বোধি-বিন্দু ৯
পূর্বাপরের মতো, এই কিস্তির বুদ্ধ-বোধাচ্ছন্ন ভাষার পগার পেরোনো যাপন-বিধির কবিতিগুলির মূল সহস্রাধিক বছরের বোধি-স্রোতের সঙ্গেই জটে আবদ্ধ। বলাবাহুল্য, বেশীর ভাগ কবিতার শেকড়ই সরাসরি সিদ্ধার্থ গোতমের মূখ-নিঃসৃত নয় ; বুদ্ধ, বোধি ও বোধকে পুঁজি করে বিভিন্ন মত ও দর্শণের সাথে ঝনাতকারের উপাত্ত হল বিভিন্ন সময়ে প্রচারিত এই যাপন-লিপি গুলি। বিভিন্ন প্রাচীন প্রাকৃত ও অর্বাচীন ভাষায় প্রকাশিত বুদ্ধ-বানী গুলির ভাষান্তরের অপচেষ্টা নতুন কিস্তি অর্পিত হলো।
৬৭
অন্যকে জানা জ্ঞান বটে;
নিজেকে জানা হল
আসল জানা ,
আত্মপ্রদীপ্তি ।
৬৮
পীড়া ও পীড়নকে
তুমিই আঁকড়ে ধরেছো;
ও তোমাকে ধরেনি,
তুমিই আগলে আছো তাকে!
মুক্ত হও।
৬৯
অভিযোগ করতে করতে
ভুক্তভোগের শিকার হয়ো না!
হয় পরিস্থিতিটাকে ছেড়ে এসো,
বা ওকে বদলে দাও
না হলে মেনে নাও। নির্দ্বিধ।
এসব মাতন-মাত্র।
৭০
কারণ ব্যতীত কর্ম হয় না।
বিনা প্রশ্নে
তাকে আপন করে নাও।
কর্মে বিশ্বাস রাখো।
৭১
দুই পরম শক্তিধর শব্দ -
স্মিতি আর নীরবতা ।
স্মিত হাস্যে বহু সমস্যা হতে
উত্তরণ সম্ভব।
আর
নীরবতা পারে
অযুত বাধাকে অবহেলা করে
এগিয়ে দিতে।
৭২
আহত, পীড়িত হবার পর
কারণে মনোযোগী হও।
আসলে
জীবন তোমাকে নতুন
কিছু শেখাতে চাইছে।
তা বোঝো।
৭৩
থেমো না
চলতেই থাকো...
সঠিক সময়ে
কাঙ্খিতের সাথে দেখা
হবেই হবে ।
৭৪
নিজের যা আছে,
তার তরে নিজেকেই
ধন্যবাদ দাও।
অনেকে তো একেবারে
রিক্ত
তাদের কিছুই নেই!
৭৫
অহংকে
বেঢপ বস্ত্রের মতো
গণ্য কোরো।
৭৬
ধৈর্য, স্থৈর্য
হলো পাগল হয়ে যাওয়ার
মত পরিস্থিতি সত্ত্বেও,
বোধ আলিঙ্গন করে বাঁচা।
৭৭
যত বেশী পারো হাসো,
যতটা পারো ক্ষমা চাও ...
যা তুমি বদলাতে অক্ষম,
তাকে চলে যেতে দাও।
৭৮
বিশ্বাস আর প্রার্থনা
উভয়েই বিমূর্ত।
তবে, এরা অসম্ভবকে
সম্ভবের ক্ষমতা রাখে।
৭৯
আকাঙ্ক্ষার
অন্তেই
প্রশান্তির শুরু।
৮০
পরিবর্তন বেদনার নয়,
পরিবর্তন প্রতিরোধের প্রচেষ্টাই
পরম বেদনাদায়ক!
৮১
নিজের স্রোতধর্ম বজায় রেখে,
পরিস্থিতির সাথে
আকারে আকার মেলাও ...
ঠিক জলের মতো ।
৮২
জল যখন সংক্ষুব্ধ ,
সব কিছুই ঘোলাটে -
কিছু স্পট হয় না ।
ঘূর্ণি, ঘুলুনি স্থির হলে
তা স্বচ্ছ, সর্ববোধ্য।
মনও তাই।
৮৩
কত ভালোবাসা পেয়েছো,
কত সরল যাপণ সেধেছো,
আর কত সহজে
যা তোমার নয়
তাকে যেতে দিয়েছো ...
সবশেষে এই তিন
আলোচনাই হয়।
৬৭
অন্যকে জানা জ্ঞান বটে;
নিজেকে জানা হল
আসল জানা ,
আত্মপ্রদীপ্তি ।
৬৮
পীড়া ও পীড়নকে
তুমিই আঁকড়ে ধরেছো;
ও তোমাকে ধরেনি,
তুমিই আগলে আছো তাকে!
মুক্ত হও।
৬৯
অভিযোগ করতে করতে
ভুক্তভোগের শিকার হয়ো না!
হয় পরিস্থিতিটাকে ছেড়ে এসো,
বা ওকে বদলে দাও
না হলে মেনে নাও। নির্দ্বিধ।
এসব মাতন-মাত্র।
৭০
কারণ ব্যতীত কর্ম হয় না।
বিনা প্রশ্নে
তাকে আপন করে নাও।
কর্মে বিশ্বাস রাখো।
৭১
দুই পরম শক্তিধর শব্দ -
স্মিতি আর নীরবতা ।
স্মিত হাস্যে বহু সমস্যা হতে
উত্তরণ সম্ভব।
আর
নীরবতা পারে
অযুত বাধাকে অবহেলা করে
এগিয়ে দিতে।
৭২
আহত, পীড়িত হবার পর
কারণে মনোযোগী হও।
আসলে
জীবন তোমাকে নতুন
কিছু শেখাতে চাইছে।
তা বোঝো।
৭৩
থেমো না
চলতেই থাকো...
সঠিক সময়ে
কাঙ্খিতের সাথে দেখা
হবেই হবে ।
৭৪
নিজের যা আছে,
তার তরে নিজেকেই
ধন্যবাদ দাও।
অনেকে তো একেবারে
রিক্ত
তাদের কিছুই নেই!
৭৫
অহংকে
বেঢপ বস্ত্রের মতো
গণ্য কোরো।
৭৬
ধৈর্য, স্থৈর্য
হলো পাগল হয়ে যাওয়ার
মত পরিস্থিতি সত্ত্বেও,
বোধ আলিঙ্গন করে বাঁচা।
৭৭
যত বেশী পারো হাসো,
যতটা পারো ক্ষমা চাও ...
যা তুমি বদলাতে অক্ষম,
তাকে চলে যেতে দাও।
৭৮
বিশ্বাস আর প্রার্থনা
উভয়েই বিমূর্ত।
তবে, এরা অসম্ভবকে
সম্ভবের ক্ষমতা রাখে।
৭৯
আকাঙ্ক্ষার
অন্তেই
প্রশান্তির শুরু।
৮০
পরিবর্তন বেদনার নয়,
পরিবর্তন প্রতিরোধের প্রচেষ্টাই
পরম বেদনাদায়ক!
৮১
নিজের স্রোতধর্ম বজায় রেখে,
পরিস্থিতির সাথে
আকারে আকার মেলাও ...
ঠিক জলের মতো ।
৮২
জল যখন সংক্ষুব্ধ ,
সব কিছুই ঘোলাটে -
কিছু স্পট হয় না ।
ঘূর্ণি, ঘুলুনি স্থির হলে
তা স্বচ্ছ, সর্ববোধ্য।
মনও তাই।
৮৩
কত ভালোবাসা পেয়েছো,
কত সরল যাপণ সেধেছো,
আর কত সহজে
যা তোমার নয়
তাকে যেতে দিয়েছো ...
সবশেষে এই তিন
আলোচনাই হয়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন