আমার প্রিয় শত্রু, বা বন্ধুদের প্রতি
।।।।
এক হতে না পারা দু'টো মানুষ;
কতো মানুষ যেখানে নিজের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হচ্ছে; নিজের সাথে পরতের পর পরত
জড়াতে জড়াতে আরও শক্ত, একরোখা হচ্ছে।
'আমার বেঁচে থাকার ওপর কারো দায়, দয়া, দায়িত্ব কিচ্ছু নেই! তো খামোখা কাকে দেখাতে, কেন আমি মরবো?
' নিজে হেরে কাকে জেতাবো?
লোকলজ্জা, আভিযাত্য, সম্মান এগুলোকে আঁকড়ে ধরতে ধরতে তো একদিন বুড়ো, অথর্ব , অক্ষম হবোই।
আর বন্ধুত্ব? মন খুলে কথা বলার মানুষ ?
উন্মুক্ত উঠোন।
ক'জনের ভাগ্যে জোটে?
বলাবাহুল্য, তালিকা তো দেখাবার দ্রব্য।
ঈর্ষা, ট্রোলিং, কোমরে লুকোনো ছোরা ...
প্রায় সবারই আছে। খাঁজে খাঁজে
খঞ্জর লুকোনো!আমারও আছে।
হাতহীন জগন্নাথী অজুহাত অশেষ।
সময় থাকলে বরং
ভাবো ঐ হতভাগ্যদের কথা;
শত চেয়েও যারা বলে উঠতে
পারলো না অযুত কথা ...
কান্না হাসি, ঘৃণা, ভালো খারাপ,
বিশ্বস্ত অবিশ্বাস, ভরসা বা
ভরসাহীনতার কতো নুড়িকথা ...
যে ধারা উজিয়ে
এসে নদী হতে পারলো না;
সে ব্যর্থদের কথাটা ভাবো।
কতো একা মানুষ
কাজের সাথে, অকাজের সাথে
অসম্ভব সম্ভবের সাথে,
ব্যর্থতাকে,বিহনতাকে নিজের
কাঁচিতে কুচিয়ে কুচিয়ে
কান্নাকে হাসি সহযোগে রান্না করে ...
গিলছে,গেলাচ্ছে
প্রতিদিন জিতছে।
বাঁচছে।
ইচ্ছে করে চলে যাওয়া
প্রেমিক গুলোকে -
আর তার অসম্ভব আশা,
অভিমান, অসহায়তা গুলোর ...
গতায়মান শেষকৃত্যের দিনে
স্মরণ করে কিই বা হবে!
মরণোত্তর উদযাপনের তরে
কেউ কি ইচ্ছে করে মরে?
কারণ, মরে যাওয়াটা মজা নয়।
কখনোই।
কারো কাছে আমার বাঁচা,
উত্থান, ডানা সঞ্চার
অসহ্য হতেই পারে।
নিজের নয়,
ওর হাতেদের হননের রক্তে
নোংরা হতে দাও।
হাসতে হাসতে লড়ো,
বা মৃত্যুকে এগোতে দাও;
শত্রু বা সমস্যার হাতে
তোমার লাটাই দিওনা।
এত ঝাপটা, ব্যর্থ যুদ্ধ সয়ে,
অভিনয় করে বা অভিনয়ের
অংশ হয়ে; পেছনে গালি খেতে খেতে,
সামনে হাই-হ্যালো পেতে পেতে,
নতমস্তকে মেরুদন্ডে নীরবে
মাঞ্জা দিতে দিতে ...
বেঁচে থাকাটা ম্যাজিকাল।
এবং বেশ মজার।
থ্রিলারের জনক-জানকীরা
এ জন্য তোমায় জন্ম দ্যায় নি;
তোমায় কেউ পড়তে পারুক
বা নাই পারুক।
তুমি অনন্ত।
ন হন্যেয়।
মৃত্যু আর তুমি ছাড়া,
তোমাকে নিয়ে খেলার ক্ষমতা
বা অধিকার কারও নেই।
মৃত্যুকে তোমায় ভালোবাসতে দাও।
আগবাড়িয়ে ভালোবাসাটাকে
জীবনটাকে
ঘেঁটে দিওনা;
হে, আমায় প্রিয় শত্রু অথবা বন্ধু।
এক হতে না পারা দু'টো মানুষ;
কতো মানুষ যেখানে নিজের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হচ্ছে; নিজের সাথে পরতের পর পরত
জড়াতে জড়াতে আরও শক্ত, একরোখা হচ্ছে।
'আমার বেঁচে থাকার ওপর কারো দায়, দয়া, দায়িত্ব কিচ্ছু নেই! তো খামোখা কাকে দেখাতে, কেন আমি মরবো?
