অথ: বিফল মেঘ কুসুমম্

মাটির কাছে মেঘের লিপি,
সমুদ্দুরের হাতে নদীর চিঠি,
বিলোল-বেণী মেঘদূতমের
বিবশ গুঞ্জরণ ...

মেঘ চলেছে রণে...
ঘুচিয়ে দেবে পাহাড়,নদী
সমতল,সমুদ্র, মালভূমির
সঅব দূরত্ব ‌।

অযুত উদ্বাহু উত্তাপ,
শীতলান্ত আঁচল,
অগনন ধুলো বালি,নুড়ি
আর দীর্ঘশ্বাস ...
মেঘের সুচলিত বন্ধন প্রণালী‌‌।

আকুল মৃত্তিকার বুকে,মুখে
 জল পড়ে ...
 কথাদের মাথা হতে
 ছত্র নড়ে না,
 পত্র নড়ে না শুধু ‌।

মেঘ-যত্নে অহরহ
কত পত্র লেখাই হয়,
পড়ে না কেউ! শুধু ‌।

 বৃষ্টি শুধু পড়েই যায়  ...

সমুখে কত শত
অযত্ন লালিত নদী,নালা...
অদূরে বন্যা-সম্ভাবনা!

তবু, বৃষ্টি পড়েই চলেছে ...
পত্র পড়ে না কেউ!

মন্তব্যসমূহ

  1. মধ্যগগনের মধ্যযামে পত্র লেখা দূরত্ব কঠিন, তবু মেঘ আসে , যায় ,নিরুৎসার আসঙ্গকে উৎসাহিত করে, পত্রপল্লবেরা উঁকিঝুঁকি দিয়ে যায় নিরবে নিভৃতে চোরবৎ, জানে তারা, এখানে জিরোবার তার নাই অধিকার , শুধু দিকভ্রান্তি ঘন মেঘের কূলায় কূলায়, মেতে হবে বহু পথ, কে জানে কোথায়? চরৈবেতি, শনৈবেতি

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ছেলেমানুষ মেঘেদের স্তবগাথা

প্রলাপ-পঞ্চক

বোধি-বিন্দু ১০