সব দোষ কালের, বৈশাখী আঁচলের নয়
বড় অস্থির, অসহনীয় এ সময়।চোরের মতো চুপি চুপি খিড়কে পথে নতুন বৈশাখ এসেছে। বর্ষ বলয়ে আর একটি নতুন পাকের শুরু। চলবার চাকা বিমূঢ় হয়ে স্তব্ধ । পথ পড়ে আছে। একা। কান্না, হাসি, প্রাপ্তি ,বিচ্ছেদের পথ। নির্জন নিভৃত অপেক্ষায় সে ক্লান্ত। ঘন ঘন ঘড়ি দেখা প্রেমিক যেন! পথের তো কোথাও যাবার পথ নেই। শত নির্মম নিঃসঙ্গতা সত্ত্বেও প্রেমের তরে পড়ে তাকে পড়ে থাকতেই হবে। এ পর্বের ক্ষুদ্র কবিতা গুলি পথ ও প্রেমের প্রলাপনে মুখর ।বিরহ নয়, বিহানহীন বিহনের ব্যথিত লিপিরা।
১
যদি কখনও
এক চিলতে ঘুম দয়া করে,
তার ফিনফিনে আঁচল
উড়ে গেলেই...
শেষের শুরুতে,
বা শুরুর শেষেতে...
তোমার খবরের তরেই
ছটফটাই আবার ;
বারবার...
২
আসলে কেউই
পারে না সত্যকে বদলে দিতে ;
সত্যই বদলেছে তোমাকে আমাকে -
তুমি ভুলকে পেরেছো ভুলতে,
আমি এখনো সত্য আঁকড়ে...!
এই সত্য মাত্র।
৩
আচ্ছা,
তুমি রাত্রিতে
না রাতের ওপর দিয়ে
হাঁটতে ভালোবাসো?
আমি তোমার রাত হতে চেয়েছিলাম!
৪
কখনো কখনো
বড় বিভ্রান্তিতে পড়ি...
তোমার কাছে তো
সবই ছিল, আছেও।
তবু, কেন এলে?
আবার ফিরেও গেলে!
মেলাতে পারি না
মেলাতে পারি না;
জানো!
৫
তোমাকে অনলাইন দেখলাম,
এই তো মিনিট খানেক আগে!
কিন্তু,
আমাদের শেষ কথা হয়েছিলো,
সেই কোন্ সত্য যুগে!
মাঝে শুয়ে দীর্ঘ এক বিষসর্প -
তার মুখটা অনন্ত অপেক্ষা হয়ে
আমার পানে হাঁ করে আছে ...
আর লেজটা তোমার অঙ্গুলিবশে!
৬
গাছ গুলোর সাথে
সযত্নে কথা বললে -
দেখো নি, হেসেখেলে সে
কেমন মহীরুহ হয়ে ওঠে!
যদি এ শুশ্রূষা মানুষে পেতো!
করুণাময়ী, ভাবো কিই না হতো!
৭
কি করে ভুলবো তোমায়!
তোমার কাছেই তো
আমার হৃদয় পড়ে আছে ...
ওই অবহেলিতকে এবার
তো মুক্ত করো।
সব আবর্জনায়
নতুন গাছের লাভ হয় না!
৮
যবে হতে আমায়
ঘৃণা করে ফেলে গেলে ...
জীবনটাকে ঘৃণা করা
শুরু করলাম!
নূতন প্রেমের ব্যস্ততা ।
৯
ভিক্ষায় সব কিছু মেলে না কখনো।
সংলাপ, প্রত্যুত্তর তো
বহু দূরতর এক অগম্য
বোবা দ্বীপ।
এ বিরলতার আশা রাখি না!
১০
আমায় বাড়বাগ্নি
না মৃতসঞ্জীবনী
কি ভেবে ফেলে গেলে?
বলেও গেলে না! একবার!
১১
কান্নাকে নৈশব্দ্যে
লুকোনো বড় কঠিন ...
ভাগ্যিস তুমি তা জানো না !
১২
তোমার একটা শব্দেই
এ মরুভূমি বদলে
যেতে পারতো শ্যামলিমায় ...
তবে অবশ্য নতুন মরুভূমির
জন্মটা থমকে যেতো।
১৩
ভাগ্যিস চাকাটা থমকে দিলে...
নইলে পৃথিবীতে থেকে
কিভাবে এক পৃথিবী কথা
বলা যেতো!
সদ্যমৃত নক্ষত্রের আভায়
চৌদিক ছাওয়া ...
১৪
এই পরিণতি তোমায়
সত্যিই যদি আনন্দে বাঁধে...
আমার কষ্ট গুলোকে
আর অপচয় ভাবি কি করে!
১৫
খরদহনে ছারখার হবার
আগেই শীতল শীতের মতো
শান্ত নিঝুম হয়ে গেলে!
হে লালিকা ,
হে ঋতুশ্রী....
১
যদি কখনও
এক চিলতে ঘুম দয়া করে,
তার ফিনফিনে আঁচল
উড়ে গেলেই...
শেষের শুরুতে,
বা শুরুর শেষেতে...
তোমার খবরের তরেই
ছটফটাই আবার ;
বারবার...
২
আসলে কেউই
পারে না সত্যকে বদলে দিতে ;
সত্যই বদলেছে তোমাকে আমাকে -
তুমি ভুলকে পেরেছো ভুলতে,
আমি এখনো সত্য আঁকড়ে...!
এই সত্য মাত্র।
৩
আচ্ছা,
তুমি রাত্রিতে
না রাতের ওপর দিয়ে
হাঁটতে ভালোবাসো?
আমি তোমার রাত হতে চেয়েছিলাম!
৪
কখনো কখনো
বড় বিভ্রান্তিতে পড়ি...
তোমার কাছে তো
সবই ছিল, আছেও।
তবু, কেন এলে?
আবার ফিরেও গেলে!
মেলাতে পারি না
মেলাতে পারি না;
জানো!
৫
তোমাকে অনলাইন দেখলাম,
এই তো মিনিট খানেক আগে!
কিন্তু,
আমাদের শেষ কথা হয়েছিলো,
সেই কোন্ সত্য যুগে!
মাঝে শুয়ে দীর্ঘ এক বিষসর্প -
তার মুখটা অনন্ত অপেক্ষা হয়ে
আমার পানে হাঁ করে আছে ...
আর লেজটা তোমার অঙ্গুলিবশে!
৬
গাছ গুলোর সাথে
সযত্নে কথা বললে -
দেখো নি, হেসেখেলে সে
কেমন মহীরুহ হয়ে ওঠে!
যদি এ শুশ্রূষা মানুষে পেতো!
করুণাময়ী, ভাবো কিই না হতো!
৭
কি করে ভুলবো তোমায়!
তোমার কাছেই তো
আমার হৃদয় পড়ে আছে ...
ওই অবহেলিতকে এবার
তো মুক্ত করো।
সব আবর্জনায়
নতুন গাছের লাভ হয় না!
৮
যবে হতে আমায়
ঘৃণা করে ফেলে গেলে ...
জীবনটাকে ঘৃণা করা
শুরু করলাম!
নূতন প্রেমের ব্যস্ততা ।
৯
ভিক্ষায় সব কিছু মেলে না কখনো।
সংলাপ, প্রত্যুত্তর তো
বহু দূরতর এক অগম্য
বোবা দ্বীপ।
এ বিরলতার আশা রাখি না!
১০
আমায় বাড়বাগ্নি
না মৃতসঞ্জীবনী
কি ভেবে ফেলে গেলে?
বলেও গেলে না! একবার!
১১
কান্নাকে নৈশব্দ্যে
লুকোনো বড় কঠিন ...
ভাগ্যিস তুমি তা জানো না !
১২
তোমার একটা শব্দেই
এ মরুভূমি বদলে
যেতে পারতো শ্যামলিমায় ...
তবে অবশ্য নতুন মরুভূমির
জন্মটা থমকে যেতো।
১৩
ভাগ্যিস চাকাটা থমকে দিলে...
নইলে পৃথিবীতে থেকে
কিভাবে এক পৃথিবী কথা
বলা যেতো!
সদ্যমৃত নক্ষত্রের আভায়
চৌদিক ছাওয়া ...
১৪
এই পরিণতি তোমায়
সত্যিই যদি আনন্দে বাঁধে...
আমার কষ্ট গুলোকে
আর অপচয় ভাবি কি করে!
১৫
খরদহনে ছারখার হবার
আগেই শীতল শীতের মতো
শান্ত নিঝুম হয়ে গেলে!
হে লালিকা ,
হে ঋতুশ্রী....

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন