হে সর্বসত্তা , তোমাকে
হে জীবন,
হে পৃথিবী -
তুমি যে আমাকে
ভালোবাসতে চাওনা ;
এতে আমারই অবদান
সর্বাধিক।
আমার অক্ষমতা ,
সীমাবদ্ধতা,
অপারগতা ,
ছেলেমানুষি,
অবিবেচক নাবালকপনা ...
তোমার এ ঘৃণা , অবজ্ঞা , তুচ্ছতা
আমারই কৃতকর্মের ফলশ্রুতি।
হে সর্বনিয়ন্তিনী।
জানি আমার শুভকামনা
বড্ড অদরকারী ; বেমানান !
বিব্রতিকর ঘ্যানাঘানানি ...
তবু,
আরও দুর্বার গতিতে,
মোহনীয় অভিব্যক্তিতে ,
যতো অপ্রাপ্য অর্জনে ...
সব অসম্ভবের বাঁধন ভাঙতে ভাঙতে
চলো ,এগিয়ে চলো ...।
শৃঙ্গতরুণী।
হে কলস্রোতা -
কাছে আসবে,
দেখা হবে,
কথা হবে ...
কিন্তু, সেই তুমি -
বিদ্যুল্লতার একান্ত আভরণ ...
সেই মুখ ফিরানো তোমাকে ;
একান্ত সাধনে সেধে যেতে
হবে শুধু ; আমৃত্যু ...
হে আরাধ্যা,
অনন্ত অন্তর্গত অশ্রুতে
সদা সিক্ত রেখেছো আমায় ;
আর কী চাই আমার!
হে রত্নতরঙ্গমালা -
তোমার ভুলে যাওয়া,
ছেড়ে যাওয়া,
ফেলে যাওয়া ...
আমার চাওয়া-না চাওয়ার বস্তু ছিল না। কখনো।
তুমি এতে ভালো আছো ,
নির্ভার গতিদীপ্তিময় আছো ...
আর কী আছে চাওয়ার
আমার।
হে সিন্ধু,
তোমার যতটা
সময়, দয়া, দাক্ষিণ্য আমি
অপচয় করেছি ....
জানি এসবকে তোমার পক্ষে
হেলায় ওড়ানো
খুব একটা অসম্ভব নয়।সুপারঙ্গমা।
হে জীবন, সতত স্পন্দিত রও ;
হে বসুন্ধরা বর্তনে
আবর্তন পরিক্রমণে
সদা নন্দিত বও ...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন