শিশির শব্দের এক মুঠো মূক অনুগামী



দুধেল নির্বাক ভোরের মত
হয়তো কোনও একদিন
স্বরচিত, পর-রচিত
সব বেড়া বন্ধন ঠেলে
তোমার খুব কাছে
এসে দাঁড়াবো...

অনধিকারের অধিকারে
চোখে চোখ ছোঁয়াবো...

দেখবো, ছোঁয়াচে রোগ হতে
ক্রমে আরোগ্য পেয়েছো
আমারই অযত্ন, অবহেলায়।

দিগন্ত পারের দিঘল চোখেদের কথা
স্মৃতির সম্পানে চড়ে
কেবলি হৃদয় কুঁদে কুঁদে
তোমারই মূর্তি গড়ে .‌‌‌..

ভাঙন, সৃজন, আলিঙ্গন...
এই ঐকিক খেলা মাত্র।
স্পন্দিত পরিচয়।

হয়তো নির্বাক ভোরের কাক
অন্ধকারে উড়ে যাবেই
একদিন।



তোমার আমার মাঝে
যে রাশিকীর্ণ রশিরা
সতত সজাগ শুয়ে থাকে;
তিলে তিলে তাদের
আঁট আলগা করে চলেছি
প্রত্যহ।

আমার সৈকত ক্ষয়ে ক্ষয়ে
তোমারই সজীব দ্বীপ সাজছে।

এ প্রদোষ কাল
প্রাক্-প্রসবের ;
যা কিছু যন্ত্রণা
আসলে আগামী সুখের মন্ত্রণা।



কতদিনের পয়োস্রোত
জমে আছে ,
প্রসবের অব্যবহিত পরের
স্তনভার যেন ...
অশেষ কথালাপে ভরপুর!

ওষ্ঠের দ্বার কে প্রথম ছোঁয়াবে
সেটাই বড় প্রশ্ন! দু'পক্ষ প্রস্তুত।

জন্ম মৃত্যুর মত
এ অনিকেত-ক্ষণ
কখন যে আসে!




মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ছেলেমানুষ মেঘেদের স্তবগাথা

প্রলাপ-পঞ্চক

বোধি-বিন্দু ১০