষরণ ও দাহের দাগ তো তোমায় সইতে, বইতে হবে। তরুশ্রী। শুষ্ক জর্জর শল্ক বিশীর্ন শবেই রই; তোমার সর্বস্বের ঘ্রাণ থাক আমাতে। আমৃত্যু জড়িয়ে থাকতে দাও এ মৃয়মান লতার সর্বাঙ্গে... ! দোহাই দূরে হলেও তোমারই রইতে দাও। জানি তোমার আমি হবার ক্ষমতা আমার নেই। আস্কারায় আশ্রিত ক্ষণজন্মা আগাছা-মাত্র। বাহুবন্ধন ছাড়িয়ে দেওয়ার মত নিষ্ঠুরা নও তুমি। সব অপারগতা আমার। তুচ্ছতার। মানো, আরও সবুজ সবুঝ হও...

হে, শ্যামল-সুন্দরধারা

ছবি
তোমার অশ্রু কেন আমায় কাঁদায় নি? কেন তোমায় ছাড়া বেঁচে আছি? কেমন বেঁচে আছি! কিভাবে! সঅব উত্তর তোমার ভালো ভাবে জানা। অশ্রুর কোনও বদল , অভিনন্দন হয় না। নিষ্ঠুর , স্বার্থপর, স্খলিত, ক্রূর... এসব বিশেষণ আমার ক্ষেত্রে খুব কম বলা তা আমি জানি। তোমার রক্তক্ষরণ তবু কেন থামেনা... কেন শুকোয় না অশ্রুনদী! শুধতে থাকো ভুলের ঋণ ঝর্নায় ঝরে ঝরে ... এ পাপীর প্রবোধ বড় বন্ধ্যা জানি। নদী, কাঁদো , পুনর্শুদ্ধা হতে থাকো চলো এগিয়ে ধারালো সব বাধার পাহাড়-প্রমাণ স্থবির পাথরময় পাড় ঘেঁষে... আর কত আত্মদগ্ধী অসাধ্যসাধন কত দুষ্ট দূষণকে নির্মলগতি দেবে! শ্যাওলা আর কতদিন নদীক্রোড়ে বাঁচে তার স্রোতে স্রোতে নাচে হাসে খ্যালে বাঁচে। শ্যামাভ শৈবাল ক্ষীণায়ু জীবন-প্রত্যাশী, নদী জীবনধারার ধারক ও বাহক। এ সত্য সব অযোগ্যের জানা উচিত। তাই জানি। "ওগো নদী, চলার বেগে পাগল-পারা, পথে পথে বাহির হয়ে আপন-হারা--..."

অথঃ আদর কথিকা

ছবি
আমার পদতলে জাগা দূর্বা ঘাসেরা আজও সবুজ ঝলমলে... শুধু বেঁকেছে তাদের পথ;দুর্বার। ফিরে আসছে ;আমার পা বেয়ে কোমর ছুঁয়ে সর্বাঙ্গে ছড়াচ্ছে। রোমেরা মিথ্যে প্রতিপন্ন হচ্ছে বদলে যাচ্ছে ওদের সহায় সম্পত্তি, নাম,পরিচয়! বুঝতে দিচ্ছে সঅব... ব্যথার কোমল পালক বুলিয়ে দিচ্ছে সারা গায়ে ; আলোর, তোমার ভালোর উপশম। কথা ছড়াচ্ছে, প্রবোধ জাগাচ্ছে... 'পবিত্র অনন্ত ব্যথায় বাঁচো! ' আর একা নও তুমি... একা নও কখনও। তুমি। - এ প্রবোধ-বাক্য গুলো কেন দ্রৌপদীর আঁচল নয়! এখনও পোস্টার সাঁটাবার বহুলাংশ বাকী - ধ্রুবপদ গুলো গাইবার তরে তোমার কাছে সারাজীবনের ফুরসত আছে তো? আমার শুনতে আপত্তি নেই। জানি, অবোধের তরেই প্রবোধের জন্ম। তুমি কি ভুলে গ্যাছো? হাতে হাত রেখে বুকের অতলান্ত গভীরে পুঁতে দিয়েছিলে একটি মাত্র বীজ। ভালোলাগার! অবহেলায়? আগুন সামলানো এত কী সহজ! আঁচল সামলানোর মতো? অগ্নির দ্বিপথ মানি.. নির্বান অথবা ভস্মন। জ্বলনের নাম চারিত জীবিত দুর্ব্বা। কী অননুভূতপূর্ব! অপরূপ দুব্বো ঘাসের মাঠ ; এদেহে - আর কেউ গড়াগড়ি দেবার চারিত আগুন নেভাবার কিম্বা কোলে মুখ গুঁজে পড়ে থাকবার আলতো চিমটি বা ফুঁ...

নদী সমীপেষু

ছবি
একটা গোটা প্রস্তর-যুগ এগোচ্ছে আমার দিকে। কেবল একখন্ড অমসৃন পাথর নয় - সর্বগ্রাসী নীরব তরল মসৃণ আগ্নেয় ধারা আমার হাত-পা পঙ্গু করে ঠোঁটকে বোবা করে, অক্ষি নিভিয়ে... হৃদপিন্ডকে ঢিমে করে... ধীরে ধীরে তোমার আমার স্বপ্নপ্রান্তরের সব ঘাস লবণায়িত করে ; এগোচ্ছে... চূর্ণ, ক্রন্দিত জ্বলিত গলিত লাভা আসছে ; অনতিদূরে। আগুয়ান অগ্নি-উল্লাস! আচ্ছা , আগুন এতো নীরব হয়? তুমি আগে জানতে? কেন বলোনি! আমার ভয় হচ্ছে না। একরত্তিও । হয়তো ঠিক এভাবে নয়, তবে এমনটা হওয়ারই ছিল। স্বাভাবিক। জ্বলনের পর যে চিতাভস্মেরা উড়ে উড়ে পঞ্চভূতের সোহাগ পায় না... তারা তো পাথরই হয়। তোমার শুশ্রূষা আশা করিনি কখনো। তবুও নির্ঝর তুমি? কী পাও ভালো চেয়ে, কেঁদে? আমার ভালোবাসার প্রায়শ্চিত্ত কেন তুমি বইবে? আমি তো চাইনি কখনও তুমি কাছে আসো, পাশে বসো... বোলাও হাত তপ্ত কপালে আমার। পাথরে কোমল কমল কর রেখে  কষ্ট লুটে কী সুখ পাও! কেন এ প্রস্তরগস্ততার গতি আগলাও! জানি, তুমি এক অনন্ত আঁচলময় নদী... তুমি না হয় আর একটু বেঁকে প্রবাহিত হও- ততক্ষণে আমি পুরোটা পাথর হই। রইবো, বইবো অবিনশ্বর অনন্তপল একসাথে... কখনো সতত স্...

কবির মৃত্যু উপলক্ষে একটি নিশি পক্ষীগীতি

ছবি
সব ক্রৌঞ্চ-ক্রৌঞ্চীর ডানা আছে, তবে ওদের উড়ে উড়ে কাছে আসতে নেই; পাশে বসার মানা আছে। দূরে দূরে সুরে সুরে বেশ কথা বলা যায়, এ কম্মোটি খুব জানা আছে! চঞ্চু,অক্ষি,ত্বক, বাহুডোর, ঘনশ্বাস সবই আছে; শুধু পাওয়া বারণ। ছোঁয়ায় মরণ! তোমরা  তো ননী নও, লবণ পুতুলি... ছোঁয়া ছুঁয়ি হলেই অনন্তে বিলীন হবে। আকাঙ্ক্ষা করো, জ্বলো, পোড়ো, কাঁদো... অবারিত ভাবনায় ভাবো। যত পারো। চেয়ো ;পেয়ো না শুধু! হে ক্রৌঞ্চ-ক্রৌঞ্চি, ভালোবাসো - শুধু কাছেতে এসে, পাশেতে বোসো না। অপার আগুনে জ্বলো তবু সত্যি সত্যি জড়িয়ে থেকো না জড়িয়ে কেঁদো না, হেসো না... ভালোবেঁচোনা শুধু! পরস্পর। কোরো না, কোরো না কেবল অগ্নি, তুষার অথবা শুশ্রূষা বিনিময়! সংসার শিকারীরা হয় তোমাকে নতুবা বা আমাকে শমন-শরে বিদ্ধ করবেই; তোমার আমি বা আমার তুমির হৃদয় হতে শোক-শোণিতের স্রোত বইবেই ! তোমার আমার শেষের গানে কে বল্মীক-ধন্য হবে? কাউকে ধন্য করা যাবে না। এসো অমরত্বের রত্নমালা খুলে ফেলি... একে একে সব অলঙ্কার ভালোলাগার; হৃদ-দুয়ারে এসো কঠোর একটা লাগাম পরাই - প্রাণপণে চেপে ধরি শিকল... মৃত্যুর পর অবধি প্রয়াসী রই। জন্ম হতে দেবো না নব-রা...

