কৃষ্ণকথার অবলেপে সুযাপণ-নির্দেশের প্রায় সর্বাংশই ' শ্রীমদ্ভাগবত' থেকেই উত্থিত। বেদ-উপনিষদ , বিভিন্ন পুরাণ- উপপুরাণের ঈশ্বর প্রসঙ্গ তথা ইদানীং কাল অবধি বিভিন্ন বৈষ্ণব ধর্ম-প্রতিষ্ঠানের কৃষ্ণনামী ঈশ্বর চর্চা এই অনুকবিতা গুচ্ছের ভারকেন্দ্র।বাংলা ভাষায় এ চেষ্টা প্রথম নয়। বলাবাহুল্য সংস্কৃত ,হিন্দী, ওড়িআ তথা ই়ংরেজী ভাষা হতে বঙ্গান্তর করতে গিয়ে পুরোপুরি ত্রুটি-বিচ্যুতির সঙ্গছাড়া হতে পারি নি। ১ ঈশ্বর শ্রেষ্ঠতম শ্রোতা। ক্রন্দন, চিৎকার, অনুনয় নিষ্প্রয়োজন... অশ্রুততম প্রার্থনাও তাঁর কৃপা এড়ায় না! ২ অনাসক্ত হৃদয়ই সবার হৃদয় জয় করে... তাঁর পবিত্র, ঐশ্বরিক প্রেমের কারণে! ৩ বস্তুর বন্দীত্বে, মোহত্বে... অযুত বাধার নাগপাশে জড়াতেই জড় হতেই থাকবে... যদি না, এক ও ঐকান্তিকের প্রতি বিশ্বাস ও বিশ্বস্তি বাড়াতেই থাকো। ৪ প্রতিটি কর্ম ও ক্রিয়ার কিছু অস্বস্তি অন্বিত; যেমন অগ্নি সনে ধুম্র... একারণে কর্তব্যকে ছেড়ো না। ৫ আত্মা। অবিভাজ্য, অখন্ডনীয়, অকাট্য, অদহনীয়, অসিক্তসম্ভব, অশুষ্কনীয়, অক্ষয়, অব্যয়, চিরশাশ্বত... ৬ সময় শ্রেষ্ঠতম হন্তারক... সঅব কিছুকে হত্য...