পোস্টগুলি

জুন, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অচিরায়মান চিঠি চতুষ্টয়

ছবি
১ আগামী সকাল গুলোকে বড্ড ভয় পেতে পেতে ঘুমোতে যাই ... প্রতিরাতে মাঝে ভোরের লাশ গুলো ঘুমের আচ্ছন্নতায় ডুবে থাকে; নিরীহ,নিষ্পাপ। জীবনে দিনের কোনও চিহ্ন নেই জেনেও! না আছে আগামীর উত্তর , না মূলের প্রতি যত্ন। তবু নঞ-জীবনটাকে তো বাঁচতে না বলিনি। বাসা। তাও আবার ভালো! অবান্তর নবাবিয়ানা। আকালে,অকালে  হ্যাঁ গরীবেরাই আগে ঝরছে। স্বতোপ্রণোদনে মরছে ... এ সময় আত্মহনন মুর্খেরাই করে! ২ যদি মৃত্যুকে ধোঁকা দিয়ে কষ্ট করে বেঁচে থাকি। তোমার সাথে দেখা হবে ।এ বিশ্বাসে অন্ধের মতো আঁধারের সাথে লড়ে যাই শুধু। জানি আর নতুন বা পুরাতন কিচ্ছু ঘটবে না। জেনেও তবুও বাঁচি। তাই কষ্ট করে মরা যাবে না। বেদনাই যখন সাধারণ পরিণতি, বাঁচার বেদনাতেই থাকি। ৩ অসময়ের দিনে সময়ের কোনও অভাবই নেই। একমাত্র। নিজের খুশিতে সুবিধা বুঝে... কারও সময়, শুশ্রূষা, সম্বিতকে গুলিয়ে দেওয়াটা ... মনে করিয়ে দেবার পর; নিজেকে স্বার্থান্ধই মানছি‌। এখন অসময় ঠিক, তবে দুঃসময় নয়। কথারা বরফে জমছে ... বরফ গলা জলের চিরহরিৎ নদীর জলাভাব রইবে নাকো রইবে না। বওয়া থামবে না। সব স...

প্রলাপ-পঞ্চক

ছবি
।।  ।। ১ #কম্পাস  আধাচাঁদা  রামধনুকটা সাজু-রুপাইয়ের গ্রাম-দুটোকে ছুঁয়ে আছে।আকাশ-পাতে কম্পাসের চক্র-স্বন।মেঘের কাঁধে মেঘ । বৃষ্টি এলো বলে! ধীরে ধীরে সঅব ভিজে যাবে।পরস্পরকে আঁকড়ে লয় আটকাবার চেষ্টারা ক্রমে  ঘনিষ্ঠ হবে আরও ... ২ #হাত_এবং_হাত স্বাধীনতা দিবসে শ্রীনৃপেন-এর দর্শন-দাদন নেওয়া আছে। হস্তপ্রক্ষালনী , স্পর্শ-প্রায়শ্চিত্তকের দহরমে রেখা প্রায় অগস্ত্য-যাত্রায় প্রস্তুত! আসন্ন অভিসারে কীভাবে যে হাত দেখাবো! ভাবছি ... ৩ #একবিংশ_শতাব্দী বাবা বললো যোগ করতে, জ্যাঠা বললো কোরোনা। প্রতিবেশীরা রাঁধছে ছ্যাঁচড়া, শিয়রে সূয্যি গ্রহণ... আমি ভাবছি, তাল খাবো না। বছরের দীর্ঘতম দিন। পৃথিবীও ধ্বংস হবে। সব একদিনে। এবার তাহলে বোঝো! ৪ #হাট দুটো ভুট্টার মাথায় পা রেখে, একটা ভুট্টাকে ঠুকরে ঠুকরে খাচ্ছে। একটা  সবুঝ পাখি। পেট কমলা; আর ঠোঁটটি লাল। বাগানে আপাততঃ আসন্ন আউশের আলাপন। দর্জির দরওয়াজায় 'মর্জিমতো পোষাক বানাও, বদলাও '  চিরকুট আঁটা। প্রাক্ নির্বাচনী #হাট। সগৌরবে জমিতেছে ... ৫ #ভুখাবুলারি কোয়ারান্টাইন, ...

আমার প্রিয় শত্রু, বা বন্ধুদের প্রতি

ছবি
।।।। এক হতে না পারা দু'টো মানুষ; কতো মানুষ যেখানে নিজের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হচ্ছে; নিজের সাথে পরতের পর পরত জড়াতে জড়াতে আরও শক্ত, একরোখা হচ্ছে।  'আমার বেঁচে থাকার ওপর কারো দায়, দয়া, দায়িত্ব কিচ্ছু নেই! তো খামোখা কাকে দেখাতে, কেন আমি মরবো? ' নিজে হেরে কাকে জেতাবো? লোকলজ্জা, আভিযাত্য, সম্মান এগুলোকে আঁকড়ে ধরতে ধরতে তো একদিন বুড়ো, অথর্ব , অক্ষম হবোই। আর বন্ধুত্ব? মন খুলে কথা বলার মানুষ ? উন্মুক্ত উঠোন‌।  ক'জনের ভাগ্যে জোটে? বলাবাহুল্য, তালিকা তো দেখাবার দ্রব্য। ঈর্ষা, ট্রোলিং, কোমরে লুকোনো ছোরা ... প্রায় সবারই আছে। খাঁজে খাঁজে খঞ্জর লুকোনো!আমারও আছে। হাতহীন জগন্নাথী অজুহাত অশেষ। সময় থাকলে বরং ভাবো ঐ হতভাগ্যদের কথা; শত চেয়েও যারা বলে উঠতে পারলো না অযুত কথা ... কান্না হাসি, ঘৃণা, ভালো খারাপ, বিশ্বস্ত অবিশ্বাস, ভরসা বা ভরসাহীনতার কতো নুড়িকথা ... যে ধারা উজিয়ে এসে নদী হতে পারলো না; সে ব্যর্থদের কথাটা ভাবো। কতো একা মানুষ কাজের সাথে, অকাজের সাথে অসম্ভব সম্ভবের সাথে, ব্যর্থতাকে,বিহনতাকে নিজের কাঁচিতে কুচিয়ে কুচিয়ে কান্নাকে হাসি সহ...