অচিরায়মান চিঠি চতুষ্টয়
১
আগামী সকাল গুলোকে
বড্ড ভয় পেতে পেতে
ঘুমোতে যাই ...
প্রতিরাতে
মাঝে ভোরের লাশ গুলো
ঘুমের আচ্ছন্নতায় ডুবে থাকে;
নিরীহ,নিষ্পাপ।
জীবনে দিনের কোনও
চিহ্ন নেই জেনেও!
না আছে আগামীর উত্তর ,
না মূলের প্রতি যত্ন।
তবু নঞ-জীবনটাকে তো
বাঁচতে না বলিনি।
বাসা। তাও আবার ভালো!
অবান্তর নবাবিয়ানা।
আকালে,অকালে
হ্যাঁ
গরীবেরাই আগে ঝরছে।
স্বতোপ্রণোদনে মরছে ...
এ সময় আত্মহনন মুর্খেরাই করে!
২
যদি মৃত্যুকে ধোঁকা দিয়ে
কষ্ট করে
বেঁচে থাকি।
তোমার সাথে দেখা
হবে ।এ বিশ্বাসে
অন্ধের মতো আঁধারের সাথে
লড়ে যাই শুধু।
জানি আর নতুন
বা পুরাতন কিচ্ছু ঘটবে না।
জেনেও তবুও বাঁচি।
তাই কষ্ট করে মরা যাবে না।
বেদনাই যখন সাধারণ পরিণতি,
বাঁচার বেদনাতেই থাকি।
৩
অসময়ের দিনে
সময়ের কোনও অভাবই
নেই। একমাত্র।
নিজের খুশিতে
সুবিধা বুঝে...
কারও সময়, শুশ্রূষা, সম্বিতকে
গুলিয়ে দেওয়াটা ...
মনে করিয়ে দেবার পর;
নিজেকে স্বার্থান্ধই মানছি।
এখন অসময় ঠিক,
তবে দুঃসময় নয়।
কথারা বরফে জমছে ...
বরফ গলা জলের
চিরহরিৎ নদীর জলাভাব
রইবে নাকো রইবে না।
বওয়া থামবে না।
সব স্বার্থসর্বস্বতাকে গুঁড়িয়ে
ঠিক পথ করেই নেবে।
এখন বরষা ঋতু,
পাথরেরা কোমল
আর নদী উদ্বাহু ...
বহতা বাড়বাগ্নি
যেন!
৪
অযুত কাজের মাঝে
আছো।
ঠিক খেত পেয়ে গ্যাছো
মনোমত ফলনে
সৃষ্টিক হওয়ার।
তবু যদি আমারে
লাগে
কোনও কাজে,
তোমার কাননের মাঝে ...
পারো যদি
অদ্বিধ ডাক দিও;
সাধ্যমত অর্পিত এ স্বয়মকে।
কথা, নিয়ম-অনিয়মকে
কোন্ রশিতেই বাঁধা যায়?
বাঁধা গেছে কখনো?
কথা তো জড়,
ব্যথা জীবিত। চিরঞ্জীব।
কথা ও ব্যথাদের নিজেদের
সময় কাটাতে ছেড়ে দেওয়াই
শ্রেয়।
কর্মই সত্য যেহেতু।
হে সৃষ্টি-ব্যাপৃতা,
আমার সাধ্যের নুড়ি
গুলোরই বা কী দোষ!
পারলে ওদের
অভয় দিও।
ওরা তুচ্ছ,
তবু শূণ্য বা ঋণাত্মক নয়।
অবহেলার বুমেরাং কখনো অবহেলা নয়,
সে অগ্নিবাণ।
আত্ম, আকীর্ণ সবকে পোড়ায়।
নিজেকে নিয়ে যা ইচ্ছা হয়তো
করা যায়।
কিন্তু,
তোমার কেন্দ্র হতে বিচ্ছুরিত
রশ্মিতে যারা সতত আলোকিত।
তাদের কাছে ছুরি হয়ো না।
আগামী সকাল গুলোকে
বড্ড ভয় পেতে পেতে
ঘুমোতে যাই ...
প্রতিরাতে
মাঝে ভোরের লাশ গুলো
ঘুমের আচ্ছন্নতায় ডুবে থাকে;
নিরীহ,নিষ্পাপ।
জীবনে দিনের কোনও
চিহ্ন নেই জেনেও!
না আছে আগামীর উত্তর ,
না মূলের প্রতি যত্ন।
তবু নঞ-জীবনটাকে তো
বাঁচতে না বলিনি।
বাসা। তাও আবার ভালো!
অবান্তর নবাবিয়ানা।
আকালে,অকালে
হ্যাঁ
গরীবেরাই আগে ঝরছে।
স্বতোপ্রণোদনে মরছে ...
এ সময় আত্মহনন মুর্খেরাই করে!
২
যদি মৃত্যুকে ধোঁকা দিয়ে
কষ্ট করে
বেঁচে থাকি।
তোমার সাথে দেখা
হবে ।এ বিশ্বাসে
অন্ধের মতো আঁধারের সাথে
লড়ে যাই শুধু।
জানি আর নতুন
বা পুরাতন কিচ্ছু ঘটবে না।
জেনেও তবুও বাঁচি।
তাই কষ্ট করে মরা যাবে না।
বেদনাই যখন সাধারণ পরিণতি,
বাঁচার বেদনাতেই থাকি।
৩
অসময়ের দিনে
সময়ের কোনও অভাবই
নেই। একমাত্র।
নিজের খুশিতে
সুবিধা বুঝে...
কারও সময়, শুশ্রূষা, সম্বিতকে
গুলিয়ে দেওয়াটা ...
মনে করিয়ে দেবার পর;
নিজেকে স্বার্থান্ধই মানছি।
এখন অসময় ঠিক,
তবে দুঃসময় নয়।
কথারা বরফে জমছে ...
বরফ গলা জলের
চিরহরিৎ নদীর জলাভাব
রইবে নাকো রইবে না।
বওয়া থামবে না।
সব স্বার্থসর্বস্বতাকে গুঁড়িয়ে
ঠিক পথ করেই নেবে।
এখন বরষা ঋতু,
পাথরেরা কোমল
আর নদী উদ্বাহু ...
বহতা বাড়বাগ্নি
যেন!
৪
অযুত কাজের মাঝে
আছো।
ঠিক খেত পেয়ে গ্যাছো
মনোমত ফলনে
সৃষ্টিক হওয়ার।
তবু যদি আমারে
লাগে
কোনও কাজে,
তোমার কাননের মাঝে ...
পারো যদি
অদ্বিধ ডাক দিও;
সাধ্যমত অর্পিত এ স্বয়মকে।
কথা, নিয়ম-অনিয়মকে
কোন্ রশিতেই বাঁধা যায়?
বাঁধা গেছে কখনো?
কথা তো জড়,
ব্যথা জীবিত। চিরঞ্জীব।
কথা ও ব্যথাদের নিজেদের
সময় কাটাতে ছেড়ে দেওয়াই
শ্রেয়।
কর্মই সত্য যেহেতু।
হে সৃষ্টি-ব্যাপৃতা,
আমার সাধ্যের নুড়ি
গুলোরই বা কী দোষ!
পারলে ওদের
অভয় দিও।
ওরা তুচ্ছ,
তবু শূণ্য বা ঋণাত্মক নয়।
অবহেলার বুমেরাং কখনো অবহেলা নয়,
সে অগ্নিবাণ।
আত্ম, আকীর্ণ সবকে পোড়ায়।
নিজেকে নিয়ে যা ইচ্ছা হয়তো
করা যায়।
কিন্তু,
তোমার কেন্দ্র হতে বিচ্ছুরিত
রশ্মিতে যারা সতত আলোকিত।
তাদের কাছে ছুরি হয়ো না।

👍
উত্তরমুছুন