আত্ম ও আত্মার আলাপন ২
অনেক দিন পর তোর সাথে দেখা।
তবে হঠাত নয়। প্রতিদিনের বাঁচার শক্তি। আমার সূর্য । তুই। তোকে অবমাননার চেষ্টা অসার, অবান্তর যেমনটা আদি হতেই জেনেছি। প্রমান হল কোনও কিছুই অনন্ত নয়।সবই গোলাকার, পূর্নায়ত। নিভন্ত অপেক্ষার ফুল। অতি কাছেই লুকিয়ে ছিলি। যেন নিজেরই কানের অতি কাছের দুল। এ মন যেন বিগ ব্যাংয়ের পর ঠিকরে পড়া তপ্ত জ্বলমান নক্ষত্র পিন্ড। বেখাপ্পা ।ক্রমে আকার পেয়েছে। জ্বালারা ক্রমে জুড়োচ্ছে। নক্রোধ, ন্যগ্রোধ! গায়ের ওপর গাছের জন্ম হচ্ছে। ওপরে বেঁচে চলার এক ছিট সাধ্যমত আকাশ। হৃদয়ের অতি গভীরে - অন্দরে কন্দরে বয়ে চলেছে মুঠায়মান লাভা আর জল। বাইরে আমি ক্রম প্রশান্ত।
নিজে গাছ, নদী, আকাশ ... হওয়া অসম্ভব মেনে আবর্তিত হয়ে চলেছি নিজেরই ক্রম ক্ষয়মাণ আয়ুর চারিপাশে... আড়ালে থাকা সূর্যের টানে - মাধ্যাকর্ষণে... অপ্রকাশ্য তোর অশেষ আলোয় বর্ষ বর্ষ কাটিয়ে পরিক্রমিত হয়ে চলেছি। যে আবশ্যিক টানে গ্রহেরা বাঁচে... সেই অমরণীয় আমরণ টিকে আছি।
তোর সাথে আজ বহু বহু দিন পরে দেখা হল। আসলে দেখা দিলি ... গ্রহ গ্রহণের তারিখপঞ্জি মেনে। আমি ভাবলাম দেখা করলাম।এখনো আমাতে পুরোটা না নিভতে পারা অহং! যেমনটা গ্রহেরা ভাবে ... ভেবে ভেবে বাঁচে। তোর অবকাশ আমার থেকে আড়াল করবার পর ... কিছু প্রস্তুত, অপ্রস্তুত ঝড়, ঝঞ্ঝা, বন্যা, মহামারী প্রাণ নেবার চেষ্টা করলেও তোর সৌরটান রক্ষা করে গেছে। চলেছে ...
এত পরিক্রমণের পর দর্শণ হলো। তোর ভাষায় গ্রহণ! তোর ক্ষতি নেই... তোর আরও গ্রহ-উপগ্রহের কাছে ক্ষণিকের ক্ষতি মাত্র! এ ক্ষুদ্রতম পলটায় আমায় রীতিমত রাহু মেনে ... অশৌচ পালন করবে। যতটা পল তোর চোখে চোখ রাখার সাহস রাখতে পারবো আমি।
শেষতম দেখার সাথে কিছু পরিবর্তন... সূর্য-নক্ষত্রেরা স্বাভাবিক ভাবেই খোঁজে না। একটু বুঝতে চাইলে দেখতিস... একটা বড় পরিবর্তন। একটা বড় মিল।যদিও তোর কাছে অবাক কিছু নয়।
আগে দেওয়ালের মতো... তোকেই একা ভালোবাসতাম, অনুপল কাছে চাইতাম ...!
আজ শুধু তুই নয় আমিও আর ভালোবাসিনা। অপ্রেমে এক হয়েছি। হয়তো পুরোটা আলো,ঘ্রাণ, টান ঝেড়ে উঠতে পারিনি। তবু। পরের দর্শণে; তোর কাছে গ্রহণে আরও পরিক্রমিত, বর্তিত পাবি। আমিও আরও ভুলে যেতে যেতে ... আরও বিশ্বাস করতে পারবো। গ্রহ আর নক্ষত্র পুরোটাই আলাদা।একজন ঈশ্বর, অন্যজন ভক্ত । নিজেকে প্রেমিক ভাবাটা মোহনীয় ভ্রান্তিমাত্র।চিনি-চর্চিত ভুল। ভুলে ভুলে ভক্তরা কখনো কখনো নিজেরদের ঈশ্বর প্রনয়ী ... কৃষ্ণভাবদ্যুতিসুবলিতারাধা মনে করে ফেলে। ধর্ম,সাহিত্য ,রাসায়নিক অনটন ... সবই এক। সবই জানি নিত্য সত্য। তবু ...
এভাবে। প্রতিবার। প্রতিজন্মে। প্রতি ক্রমণে, পরিক্রমণে। দর্শণ সম্ভব হবে। নক্ষত্র হবার ইচ্ছে নেই। তবু ভালোবাসার আলো ও আশা হতে আরও দূরে যেতে পারবো। পারবোই। তোর মতো অপ্রেমে এক হবো। অবকাশ নাম বদলে নিয়ম হয়ে চলবে!
দেখা হবে।দেখা হবেই। হবে...
দিন, মাস, বর্ষ, যুগ, আলোকবর্ষ মোছনীয় তুচ্ছ রেখা-মাত্র!
তবে হঠাত নয়। প্রতিদিনের বাঁচার শক্তি। আমার সূর্য । তুই। তোকে অবমাননার চেষ্টা অসার, অবান্তর যেমনটা আদি হতেই জেনেছি। প্রমান হল কোনও কিছুই অনন্ত নয়।সবই গোলাকার, পূর্নায়ত। নিভন্ত অপেক্ষার ফুল। অতি কাছেই লুকিয়ে ছিলি। যেন নিজেরই কানের অতি কাছের দুল। এ মন যেন বিগ ব্যাংয়ের পর ঠিকরে পড়া তপ্ত জ্বলমান নক্ষত্র পিন্ড। বেখাপ্পা ।ক্রমে আকার পেয়েছে। জ্বালারা ক্রমে জুড়োচ্ছে। নক্রোধ, ন্যগ্রোধ! গায়ের ওপর গাছের জন্ম হচ্ছে। ওপরে বেঁচে চলার এক ছিট সাধ্যমত আকাশ। হৃদয়ের অতি গভীরে - অন্দরে কন্দরে বয়ে চলেছে মুঠায়মান লাভা আর জল। বাইরে আমি ক্রম প্রশান্ত।
নিজে গাছ, নদী, আকাশ ... হওয়া অসম্ভব মেনে আবর্তিত হয়ে চলেছি নিজেরই ক্রম ক্ষয়মাণ আয়ুর চারিপাশে... আড়ালে থাকা সূর্যের টানে - মাধ্যাকর্ষণে... অপ্রকাশ্য তোর অশেষ আলোয় বর্ষ বর্ষ কাটিয়ে পরিক্রমিত হয়ে চলেছি। যে আবশ্যিক টানে গ্রহেরা বাঁচে... সেই অমরণীয় আমরণ টিকে আছি।
তোর সাথে আজ বহু বহু দিন পরে দেখা হল। আসলে দেখা দিলি ... গ্রহ গ্রহণের তারিখপঞ্জি মেনে। আমি ভাবলাম দেখা করলাম।এখনো আমাতে পুরোটা না নিভতে পারা অহং! যেমনটা গ্রহেরা ভাবে ... ভেবে ভেবে বাঁচে। তোর অবকাশ আমার থেকে আড়াল করবার পর ... কিছু প্রস্তুত, অপ্রস্তুত ঝড়, ঝঞ্ঝা, বন্যা, মহামারী প্রাণ নেবার চেষ্টা করলেও তোর সৌরটান রক্ষা করে গেছে। চলেছে ...
এত পরিক্রমণের পর দর্শণ হলো। তোর ভাষায় গ্রহণ! তোর ক্ষতি নেই... তোর আরও গ্রহ-উপগ্রহের কাছে ক্ষণিকের ক্ষতি মাত্র! এ ক্ষুদ্রতম পলটায় আমায় রীতিমত রাহু মেনে ... অশৌচ পালন করবে। যতটা পল তোর চোখে চোখ রাখার সাহস রাখতে পারবো আমি।
শেষতম দেখার সাথে কিছু পরিবর্তন... সূর্য-নক্ষত্রেরা স্বাভাবিক ভাবেই খোঁজে না। একটু বুঝতে চাইলে দেখতিস... একটা বড় পরিবর্তন। একটা বড় মিল।যদিও তোর কাছে অবাক কিছু নয়।
আগে দেওয়ালের মতো... তোকেই একা ভালোবাসতাম, অনুপল কাছে চাইতাম ...!
আজ শুধু তুই নয় আমিও আর ভালোবাসিনা। অপ্রেমে এক হয়েছি। হয়তো পুরোটা আলো,ঘ্রাণ, টান ঝেড়ে উঠতে পারিনি। তবু। পরের দর্শণে; তোর কাছে গ্রহণে আরও পরিক্রমিত, বর্তিত পাবি। আমিও আরও ভুলে যেতে যেতে ... আরও বিশ্বাস করতে পারবো। গ্রহ আর নক্ষত্র পুরোটাই আলাদা।একজন ঈশ্বর, অন্যজন ভক্ত । নিজেকে প্রেমিক ভাবাটা মোহনীয় ভ্রান্তিমাত্র।চিনি-চর্চিত ভুল। ভুলে ভুলে ভক্তরা কখনো কখনো নিজেরদের ঈশ্বর প্রনয়ী ... কৃষ্ণভাবদ্যুতিসুবলিতারাধা মনে করে ফেলে। ধর্ম,সাহিত্য ,রাসায়নিক অনটন ... সবই এক। সবই জানি নিত্য সত্য। তবু ...
এভাবে। প্রতিবার। প্রতিজন্মে। প্রতি ক্রমণে, পরিক্রমণে। দর্শণ সম্ভব হবে। নক্ষত্র হবার ইচ্ছে নেই। তবু ভালোবাসার আলো ও আশা হতে আরও দূরে যেতে পারবো। পারবোই। তোর মতো অপ্রেমে এক হবো। অবকাশ নাম বদলে নিয়ম হয়ে চলবে!
দেখা হবে।দেখা হবেই। হবে...
দিন, মাস, বর্ষ, যুগ, আলোকবর্ষ মোছনীয় তুচ্ছ রেখা-মাত্র!

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন