আত্ম ও আত্মার আলাপন ৫
আলোর যাওয়া আসা নেই। সে কখনও চলে যায়না; তাই তার ফেরার ব্যাপারটা অবান্তর। সে অনন্ত দীপ্র, অশেষ ভাস্বর। যাকে আমরা একটা জীবন বলি; আসলে তোর কাছে আসলে তা একটা দিন মাত্র। এই দিন মাত্রই আমার সর্বৈব আয়ু। ভোরের নির্জ্ঞান আঁধার দিয়ে আমার জীবনের শুরু। ক্রমে তোর বদান্য দাক্ষিণ্যে দূরত্ব হারাতে হারাতে তোর আলোয় ভরে উঠলাম। সম্বিত হারিয়ে ভেবে ফেললাম তুই আমি সমান। ভালোবাসি পরস্পর। আবেগের বেগের দায় আলোর নয়; দায় আলোকিতের। একান্তই আমার ।
সব সম্পর্কেই বিকেল আসে ; ক্রমে, সন্ধ্যে... রাত। আবার ভোর। ফের স্বস্থানে ফেরার স্বাভাবিক গড়ান গতি। হ্যাঁ রে, তোর কথাটাই ঠিক; এ বিশ্বটা গোলাকার! বৃত্তায়ত। এক পার অন্য পারে পৌঁছবেই। দেখা হবে। তুই চাস বা না চাস!
দেখা হবেই জন্মের সাথে মৃত্যুর ; বিরহের সাথে মিলনের ; কান্নার সাথে হাসির ; অবহেলার সাথে যত্নের ; ঘৃণার সাথে প্রেমের। হোক না তা কিয়ৎকালের !
তেমনি তোর সাথে আমার ; আলোর সাথে আঁধারের দেখা হওয়া স্বাভাবিক ছিল। হয়েছে। আহ্ণিক শক্তি সঞ্চয় করতে পারলে... আবার এক চিলতে দেখা হবে। নক্ষত্রের কাছে এ হল নিয়ম রক্ষা ; আমার কাছে আলোক-স্নান! আবার শুদ্ধ হবো, সত্য হবো...!
ফিরে ফিরে আসবো... প্রতি অহ্ণে, প্রতি জনমে... বিভ্রান্ত ভাবে নিজের চারপাশে আবর্তন করতে করতে তোর কাছে আসবো। তোর আলোক অক্ষের কাছে! আবার আমি ভালোবাসবো ... ভালোবাসতে, ভালো বাঁচতে পাবো!
জীবন বুঝবো... এগোবো, পেছোবো ! তোর এক মুহূর্তের অপূর্ব মধ্যাহ্ণ-দীপ্তি পাবো। তুই সরাবি না .... অক্ষগতির কর্মফল আবার দূরে দূরে সরিয়ে নেবেই। আমায়।
এখন রাত। আলোহীনতার রাত। মৃত্যুর রাত। ভোরের তরে, নতুন দিনের শক্তি সঞ্চয়ের রাত! নিঃশেষের নির্বাণকাল! নিভতে নিভতে শূণ্যে ...!
আবার আলোক প্রত্যাশা ।
আবার আলো ; আবার তুই... অনিবার্য তুই !
শুধু এ রাতের আয়ুটা অনিকেত... অপরিজ্ঞাত।
এ ভোরের অপেক্ষা কেবলি আমার।
কারণ, আলো দিনের পিপাসা রাখেনি কখনো ;
দিনেরই দরকার আলোকে; জীবনকে! স্বাভাবিক।
মৃত্যুকে, তোর দূরত্বকে আর কতো ভালো লাগে?
সব সম্পর্কেই বিকেল আসে ; ক্রমে, সন্ধ্যে... রাত। আবার ভোর। ফের স্বস্থানে ফেরার স্বাভাবিক গড়ান গতি। হ্যাঁ রে, তোর কথাটাই ঠিক; এ বিশ্বটা গোলাকার! বৃত্তায়ত। এক পার অন্য পারে পৌঁছবেই। দেখা হবে। তুই চাস বা না চাস!
দেখা হবেই জন্মের সাথে মৃত্যুর ; বিরহের সাথে মিলনের ; কান্নার সাথে হাসির ; অবহেলার সাথে যত্নের ; ঘৃণার সাথে প্রেমের। হোক না তা কিয়ৎকালের !
তেমনি তোর সাথে আমার ; আলোর সাথে আঁধারের দেখা হওয়া স্বাভাবিক ছিল। হয়েছে। আহ্ণিক শক্তি সঞ্চয় করতে পারলে... আবার এক চিলতে দেখা হবে। নক্ষত্রের কাছে এ হল নিয়ম রক্ষা ; আমার কাছে আলোক-স্নান! আবার শুদ্ধ হবো, সত্য হবো...!
ফিরে ফিরে আসবো... প্রতি অহ্ণে, প্রতি জনমে... বিভ্রান্ত ভাবে নিজের চারপাশে আবর্তন করতে করতে তোর কাছে আসবো। তোর আলোক অক্ষের কাছে! আবার আমি ভালোবাসবো ... ভালোবাসতে, ভালো বাঁচতে পাবো!
জীবন বুঝবো... এগোবো, পেছোবো ! তোর এক মুহূর্তের অপূর্ব মধ্যাহ্ণ-দীপ্তি পাবো। তুই সরাবি না .... অক্ষগতির কর্মফল আবার দূরে দূরে সরিয়ে নেবেই। আমায়।
এখন রাত। আলোহীনতার রাত। মৃত্যুর রাত। ভোরের তরে, নতুন দিনের শক্তি সঞ্চয়ের রাত! নিঃশেষের নির্বাণকাল! নিভতে নিভতে শূণ্যে ...!
আবার আলোক প্রত্যাশা ।
আবার আলো ; আবার তুই... অনিবার্য তুই !
শুধু এ রাতের আয়ুটা অনিকেত... অপরিজ্ঞাত।
এ ভোরের অপেক্ষা কেবলি আমার।
কারণ, আলো দিনের পিপাসা রাখেনি কখনো ;
দিনেরই দরকার আলোকে; জীবনকে! স্বাভাবিক।
মৃত্যুকে, তোর দূরত্বকে আর কতো ভালো লাগে?

স্বতঃস্ফূর্ত
উত্তরমুছুনআসলে সত্যির মতো করে বলা মোহন মিথ্যে কথার পিলপিলে পিঁপড়ের সারি এরা !
উত্তরমুছুন