বোধি-বিন্দু ৮
এ কিস্তির বুদ্ধ-বোধের কবিতাবলীর মূল ঘ্রাণ সম্পর্ক ও তার ডালপালার ঘরকন্না। বলাবাহুল্য, সহস্রাধিক বছরের বুদ্ধ-বচন... বহু যুগের বহু মনীষা ও মননের ঢেউএ নব নব কথা-কলেবর পেয়েছে। বোধিগামী সুষুম্নার নির্বানগামীতা তাতে তিলমাত্রও পথভ্রষ্ট হয় নি। পালি, হিন্দী, ওড়িআ, ইংরেজী তথা দেশীয় বিভিন্ন ভাষার স্বকীয়তা রক্ষা আর বোধিবোধে যুগপৎ অটল থেকে পদ্যের পদ্মপথ বিস্তার করা আমার কাছে বড় কঠিন ঠেকেছেই। তবু, এ কিস্তি প্রকাশের অবুদ্ধতা অপ্রকাশ রাখা গেল না।
৫১
সম্পর্কের স্বাভাবিক মৃত্যু হয় না।
কখনও।
অহং, আচরণ ও অবহেলাই
সম্পর্ককে হত্যা করে।
৫২
কেউই সম্পূর্ণ ও নিঃখুত নয়।
মানুষকে ছোট ছোট ভুলের কারণে
ত্যাগ করতে থাকলে
একদিন তো তুমি
এ বিশ্বে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়বে!
ভালোমন্দের বিচার কমিয়ে
বরং বেশী করে আপন করতে শেখো।
৫৩
তোমার হাসি দিয়েই
ভুবনজয়ী হও।
বিশ্বকে তোমার হাসি
মুছে নিতে দিও না।
৫৪
যা কিছু তোমার
বিরক্ত, বিপন্ন, বিব্রত, বিরূদ্ধতা
সাধছে...
ওরাই তোমার আসল শিক্ষক।
৫৫
যা কিছু
বা যে কেউ
তোমার জীবনে আসে
ভালো বা মন্দ অভিলাষে...
ভাঙে, চূর্ন করে গড়ে
আকৃত করে
তোমার সত্বাকে শেষতম
পরিচিতি দিয়ে যায় ।
অবশেষে ।
৫৬
অন্যকে তোমার
হাসি, মূল্য ও মনোভাবকে
নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার
দেওয়া বন্ধ করো। এবার।
তোমার আনন্দের
এক ও একমাত্র ধারক
তুমি তো নিজেই। বোঝো।
৫৭
ভালোবাসার কাঙাল হয়ে বেঁচো না
ভালোবাসার দাতা হও।
সুন্দর-দর্শীরা সর্বদা ভালো হয় না,
ভালোরা সর্বদা সুন্দর হয়ে থাকে।
সত্যে শুভে মঙ্গলে
সুন্দর হও।
৫৮
চলনে বলনে দর্শনে
মানুষ সুন্দর হয় না -
যত্ন ভালোবাসা ও দানের দ্বারা
সে সুন্দর হয়ে ওঠে।
৫৯
'আমি তোমাকে পছন্দ করি! '
আর
'আমি তোমাকে ভালবাসি! '
এ-দুয়ের প্রভেদ জানতে চাও?
বুদ্ধ বলেন-
ফুল পছন্দ হলে
তাকে উতপাটিত করি।
আর ভালো লাগলে...
তাকে দৈনন্দিন পরিচর্যায়
যত্নের রত্ন-যাপণ করি।
এ বোধে জীবন সহজ হয়।
৬০
'আমি দুঃখিত! '
কথাটা সফলকাম হয়
ভুল-ভ্রান্তির উপশমে;
ভরসা ভঙ্গে নয়।
ভুল, ভ্রম হতেই পারে,
তবে
কখনও কারও ভরসা ভেঙো না।
কারণ
পুনর্বার ভরসা বা বিশ্বাস করা
প্রায় অসম্ভব।
ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়ার চেয়ে
তা অনেক কঠিন ।
৬১
ভালোবাসা শুধু
নিজেদের ভালো বোঝাপড়ার
স্বীকৃতি নয়;
ভালোবাসা
অযুত ভুলবোঝাবুঝি
আর তাদের আঁচল-প্রান্তে
কখনও হাত না ছাড়ার
গিঁটবদ্ধ উজ্বল অঙ্গীকারও বটে।
৬২
নির্বোধের সাথে তর্কে জড়ানো,
অনেকটা
নিজ গালে বসা মশক-নিবারণের
চেষ্টার মতো।
হয় তুমি তাকে কাত করবে
নতুবা
নিজ অঙ্গেরই আঘাত বাড়াবে!
৬৩
ভালোমন্দের তীব্র বিচারকেরা
আসলে সহ্যশীলতায় অক্ষম।
সহনশীলেদের কাছে
জাগতিক দুঃখ, মন্দতা..
বড় তুচ্ছ বিষয়। অবিচার্য।
৬৪
সত্যচালিত মানুষ
সর্বদা সর্বথা
সুখী।
৬৫
ব্যথা সত্য...
দুর্ভোগ স্বকৃত কর্মাগত।
৬৬
প্রতিক্রিয়া নয়,
সাড়া দেওয়াটাই
শেখো।
৬৭
স্বাধীনতার রূপ ও মূল্য বহুবিধ।
মুক্তি সব স্ব অধীনতার ওপরে,
তার অধিষ্ঠান তো
তোমার অন্ত:স্থলেই উপ্ত।
৫১
সম্পর্কের স্বাভাবিক মৃত্যু হয় না।
কখনও।
অহং, আচরণ ও অবহেলাই
সম্পর্ককে হত্যা করে।
৫২
কেউই সম্পূর্ণ ও নিঃখুত নয়।
মানুষকে ছোট ছোট ভুলের কারণে
ত্যাগ করতে থাকলে
একদিন তো তুমি
এ বিশ্বে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়বে!
ভালোমন্দের বিচার কমিয়ে
বরং বেশী করে আপন করতে শেখো।
৫৩
তোমার হাসি দিয়েই
ভুবনজয়ী হও।
বিশ্বকে তোমার হাসি
মুছে নিতে দিও না।
৫৪
যা কিছু তোমার
বিরক্ত, বিপন্ন, বিব্রত, বিরূদ্ধতা
সাধছে...
ওরাই তোমার আসল শিক্ষক।
৫৫
যা কিছু
বা যে কেউ
তোমার জীবনে আসে
ভালো বা মন্দ অভিলাষে...
ভাঙে, চূর্ন করে গড়ে
আকৃত করে
তোমার সত্বাকে শেষতম
পরিচিতি দিয়ে যায় ।
অবশেষে ।
৫৬
অন্যকে তোমার
হাসি, মূল্য ও মনোভাবকে
নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার
দেওয়া বন্ধ করো। এবার।
তোমার আনন্দের
এক ও একমাত্র ধারক
তুমি তো নিজেই। বোঝো।
৫৭
ভালোবাসার কাঙাল হয়ে বেঁচো না
ভালোবাসার দাতা হও।
সুন্দর-দর্শীরা সর্বদা ভালো হয় না,
ভালোরা সর্বদা সুন্দর হয়ে থাকে।
সত্যে শুভে মঙ্গলে
সুন্দর হও।
৫৮
চলনে বলনে দর্শনে
মানুষ সুন্দর হয় না -
যত্ন ভালোবাসা ও দানের দ্বারা
সে সুন্দর হয়ে ওঠে।
৫৯
'আমি তোমাকে পছন্দ করি! '
আর
'আমি তোমাকে ভালবাসি! '
এ-দুয়ের প্রভেদ জানতে চাও?
বুদ্ধ বলেন-
ফুল পছন্দ হলে
তাকে উতপাটিত করি।
আর ভালো লাগলে...
তাকে দৈনন্দিন পরিচর্যায়
যত্নের রত্ন-যাপণ করি।
এ বোধে জীবন সহজ হয়।
৬০
'আমি দুঃখিত! '
কথাটা সফলকাম হয়
ভুল-ভ্রান্তির উপশমে;
ভরসা ভঙ্গে নয়।
ভুল, ভ্রম হতেই পারে,
তবে
কখনও কারও ভরসা ভেঙো না।
কারণ
পুনর্বার ভরসা বা বিশ্বাস করা
প্রায় অসম্ভব।
ক্ষমা করা বা ভুলে যাওয়ার চেয়ে
তা অনেক কঠিন ।
৬১
ভালোবাসা শুধু
নিজেদের ভালো বোঝাপড়ার
স্বীকৃতি নয়;
ভালোবাসা
অযুত ভুলবোঝাবুঝি
আর তাদের আঁচল-প্রান্তে
কখনও হাত না ছাড়ার
গিঁটবদ্ধ উজ্বল অঙ্গীকারও বটে।
৬২
নির্বোধের সাথে তর্কে জড়ানো,
অনেকটা
নিজ গালে বসা মশক-নিবারণের
চেষ্টার মতো।
হয় তুমি তাকে কাত করবে
নতুবা
নিজ অঙ্গেরই আঘাত বাড়াবে!
৬৩
ভালোমন্দের তীব্র বিচারকেরা
আসলে সহ্যশীলতায় অক্ষম।
সহনশীলেদের কাছে
জাগতিক দুঃখ, মন্দতা..
বড় তুচ্ছ বিষয়। অবিচার্য।
৬৪
সত্যচালিত মানুষ
সর্বদা সর্বথা
সুখী।
৬৫
ব্যথা সত্য...
দুর্ভোগ স্বকৃত কর্মাগত।
৬৬
প্রতিক্রিয়া নয়,
সাড়া দেওয়াটাই
শেখো।
৬৭
স্বাধীনতার রূপ ও মূল্য বহুবিধ।
মুক্তি সব স্ব অধীনতার ওপরে,
তার অধিষ্ঠান তো
তোমার অন্ত:স্থলেই উপ্ত।

ধন্যবাদ... আলোকপাত করানোর জন্য
উত্তরমুছুনএ লেখা গুলো আদতে আলোকপাত নয়; আলোকস্রোতে অন্তরের অন্ধকারের অক্ষর গুলোকে চারণভূমিতে মুক্তি দেওয়া। কারও বোধ স্পর্শ করা তো অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি।
উত্তরমুছুন