নদী সমীপেষু
একটা গোটা প্রস্তর-যুগ এগোচ্ছে আমার দিকে।
কেবল একখন্ড অমসৃন পাথর নয় -
সর্বগ্রাসী নীরব তরল মসৃণ আগ্নেয় ধারা
আমার হাত-পা পঙ্গু করে
ঠোঁটকে বোবা করে, অক্ষি নিভিয়ে...
হৃদপিন্ডকে ঢিমে করে...
ধীরে ধীরে তোমার আমার স্বপ্নপ্রান্তরের
সব ঘাস লবণায়িত করে ; এগোচ্ছে...
চূর্ণ, ক্রন্দিত জ্বলিত গলিত
লাভা আসছে ; অনতিদূরে।
আগুয়ান অগ্নি-উল্লাস!
আচ্ছা , আগুন এতো নীরব হয়?
তুমি আগে জানতে?
কেন বলোনি!
আমার ভয় হচ্ছে না। একরত্তিও ।
হয়তো ঠিক এভাবে নয়,
তবে এমনটা হওয়ারই ছিল। স্বাভাবিক।
জ্বলনের পর যে চিতাভস্মেরা উড়ে উড়ে
পঞ্চভূতের সোহাগ পায় না...
তারা তো পাথরই হয়।
তোমার শুশ্রূষা আশা করিনি কখনো।
তবুও নির্ঝর তুমি?
কী পাও ভালো চেয়ে, কেঁদে?
আমার ভালোবাসার প্রায়শ্চিত্ত কেন
তুমি বইবে?
আমি তো চাইনি কখনও তুমি
কাছে আসো, পাশে বসো...
বোলাও হাত তপ্ত কপালে আমার।
পাথরে কোমল কমল কর রেখে
কষ্ট লুটে কী সুখ পাও!
কেন এ প্রস্তরগস্ততার গতি আগলাও!
জানি, তুমি এক অনন্ত আঁচলময় নদী...
তুমি না হয় আর একটু বেঁকে প্রবাহিত হও-
ততক্ষণে আমি পুরোটা পাথর হই।
রইবো, বইবো অবিনশ্বর অনন্তপল একসাথে...
কখনো সতত স্বাভাবিক গতি
আবার কখনওবা আমার ওপরে তুমি ;
অন্তঃসলিলা। অরূদ্ধ অনন্ত প্রবাহ...
জন্ম-মৃত্যু, বিহন-আলিঙ্গনের তর্ক তুচ্ছই রয়ে যাক। এ স্থানু স্থবিরের ওপর বয়ে যাও শুধু...
ধুয়ে দাও সব পাপ তোমাকে ভালোবাসার।
কেবল একখন্ড অমসৃন পাথর নয় -
সর্বগ্রাসী নীরব তরল মসৃণ আগ্নেয় ধারা
আমার হাত-পা পঙ্গু করে
ঠোঁটকে বোবা করে, অক্ষি নিভিয়ে...
হৃদপিন্ডকে ঢিমে করে...
ধীরে ধীরে তোমার আমার স্বপ্নপ্রান্তরের
সব ঘাস লবণায়িত করে ; এগোচ্ছে...
চূর্ণ, ক্রন্দিত জ্বলিত গলিত
লাভা আসছে ; অনতিদূরে।
আগুয়ান অগ্নি-উল্লাস!
আচ্ছা , আগুন এতো নীরব হয়?
তুমি আগে জানতে?
কেন বলোনি!
আমার ভয় হচ্ছে না। একরত্তিও ।
হয়তো ঠিক এভাবে নয়,
তবে এমনটা হওয়ারই ছিল। স্বাভাবিক।
জ্বলনের পর যে চিতাভস্মেরা উড়ে উড়ে
পঞ্চভূতের সোহাগ পায় না...
তারা তো পাথরই হয়।
তোমার শুশ্রূষা আশা করিনি কখনো।
তবুও নির্ঝর তুমি?
কী পাও ভালো চেয়ে, কেঁদে?
আমার ভালোবাসার প্রায়শ্চিত্ত কেন
তুমি বইবে?
আমি তো চাইনি কখনও তুমি
কাছে আসো, পাশে বসো...
বোলাও হাত তপ্ত কপালে আমার।
পাথরে কোমল কমল কর রেখে
কষ্ট লুটে কী সুখ পাও!
কেন এ প্রস্তরগস্ততার গতি আগলাও!
জানি, তুমি এক অনন্ত আঁচলময় নদী...
তুমি না হয় আর একটু বেঁকে প্রবাহিত হও-
ততক্ষণে আমি পুরোটা পাথর হই।
রইবো, বইবো অবিনশ্বর অনন্তপল একসাথে...
কখনো সতত স্বাভাবিক গতি
আবার কখনওবা আমার ওপরে তুমি ;
অন্তঃসলিলা। অরূদ্ধ অনন্ত প্রবাহ...
জন্ম-মৃত্যু, বিহন-আলিঙ্গনের তর্ক তুচ্ছই রয়ে যাক। এ স্থানু স্থবিরের ওপর বয়ে যাও শুধু...
ধুয়ে দাও সব পাপ তোমাকে ভালোবাসার।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন