কবির মৃত্যু উপলক্ষে একটি নিশি পক্ষীগীতি
সব ক্রৌঞ্চ-ক্রৌঞ্চীর ডানা আছে,
তবে ওদের উড়ে উড়ে কাছে আসতে নেই;
পাশে বসার মানা আছে।
দূরে দূরে সুরে সুরে বেশ কথা বলা যায়,
এ কম্মোটি খুব জানা আছে!
চঞ্চু,অক্ষি,ত্বক, বাহুডোর, ঘনশ্বাস সবই আছে;
শুধু পাওয়া বারণ। ছোঁয়ায় মরণ!
তোমরা তো ননী নও, লবণ পুতুলি...
ছোঁয়া ছুঁয়ি হলেই অনন্তে বিলীন হবে।
আকাঙ্ক্ষা করো, জ্বলো, পোড়ো, কাঁদো...
অবারিত ভাবনায় ভাবো। যত পারো।
চেয়ো ;পেয়ো না শুধু!
হে ক্রৌঞ্চ-ক্রৌঞ্চি, ভালোবাসো -
শুধু কাছেতে এসে, পাশেতে বোসো না।
অপার আগুনে জ্বলো
তবু সত্যি সত্যি জড়িয়ে থেকো না
জড়িয়ে কেঁদো না, হেসো না...
ভালোবেঁচোনা শুধু! পরস্পর।
কোরো না, কোরো না কেবল
অগ্নি, তুষার অথবা শুশ্রূষা বিনিময়!
সংসার শিকারীরা হয় তোমাকে
নতুবা বা আমাকে শমন-শরে বিদ্ধ করবেই;
তোমার আমি বা আমার তুমির হৃদয় হতে
শোক-শোণিতের স্রোত বইবেই !
তোমার আমার শেষের গানে
কে বল্মীক-ধন্য হবে?
কাউকে ধন্য করা যাবে না।
এসো অমরত্বের রত্নমালা খুলে ফেলি...
একে একে সব অলঙ্কার ভালোলাগার;
হৃদ-দুয়ারে এসো কঠোর একটা লাগাম পরাই -
প্রাণপণে চেপে ধরি শিকল...
মৃত্যুর পর অবধি প্রয়াসী রই।
জন্ম হতে দেবো না নব-রামায়ণের।
বুঝিয়ে দেবো দুটো আদতে মৃত পাখি
বেঁচে আছে। নিয়তির, সৃষ্টির, সংসারের
সব নিয়ম অক্ষুন্ন রেখে
শুধু নিজেদের খুনের বিনিময়ে ;
অত:পর , হনন আর আত্মহনন এক নয়;
আত্মহত্যা মহাপাপ
পৃথিবীতে এ পাপীর কোনও স্থান নেই।
না মরে বেঁচে থাকা পাখিজন্মই ভালো।
বসন্ত আসবে যাবে, গাবো গান দূরের সুরে ;
আলিঙ্গনে মরবো না শুধু !
পক্ষীবিদ্যা মতে, আলিঙ্গন অসম্ভব।
মনুষ্যবিদ্যা মতে,তা সবার জন্যে নয়...
মন এড়ানো জীয়ন মতে, আগে মারতে হবে,
মরতে হবে। বাঁচতে হলে।
'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়... '?
এসো সন্ধ্যাভাষার পাখি, এসো উড়ি-
দূরের সুরে, ধূপের মত পুড়ে পুড়ে...
দূরে দূরে, ঘুরে ঘুরে, মরে মরে
বাঁচি। ঈশ্বর আর ঈশপকে একই মোড়ল মানি।
তবে ওদের উড়ে উড়ে কাছে আসতে নেই;
পাশে বসার মানা আছে।
দূরে দূরে সুরে সুরে বেশ কথা বলা যায়,
এ কম্মোটি খুব জানা আছে!
চঞ্চু,অক্ষি,ত্বক, বাহুডোর, ঘনশ্বাস সবই আছে;
শুধু পাওয়া বারণ। ছোঁয়ায় মরণ!
তোমরা তো ননী নও, লবণ পুতুলি...
ছোঁয়া ছুঁয়ি হলেই অনন্তে বিলীন হবে।
আকাঙ্ক্ষা করো, জ্বলো, পোড়ো, কাঁদো...
অবারিত ভাবনায় ভাবো। যত পারো।
চেয়ো ;পেয়ো না শুধু!
হে ক্রৌঞ্চ-ক্রৌঞ্চি, ভালোবাসো -
শুধু কাছেতে এসে, পাশেতে বোসো না।
অপার আগুনে জ্বলো
তবু সত্যি সত্যি জড়িয়ে থেকো না
জড়িয়ে কেঁদো না, হেসো না...
ভালোবেঁচোনা শুধু! পরস্পর।
কোরো না, কোরো না কেবল
অগ্নি, তুষার অথবা শুশ্রূষা বিনিময়!
সংসার শিকারীরা হয় তোমাকে
নতুবা বা আমাকে শমন-শরে বিদ্ধ করবেই;
তোমার আমি বা আমার তুমির হৃদয় হতে
শোক-শোণিতের স্রোত বইবেই !
তোমার আমার শেষের গানে
কে বল্মীক-ধন্য হবে?
কাউকে ধন্য করা যাবে না।
এসো অমরত্বের রত্নমালা খুলে ফেলি...
একে একে সব অলঙ্কার ভালোলাগার;
হৃদ-দুয়ারে এসো কঠোর একটা লাগাম পরাই -
প্রাণপণে চেপে ধরি শিকল...
মৃত্যুর পর অবধি প্রয়াসী রই।
জন্ম হতে দেবো না নব-রামায়ণের।
বুঝিয়ে দেবো দুটো আদতে মৃত পাখি
বেঁচে আছে। নিয়তির, সৃষ্টির, সংসারের
সব নিয়ম অক্ষুন্ন রেখে
শুধু নিজেদের খুনের বিনিময়ে ;
অত:পর , হনন আর আত্মহনন এক নয়;
আত্মহত্যা মহাপাপ
পৃথিবীতে এ পাপীর কোনও স্থান নেই।
না মরে বেঁচে থাকা পাখিজন্মই ভালো।
বসন্ত আসবে যাবে, গাবো গান দূরের সুরে ;
আলিঙ্গনে মরবো না শুধু !
পক্ষীবিদ্যা মতে, আলিঙ্গন অসম্ভব।
মনুষ্যবিদ্যা মতে,তা সবার জন্যে নয়...
মন এড়ানো জীয়ন মতে, আগে মারতে হবে,
মরতে হবে। বাঁচতে হলে।
'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়... '?
এসো সন্ধ্যাভাষার পাখি, এসো উড়ি-
দূরের সুরে, ধূপের মত পুড়ে পুড়ে...
দূরে দূরে, ঘুরে ঘুরে, মরে মরে
বাঁচি। ঈশ্বর আর ঈশপকে একই মোড়ল মানি।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন