অননুমোদিত কলিকণ্যেরা ২
আর এক গোছা স্ফুট- অস্ফুট প্রেমগন্ধী অনুকারী কবিতা অর্পিত হলো। কিছু লেখার মূল স্রষ্টার স্পষ্ট দাবীদারকে উল্লেখ করতে পারলাম। ব্যতীতরা বিভিন্ন ভাষার প্রচলিত স্রোতে ভেসে আসা অর্ঘ্য। বস্তুতঃ রচনা তো শেষাবধি রচয়িতার নয়, সহমর্মীর।অথঃ কিস্তি নম্বর দুই।
১৬
হে প্রিয়ে,
যদি দ্বিধায় গ্রস্ত হও --
আমি না অন্য কেউ।
দোহাই, আমায় বেছো না!
১৭
ভালোবাসার একটাই
দায় ও দ্বায়িত্ব ...
অন্য হৃদয়টাকে আগলে রেখো
শুধু।
(মূল কবিতা : ব্রিগেট ডেভো)
১৮
ঘন মেঘ আজ
ভালোবাসার বরিষণে
ঝর ঝর ঝরমাণ...
আর...
আর...
তোমাকে ভীষণভাবে
মনে পড়ছে।
পড়েই চলেছে...
১৯
যে তোমাকে তার
একান্ত আকাশ মনে করে না!
তার সূর্য-কিরণ হতে চাও
কেন যে!
২০
ওগো দূরতর দূরবাসিনী মেঘকন্যে,
ভাষে ভাষে নিতি নিতি
তোমার হতে পারিনা প্রতিদিন;
ক্ষমো সখে আমার অপরাধ...
একপলও কেন যে তোমায়
ভুলে থাকতে দাও না!
সতত রত রাখো মোরে
তোমাতে ।
২১
এসো প্রিয়ে ,
পরস্পরে মথিত
মজ্জিত হই -
দু'জনে ধরাধামে
আর রবো ক'দিন ।
(মূল কবিতা : জালালুদ্দীন রুমি)
২২
লড়ি,
চুমোই,
জড়াই,
লিখি,
বলি,
ঝগড়াই,
কাঁদি,
হাসি...
আর ভালবাসি;
আমরা একদম এমনই ।
২৩
তার দিঠি
অমোঘ, অশেষ, অনুপম
পরম...
(মূল কবিতা : পাবলো নেরুদা)
২৪
বড্ড বিশৃঙ্খল, এলোমেলো ঝড়
তবু সে
বিধাতার সর্বোৎকৃষ্ট সৃষ্টিও বটে।
২৫
কারোর গল্পে
আমরা হয়তো বড্ড বাজে...
কতো ঈর্ষণীয় সুরেই
না বেজে চলেছি...!
২৬
এখনও নিজেকে জানো না!
এ পৃথিবী তো
তোমার আলোকেই দীপ্ত।
(মূল কবিতা : জালালুদ্দীন রুমি)
২৭
আমি তোমার কথাই ভাবছি
ভেবেই চলেছি...
এটা ভাবনাটাকে
কতোই না যে ভালোবাসি!
২৮
তোমার আমার
ঠোঁটের সফল অভিসারে
চন্দ্র-সূর্য পৃথিবী
গ্রহণের খেলায় মাতে।
হেসে হেসে ওরা
অন্ধ বনে যায়!
২৯
নৈশব্দে অযুত পল
যার সাথে কেটে যায় অবলীলায়...
বলো, তাকে কী করে
না ভালোবেসে পারি!
৩০
অপ্রত্যাশিত মানুষকে
অপ্রত্যাশিত সময়ে
অপ্রত্যাশিত ভাবে পেয়ে যাওয়াকে
পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা নয়;
বন্ধু, ওকে ভালোবাসা বলে।
১৬
হে প্রিয়ে,
যদি দ্বিধায় গ্রস্ত হও --
আমি না অন্য কেউ।
দোহাই, আমায় বেছো না!
১৭
ভালোবাসার একটাই
দায় ও দ্বায়িত্ব ...
অন্য হৃদয়টাকে আগলে রেখো
শুধু।
(মূল কবিতা : ব্রিগেট ডেভো)
১৮
ঘন মেঘ আজ
ভালোবাসার বরিষণে
ঝর ঝর ঝরমাণ...
আর...
আর...
তোমাকে ভীষণভাবে
মনে পড়ছে।
পড়েই চলেছে...
১৯
যে তোমাকে তার
একান্ত আকাশ মনে করে না!
তার সূর্য-কিরণ হতে চাও
কেন যে!
২০
ওগো দূরতর দূরবাসিনী মেঘকন্যে,
ভাষে ভাষে নিতি নিতি
তোমার হতে পারিনা প্রতিদিন;
ক্ষমো সখে আমার অপরাধ...
একপলও কেন যে তোমায়
ভুলে থাকতে দাও না!
সতত রত রাখো মোরে
তোমাতে ।
২১
এসো প্রিয়ে ,
পরস্পরে মথিত
মজ্জিত হই -
দু'জনে ধরাধামে
আর রবো ক'দিন ।
(মূল কবিতা : জালালুদ্দীন রুমি)
২২
লড়ি,
চুমোই,
জড়াই,
লিখি,
বলি,
ঝগড়াই,
কাঁদি,
হাসি...
আর ভালবাসি;
আমরা একদম এমনই ।
২৩
তার দিঠি
অমোঘ, অশেষ, অনুপম
পরম...
(মূল কবিতা : পাবলো নেরুদা)
২৪
বড্ড বিশৃঙ্খল, এলোমেলো ঝড়
তবু সে
বিধাতার সর্বোৎকৃষ্ট সৃষ্টিও বটে।
২৫
কারোর গল্পে
আমরা হয়তো বড্ড বাজে...
কতো ঈর্ষণীয় সুরেই
না বেজে চলেছি...!
২৬
এখনও নিজেকে জানো না!
এ পৃথিবী তো
তোমার আলোকেই দীপ্ত।
(মূল কবিতা : জালালুদ্দীন রুমি)
২৭
আমি তোমার কথাই ভাবছি
ভেবেই চলেছি...
এটা ভাবনাটাকে
কতোই না যে ভালোবাসি!
২৮
তোমার আমার
ঠোঁটের সফল অভিসারে
চন্দ্র-সূর্য পৃথিবী
গ্রহণের খেলায় মাতে।
হেসে হেসে ওরা
অন্ধ বনে যায়!
২৯
নৈশব্দে অযুত পল
যার সাথে কেটে যায় অবলীলায়...
বলো, তাকে কী করে
না ভালোবেসে পারি!
৩০
অপ্রত্যাশিত মানুষকে
অপ্রত্যাশিত সময়ে
অপ্রত্যাশিত ভাবে পেয়ে যাওয়াকে
পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা নয়;
বন্ধু, ওকে ভালোবাসা বলে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন