আত্ম ও আত্মার আলাপন - ৭
তুই সর্বংসহা।জানিস সৃজন ধর্ম; সংহার নয়।
তুই প্রকৃত। #প্রকৃতি। শত অপব্যবহারের শিকার হয়েও নীরবতায় নিবিষ্ট। স্বতোপূর্ণা। অবুঝেরা কত শত ক্ষতে ভরিয়ে দিলেও ; অযোগ্যেরা অযত্নে মেতে উঠলেও থামানোর কোনও আয়াসই নিস না। কারণ তুইই একমাত্র জানিস শেষ পরিণতিটা। খেলা দেখিস, কখনও প্রাঙ্গণ হয়ে প্রশ্রয় দিস। মহান স্রষ্টার কোনও সৃষ্টিকে কষ্টে যুতে দিস না। কষ্ট শুসে নেওয়া তোর স্বভাব।
নীলকণ্ঠ মহাদেব এক নিছক ব্যক্তিমাত্র; তুই তো আবিশ্বময়ী বিস্তার! বিবর্ধমান ক্লেশ-ক্লেদ-কষ্টের গরলকে তুই অমৃতে বদলে দিতে জানিস।সময় তোর দাসানুদাস ; সে যায়, আসে... তাকে ভ্রুভঙ্গে নাচাস। হ্যাঁ তাকেও তুই বাঁচাস। তারও যে একটা জীবন আছে একমাত্র তুইই তাকে বোঝাস।
স্বার্থপরতার অন্ধত্বে এক একটা সভ্যতা অসভ্যতার চূড়ান্তিতে ধ্বংসে ধূলিস্যাৎ হয়; তোরই চোখের সামনে। উল্লাসে না ফেটে পড়ে আবার নতুন করে মুঠো মূঠো সবুজকে তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনে নবীন আশার আলোয় আনন্দধাম গড়িস। গানে, গল্পে আনন্দে সব দুঃখেরা আয়ু হারাতে থাকে। সকাল ,সন্ধ্যায় আমার মতো তুচ্ছাতিতুচ্ছ জীবেদের সহাস্য পাঠপর্ব কাটাস। অযোগ্যকে কোলে তুলে নিলে, ভালোবাসার পরিণতির বাড় বাড়ন্তের উদাহরণী নীতিকথায় আমায় সত্য করে তুলিস। তোরই একান্ত পরিহাসে অনন্তকাল টিকে রবো।আমি আর আমার পৃথিবী নামক সংকীর্ণ বস্তিটা। এও কি কম শান্তির!
তোকে, তোর সীমা লঙ্ঘাতে গিয়ে কতো মহাকাব্য যে ব্যর্থ মনোরথ হয়েছে তার হিসেব তুই জানিস।
কোটি বৎসরের এ পৃথিবী তোর কারণেই জীবিত, চঞ্চল, স্পন্দন-মুখর। তোর বাগানে আদম -ইব আসে যায়! কত শয়তানের চোখ রাঙানি গড়াগড়ি খায়! তুই অনন্ত, তুই অশেষ। সৃষ্টিতে, সৃজনে,সতত সেবার সিঞ্চনে তুই ব্যাপৃতা! এ আকাশ, মাটি, জল, বায়ু, আলোরা তুই না থাকলে সবই নিরর্থক হতো।
তুই হাহাকারের বীপরীতে নতুন বীজবপনের গান; ধ্বসের, ধৃষ্টতার বিপ্রতীপে তুই সৃজন। তুই নতুনের দিশা ; যাদের শেষাবধি টিকে থাকা জরুরী, তুই তাদের বিশল্যকরণী!
তুই সৃজা, তুই যত্নক, তুই প্রাণক... তুই সজীবের একান্ত পথ। তুই অশেষ, অনিবার। তুই পৃথিবীর অবলম্বন, অনন্ত অভিলাষ।
তুই না থাকলে ব্রহ্ম, জগত সবই মিথ্যে হয়েই যেতো। তুইই পৃথিবীকে পাথরের পরিচয় হতে বাঁচিয়ে চলেছিস...
পরমা প্রকৃতি !!!
তুই প্রকৃত। #প্রকৃতি। শত অপব্যবহারের শিকার হয়েও নীরবতায় নিবিষ্ট। স্বতোপূর্ণা। অবুঝেরা কত শত ক্ষতে ভরিয়ে দিলেও ; অযোগ্যেরা অযত্নে মেতে উঠলেও থামানোর কোনও আয়াসই নিস না। কারণ তুইই একমাত্র জানিস শেষ পরিণতিটা। খেলা দেখিস, কখনও প্রাঙ্গণ হয়ে প্রশ্রয় দিস। মহান স্রষ্টার কোনও সৃষ্টিকে কষ্টে যুতে দিস না। কষ্ট শুসে নেওয়া তোর স্বভাব।
নীলকণ্ঠ মহাদেব এক নিছক ব্যক্তিমাত্র; তুই তো আবিশ্বময়ী বিস্তার! বিবর্ধমান ক্লেশ-ক্লেদ-কষ্টের গরলকে তুই অমৃতে বদলে দিতে জানিস।সময় তোর দাসানুদাস ; সে যায়, আসে... তাকে ভ্রুভঙ্গে নাচাস। হ্যাঁ তাকেও তুই বাঁচাস। তারও যে একটা জীবন আছে একমাত্র তুইই তাকে বোঝাস।
স্বার্থপরতার অন্ধত্বে এক একটা সভ্যতা অসভ্যতার চূড়ান্তিতে ধ্বংসে ধূলিস্যাৎ হয়; তোরই চোখের সামনে। উল্লাসে না ফেটে পড়ে আবার নতুন করে মুঠো মূঠো সবুজকে তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনে নবীন আশার আলোয় আনন্দধাম গড়িস। গানে, গল্পে আনন্দে সব দুঃখেরা আয়ু হারাতে থাকে। সকাল ,সন্ধ্যায় আমার মতো তুচ্ছাতিতুচ্ছ জীবেদের সহাস্য পাঠপর্ব কাটাস। অযোগ্যকে কোলে তুলে নিলে, ভালোবাসার পরিণতির বাড় বাড়ন্তের উদাহরণী নীতিকথায় আমায় সত্য করে তুলিস। তোরই একান্ত পরিহাসে অনন্তকাল টিকে রবো।আমি আর আমার পৃথিবী নামক সংকীর্ণ বস্তিটা। এও কি কম শান্তির!
তোকে, তোর সীমা লঙ্ঘাতে গিয়ে কতো মহাকাব্য যে ব্যর্থ মনোরথ হয়েছে তার হিসেব তুই জানিস।
কোটি বৎসরের এ পৃথিবী তোর কারণেই জীবিত, চঞ্চল, স্পন্দন-মুখর। তোর বাগানে আদম -ইব আসে যায়! কত শয়তানের চোখ রাঙানি গড়াগড়ি খায়! তুই অনন্ত, তুই অশেষ। সৃষ্টিতে, সৃজনে,সতত সেবার সিঞ্চনে তুই ব্যাপৃতা! এ আকাশ, মাটি, জল, বায়ু, আলোরা তুই না থাকলে সবই নিরর্থক হতো।
তুই হাহাকারের বীপরীতে নতুন বীজবপনের গান; ধ্বসের, ধৃষ্টতার বিপ্রতীপে তুই সৃজন। তুই নতুনের দিশা ; যাদের শেষাবধি টিকে থাকা জরুরী, তুই তাদের বিশল্যকরণী!
তুই সৃজা, তুই যত্নক, তুই প্রাণক... তুই সজীবের একান্ত পথ। তুই অশেষ, অনিবার। তুই পৃথিবীর অবলম্বন, অনন্ত অভিলাষ।
তুই না থাকলে ব্রহ্ম, জগত সবই মিথ্যে হয়েই যেতো। তুইই পৃথিবীকে পাথরের পরিচয় হতে বাঁচিয়ে চলেছিস...
পরমা প্রকৃতি !!!

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন