পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শিশির শব্দের এক মুঠো মূক অনুগামী

ছবি
১ দুধেল নির্বাক ভোরের মত হয়তো কোনও একদিন স্বরচিত, পর-রচিত সব বেড়া বন্ধন ঠেলে তোমার খুব কাছে এসে দাঁড়াবো... অনধিকারের অধিকারে চোখে চোখ ছোঁয়াবো... দেখবো, ছোঁয়াচে রোগ হতে ক্রমে আরোগ্য পেয়েছো আমারই অযত্ন, অবহেলায়। দিগন্ত পারের দিঘল চোখেদের কথা স্মৃতির সম্পানে চড়ে কেবলি হৃদয় কুঁদে কুঁদে তোমারই মূর্তি গড়ে .‌‌‌.. ভাঙন, সৃজন, আলিঙ্গন... এই ঐকিক খেলা মাত্র। স্পন্দিত পরিচয়। হয়তো নির্বাক ভোরের কাক অন্ধকারে উড়ে যাবেই একদিন। ২ তোমার আমার মাঝে যে রাশিকীর্ণ রশিরা সতত সজাগ শুয়ে থাকে; তিলে তিলে তাদের আঁট আলগা করে চলেছি প্রত্যহ। আমার সৈকত ক্ষয়ে ক্ষয়ে তোমারই সজীব দ্বীপ সাজছে। এ প্রদোষ কাল প্রাক্-প্রসবের ; যা কিছু যন্ত্রণা আসলে আগামী সুখের মন্ত্রণা। ৩ কতদিনের পয়োস্রোত জমে আছে , প্রসবের অব্যবহিত পরের স্তনভার যেন ... অশেষ কথালাপে ভরপুর! ওষ্ঠের দ্বার কে প্রথম ছোঁয়াবে সেটাই বড় প্রশ্ন! দু'পক্ষ প্রস্তুত। জন্ম মৃত্যুর মত এ অনিকেত-ক্ষণ কখন যে আসে!

বোধি-বিন্দু ৯

ছবি
পূর্বাপরের মতো, এই কিস্তির বুদ্ধ-বোধাচ্ছন্ন ভাষার পগার পেরোনো যাপন-বিধির কবিতিগুলির মূল সহস্রাধিক বছরের বোধি-স্রোতের সঙ্গেই জটে আবদ্ধ। বলাবাহুল্য, বেশীর ভাগ কবিতার শেকড়ই সরাসরি  সিদ্ধার্থ গোতমের মূখ-নিঃসৃত নয় ; বুদ্ধ, বোধি ও বোধকে পুঁজি করে বিভিন্ন মত ও দর্শণের সাথে ঝনাতকারের উপাত্ত হল বিভিন্ন সময়ে প্রচারিত এই যাপন-লিপি গুলি। বিভিন্ন প্রাচীন প্রাকৃত ও অর্বাচীন ভাষায় প্রকাশিত বুদ্ধ-বানী গুলির  ভাষান্তরের অপচেষ্টা নতুন কিস্তি অর্পিত হলো। ৬৭ অন্যকে জানা জ্ঞান বটে; নিজেকে জানা হল আসল জানা , আত্মপ্রদীপ্তি । ৬৮ পীড়া ও পীড়নকে তুমিই আঁকড়ে ধরেছো; ও তোমাকে ধরেনি, তুমিই আগলে আছো তাকে! মুক্ত হও। ৬৯ অভিযোগ করতে করতে ভুক্তভোগের শিকার হয়ো না! হয় পরিস্থিতিটাকে ছেড়ে এসো, বা ওকে বদলে দাও না হলে মেনে নাও। নির্দ্বিধ। এসব মাতন-মাত্র। ৭০ কারণ ব্যতীত কর্ম হয় না। বিনা প্রশ্নে তাকে আপন করে নাও। কর্মে বিশ্বাস রাখো। ৭১ দুই পরম শক্তিধর শব্দ - স্মিতি আর নীরবতা । স্মিত হাস্যে বহু সমস্যা হতে উত্তরণ সম্ভব। আর নীরবতা পারে অযুত বাধাকে অবহেলা করে  এ‌গিয়ে দিতে...