অননুমোদিত কলিকণ্যেরা


এ লেখা গুলোর মূল শেকড় আমার হৃদ- উদ্গত নয়।আবিশ্বের চলিত অচলিত, নামিক- অনামিক স্রস্টার বিভিন্ন ভাষার কতিপয় লেখার অননুমোদিত অনুচীকির্ষার অরোধ্য ইচ্ছার অক্ষম বহিঃপ্রকাশ এ কবিতা গুচ্ছ। প্রেমবিষয়ক। জানি না কতটা ছুঁতে পারবো তোমাকে!বিশেষতঃ তোমার স্বকীয় কলিরা স্পষ্টত অতীব সুললিত যেখানে ; যেহেতু ব্যথায় পরিচিতি আমাদের...  এ কলি সমূহকে সমব্যথার অর্ঘ্য রূপেই মেনো।


তুমি
আমার
দুঃখ, সুখ

আর
এ মৃত্তিকা ও আকাশ -
ক্রন্দসীর মধ্যিখানের
সঅব কিছু।
তুমি।


সর্বৈবকে
নিঃখুত করতে
আজীবন ব্যয়িত করে
নির্বোধ।

জ্ঞাণী জানে
আবিশ্বের সবকিছুই
নিখুঁত, নিটোল।


তোমার অঙ্গুলিদাম
যখন ধীরে ধীরে
আমাতে জড়াতে থাকে

হঠাৎ জীবনে
সাড়ের জাগরণ শুরু...



যখন ফুল ফুটতে পারে না,
পরিবেশটাকে বদলানোর চেষ্টা করো;
ফুলটাকে বদলে কী লাভ!


প্রেম
এক অপরূপ ধরনের
ভয় ছাড়া
আর কিছু নয়!


পৃথিবীর সবচেয়ে তীক্ষ্ণ
ধারালো,
কঠিনতর...
খারাপ লাগা হল -

পরস্পরকে ভীষণ চাই
তবু
দু'জনে এক হওয়া যাবে না
কভু।


তোমাকে হারিয়ে
ও দুঃখী হতে চলেছে,
ওর দুশ্চিন্তাকে থামাও।

সব অতীত-ভার, ব্যথা ভুলে
ফের মনে করিয়ে দাও
কতো বড় বিস্ময়কর মহীয়সী
তুমি।


এটা সত্যিই প্রেমের
অশ্রু নামছে...
এখন বুঝছি সম্পর্ক কী!

বিশেষতর একজনের
উষ্ণ উপভোগ্য বাহুবন্ধনের
অনুভূতি
ওহ্ ...!


আমার শ্রুত, অশ্রুত
গীত , অগীতসম্ভব
জন্মিত, অপ্রসবিত...
প্রতিটি গানে

তোমার অংশদের খুঁজে পাই।

১০
তার হাবভাব নিদাঘের মত
চলন যেন বৃষ্টি...

এখানে এখন বরিষণ।

১১
আমরা একটা
উতপটাং আদুরে এলোমেলো
ঝড়ের জন্ম দিতে পারি।

আমি জানি।
তুমি জানো?

১২
আমার সখ্যতা যাপণ
মন বা হৃদয় দিয়ে
নয়।

যদি হৃদয়-যন্ত্র যায় থেমে ,
মন যায় সব ভুলে !

আমি আত্মা দিয়ে ভালোবাসি।
ওর না আছে মৃত্যু
না বিস্মরণ।

(মূল কবিতা : জালালুদ্দীন রুমি)

১৩
আমা হতে সর্বদা
ভালো, সদয় ও প্রেমনীয় কিছু
আশা কোরো না ; দোহাই!

বলো,
 এমন সময়ও তো আসা স্বাভাবিক...
 যখন আমি শীতল,
 ভাবলেশহীন,
 কোন কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না!

 (মূল কবিতা : সিলভিয়া প্ল্যাথ)

১৪

নারীদের পর
ফুলেরাই হল
এ বিশ্বের সবচেয়ে স্বর্গীয় সৃষ্টি।

 (মূল কবিতা : ক্রিষ্টিয়ান ডিঅর)

১৫
গুনগুনিয়ে অস্ফুটে বললে -
'ভালোবাসি'!

আসলে বললে
আমায় কখনও ফেলে যাবে না।





মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ছেলেমানুষ মেঘেদের স্তবগাথা

প্রলাপ-পঞ্চক

বোধি-বিন্দু ১০