' নিজে হেরে কাকে জেতাবো?
লোকলজ্জা, আভিযাত্য, সম্মান এগুলোকে আঁকড়ে ধরতে ধরতে তো একদিন বুড়ো, অথর্ব , অক্ষম হবোই।
আর বন্ধুত্ব? মন খুলে কথা বলার মানুষ ?
উন্মুক্ত উঠোন।
ক'জনের ভাগ্যে জোটে?
বলাবাহুল্য, তালিকা তো দেখাবার দ্রব্য।
ঈর্ষা, ট্রোলিং, কোমরে লুকোনো ছোরা ...
প্রায় সবারই আছে। খাঁজে খাঁজে
খঞ্জর লুকোনো!আমারও আছে।
হাতহীন জগন্নাথী অজুহাত অশেষ।
সময় থাকলে বরং
ভাবো ঐ হতভাগ্যদের কথা;
শত চেয়েও যারা বলে উঠতে
পারলো না অযুত কথা ...
কান্না হাসি, ঘৃণা, ভালো খারাপ,
বিশ্বস্ত অবিশ্বাস, ভরসা বা
ভরসাহীনতার কতো নুড়িকথা ...
যে ধারা উজিয়ে
এসে নদী হতে পারলো না;
সে ব্যর্থদের কথাটা ভাবো।
কতো একা মানুষ
কাজের সাথে, অকাজের সাথে
অসম্ভব সম্ভবের সাথে,
ব্যর্থতাকে,বিহনতাকে নিজের
কাঁচিতে কুচিয়ে কুচিয়ে
কান্নাকে হাসি সহযোগে রান্না করে ...
গিলছে,গেলাচ্ছে
প্রতিদিন জিতছে।
বাঁচছে।
ইচ্ছে করে চলে যাওয়া
প্রেমিক গুলোকে -
আর তার অসম্ভব আশা,
অভিমান, অসহায়তা গুলোর ...
গতায়মান শেষকৃত্যের দিনে
স্মরণ করে কিই বা হবে!
মরণোত্তর উদযাপনের তরে
কেউ কি ইচ্ছে করে মরে?
কারণ, মরে যাওয়াটা মজা নয়।
কখনোই।
কারো কাছে আমার বাঁচা,
উত্থান, ডানা সঞ্চার
অসহ্য হতেই পারে।
নিজের নয়,
ওর হাতেদের হননের রক্তে
নোংরা হতে দাও।
হাসতে হাসতে লড়ো,
বা মৃত্যুকে এগোতে দাও;
শত্রু বা সমস্যার হাতে
তোমার লাটাই দিওনা।
এত ঝাপটা, ব্যর্থ যুদ্ধ সয়ে,
অভিনয় করে বা অভিনয়ের
অংশ হয়ে; পেছনে গালি খেতে খেতে,
সামনে হাই-হ্যালো পেতে পেতে,
নতমস্তকে মেরুদন্ডে নীরবে
মাঞ্জা দিতে দিতে ...
বেঁচে থাকাটা ম্যাজিকাল।
এবং বেশ মজার।
থ্রিলারের জনক-জানকীরা
এ জন্য তোমায় জন্ম দ্যায় নি;
তোমায় কেউ পড়তে পারুক
বা নাই পারুক।
তুমি অনন্ত।
ন হন্যেয়।
মৃত্যু আর তুমি ছাড়া,
তোমাকে নিয়ে খেলার ক্ষমতা
বা অধিকার কারও নেই।
মৃত্যুকে তোমায় ভালোবাসতে দাও।
আগবাড়িয়ে ভালোবাসাটাকে
জীবনটাকে
ঘেঁটে দিওনা;
হে, আমায় প্রিয় শত্রু অথবা বন্ধু।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন