অসংযমী কথা-কাঠিরা

জানো, আমি আর আমার
গোপন সঞ্চয়,
নিভৃত সৃজন,
একান্তের আশ্রয়ের পানে...
তাকাবার সাহস পাইনা।একবারও।

  অসহ্য এক গহন টান সত্বেও
 এভাবে নিজেকে নিজের
 দু'পাটি ধারালো দাঁতের
 মাঝে রেখে ...
ঘর্ষণী মৃত্যু হতে বেঁচে বেঁচে রই।

তোমার ফেলে দেওয়া
খন্ড খন্ড হাসি, উদ্ভাস,
রং, রূপমাধুরীর অপরূপ উল্লাস গুলোকে
কুড়িয়ে বাঁচিয়ে বুকে করে রেখেছিলাম ...
বেঁচে ছিলাম!

নিজের একান্ত স্বর্গ গড়ছিলাম ...
অবশ্য তোমার বিনা অনুমতিতে!

তুমি আর তোমার প্রিয়েরা মিলে
প্রায় জোর করে... অযাচিত ভাবে
আমার ভান্ডারে, বিশ্ব সংসারে
এক আঁজলা আগুন এনে ছড়িয়ে গেলে ...
 জ্বালিয়ে দিলে... ছারখার করে দিলে
 আমার এ একান্ত বাঁচার ভূমি!
কিছুই তো চাইনি আমি ...
তবু, অযাচিত এ্যাতো অসীম অনুগ্রহ?

আমার অগ্নিজ্ঞান ছিলোনা...
তুমিই মনস্ক করে, জাগিয়ে,
জানিয়ে গেলে অগ্নিদাহ কী দুর্মর,
দুঃসহ!দুর্বহ...!

হয়তো খুব ভালোই করলে ;
যে নীরব নিরন্ত নয়ননীরের
দ্বার খুলে গেলে ...

তার মূল্য কিভাবে মেটাবো? মরণে?
যদিও তোমাকে, তোমার নিকটতরদের
প্রশ্ন করার যোগ্যতা আমি ধরিনা!

আমায় গুরু পাপে লঘু দন্ড দিয়ে
কি আবার দয়া সৃজে গেলে!
এভাবেই বাঁচিয়ে রেখো না হয়।

ভালো! ভালো থেকো -
আমার ঈশ্বর
আমার পৃথিবী
আমার ভালোবাসা ...!

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ছেলেমানুষ মেঘেদের স্তবগাথা

প্রলাপ-পঞ্চক

বোধি-বিন্দু ১০