পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রুমি বাগিচায় পুনর্বার

ছবি
 আবার রুমির রচনার সাজি হতে এক গুচ্ছ  প্রেম-গন্ধী গোলাপকে অনুবাদের চেষ্টা করলাম। রুমির কবিতায় ঈশ্বর বা প্রার্থিতের কাছে পৌ‍ঁছবার এক ও অনন‍্যমাত্র পথ হলো - প্রেম।  বিশ্ববন্দিত পার্সি কবি জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি (জন্ম ৩০ সেপ্টেম্বর ১২০৭, মৃত্যু ৩০ ডিসেম্বর ১২৭৩)। রুমি নামেই তিনি সর্বাধিক পরিচিত। আইনবিদ‍্যা, ধর্মতত্ত্ব , সমাজবিদ‍্যা, শিক্ষা প্রভৃতি বিচিত্র বিষয়ে তাঁর অসীম অবদান থাকলেও, বিশ্ববাসী কবি হিসেবেই তাঁকে মনের মনিকোঠায় স্থান দিয়েছেন। রুমির কবিতার পরতে পরতে জড়িয়ে থাকা অতীন্দ্রিয়বাদ , সুফীয়ানার শুভ্রতা ,অধ‍্যাত্ম দৃষ্টি এক অননুভূতপূর্ব প্রেমের নিগড়ে ঈশ্বর ও মনুষ‍্যকে অপরূপ বন্ধনে বাঁধে। অবলীলাক্রমে তিনি ঘুচিয়ে দিতে পারেন ঈশ্বর ও প্রেমিকের সব বিধুর দ্বন্দ্ব ও দূরত্ব।  এ অনুচিকীর্ষায়  কোলম‍্যান বার্কস ও জন মোনের অনূদিত 'দ‍্য এসেনসিয়াল রুমি' , দীপক চোপড়া সম্পাদিত 'দ‍্য লাভ পোয়েমস্ অফ রুমি', কবীর হেলমেনস্কি সম্পাদিত 'দ‍্য রুমি কালেকশন'  প্রভৃতি গ্রন্থাদির ঋণ অপরিসীম। ১৬  'আমি তোমায় ভালোবাসি' -এই কথা বলতে একটুও ভয় পাইনে।  তুমি বলবে -  'তুমি আ...

হে সর্বসত্তা , তোমাকে

ছবি
 হে জীবন,  হে পৃথিবী -  তুমি যে আমাকে ভালোবাসতে চাওনা ; এতে আমারই অবদান সর্বাধিক।  আমার অক্ষমতা , সীমাবদ্ধতা, অপারগতা , ছেলেমানুষি, অবিবেচক নাবালকপনা ... তোমার এ ঘৃণা , অবজ্ঞা , তুচ্ছতা  আমারই কৃতকর্মের ফলশ্রুতি।  হে সর্বনিয়ন্তিনী।  জানি আমার শুভকামনা বড্ড অদরকারী ; বেমানান !  বিব্রতিকর ঘ‍্যানাঘানানি ...  তবু, আরও দুর্বার গতিতে, মোহনীয় অভিব‍্যক্তিতে , যতো অপ্রাপ‍্য অর্জনে ... সব অসম্ভবের বাঁধন ভাঙতে ভাঙতে চলো ,এগিয়ে চলো ...।  শৃঙ্গতরুণী।  হে কলস্রোতা -  কাছে আসবে,  দেখা হবে, কথা হবে ... কিন্তু, সেই তুমি - বিদ‍্যুল্লতার একান্ত আভরণ ... সেই মুখ ফিরানো তোমাকে ; একান্ত সাধনে সেধে যেতে  হবে শুধু ; আমৃত্যু ... হে আরাধ‍্যা, অনন্ত অন্তর্গত অশ্রুতে সদা সিক্ত রেখেছো আমায় ; আর কী চাই আমার!  হে রত্নতরঙ্গমালা -  তোমার ভুলে যাওয়া, ছেড়ে যাওয়া, ফেলে যাওয়া ...  আমার চাওয়া-না চাওয়ার বস্তু ছিল না। কখনো। তুমি এতে ভালো আছো , নির্ভার গতিদীপ্তিময় আছো ... আর কী আছে চাওয়ার আমার।  হে সিন্ধু, তোমার যতটা সময়, দয়া, দাক্ষিণ‍্য ...