অথ: আদর গীতিকা

ছবি
আমার পদতলে জাগা দূর্বা ঘাসেরা আজও সবুজ ঝলমলে... শুধু বেঁকেছে তাদের পথ;দুর্বার। ফিরে আসছে ;আমার পা বেয়ে কোমর ছুঁয়ে সর্বাঙ্গে ছড়াচ্ছে। রোমেরা মিথ্যে প্রতিপন্ন হচ্ছে বদলে যাচ্ছে ওদের সহায় সম্পত্তি, নাম,পরিচয়! বুঝতে দিচ্ছে সঅব... ব্যথার কোমল পালক বুলিয়ে দিচ্ছে সারা গায়ে ; আলোর, তোমার ভালোর উপশম। কথা ছড়াচ্ছে, প্রবোধ জাগাচ্ছে... 'পবিত্র অনন্ত ব্যথায় বাঁচো! ' আর একা নও তুমি... একা নও কখনও। তুমি। - এ প্রবোধ-বাক্য গুলো কেন দ্রৌপদীর আঁচল নয়! এখনও পোস্টার সাঁটাবার বহুলাংশ বাকী - ধ্রুবপদ গুলো গাইবার তরে তোমার কাছে সারাজীবনের ফুরসত আছে তো? আমার শুনতে আপত্তি নেই। জানি, অবোধের তরেই প্রবোধের জন্ম। তুমি কি ভুলে গ্যাছো? হাতে হাত রেখে বুকের অতলান্ত গভীরে পুঁতে দিয়েছিলে একটি মাত্র বীজ। ভালোলাগার! অবহেলায়? আগুন সামলানো এত কী সহজ! আঁচল সামলানোর মতো? অগ্নির দ্বিপথ মানি.. নির্বান অথবা ভস্মন। জ্বলনের নাম চারিত জীবিত দুর্ব্বা। কী অননুভূতপূর্ব! অপরূপ দুব্বো ঘাসের মাঠ ; এদেহে - আর কেউ গড়াগড়ি দেবার চারিত আগুন নেভাবার কিম্বা কোলে মুখ গুঁজে পড়ে থাকবার আলতো চিমটি বা ফুঁ...

আমাকে আমি

ছবি
আলোরা আধো শরমে আড়ালে যাচ্ছে নীলের কোলে! কালোরা ব্যস্ত মৃত্যু বাসর সাজাতে।একটু দেরী হলেই ভোরের হরকরা আরও একটা দিনের বাঁচার চিঠি হাতে গুঁজে  দিয়ে যাবে। এ ডিউটি এড়ানোর কোনও পথ নেই। মরলে আর করতে হবে না।'মরেঙ্গে ইয়ে  করেঙ্গে' ! ডাকিয়াবাবুর   চরণ শশচঞ্চল অনন্তের ,বসন্তের  দোর হতে দোরান্তরে। অপরূপ এক আলোক-ছলনা;এ জীবন! প্রাপ্তি ঠিক ততটাই ; যতটা  পল তুমি আমায় তোমার কোলে কিডন্যাপের ছলে কোল দিয়ে রাখো। জন্ম- মৃত্যু এ প্রাপ্তির তুচ্ছ দুই বন্ধনী মাত্র। বাঁচতে দাও বলে বাঁচি ; ভাবাও , হাসাও ,কাঁদাও। তুমি কে ? তুমি কি তোমাকে জানো ? 

কুড়ুমবেড়া দুর্গ

ছবি
কুড়ুমবেড়া দুর্গ কেশিয়াড়ী থেকে দক্ষিণ-পূর্বে  প্রায় চার কিলোমিটার দূরে  দক্ষিণে গগেনেশ্বর গ্রামে অবস্থিত।খড়গপুর শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে কুড়ুমবেড়া অবস্থিত।বেলদা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে কুকাই বাজার থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার গেলে কুড়ুমবেড়ায় পৌঁছনো যাবে। দুর্গটি ভারতের   পুরাতত্ব সর্বেক্ষণের অধীনে একটি সংরক্ষিত প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থল।উড়িষ্যার সূর্যভামসি (সূর্যবংশী)গজপতি  বংশের প্রথম রাজা কপিলেন্দ্র দেবের শাসনকালে দুর্গটির নির্মাণ শুরু হয়। পরবর্তী রাজা পুরুষোত্তম দেবের আমলে নির্মাণ সম্পন্ন হয়। দুর্গটি ১৪৩৮-১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দে  নির্মিত  বলে একস্থানে ওডিয়া শিলালিপিতে উৎকীর্ণ আছে।এখানে  ওরঙ্গজেবের  সমসাময়িক মোহাম্মাদ তাহিরের ( শিলালিপি) সময় নির্মিত কাঠামোও রয়েছে। আরকিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার  অধীনস্থ ঐতিহাসিক  স্তম্ভ হলেও , এটিতে আদর্শ দুর্গের কোনও বাহ্য বৈশিষ্ট্যগত মিল নেই। ১৫৬৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলার ও বিহারের আফগান সুলতান ওড়িশা আক্রমণ করে, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অবিভক্ত  মেদিনীপুর জেলার এই স্থানটিও ওড়িশা -রাজের ...

সাঁঝের রূপকথারা

ছবি

পাতায় বিছোনো কথারা

ছবি

বৃত্যায়ত বেদনার , তোমাকে

ছবি

বিনত লিপিমালা

ছবি

বিজয়া বা বিদায় লিপি

ছবি

আলোলিকার প্রতি

ছবি

বর্ণনারহিত

ছবি