একস্বর , অশেষের অধিক

ঐকান্তিক
সমতলে তোমাকে মানায় না
তুমি ঐ উঁচু,দূর থেকেই ভালো লাগে বেশ।
ঐ দূর বহুদূর থেকে একচিলতে তাকানো
 তারপর ...  মনোনিবেশ,মাথা নত করে।

জনারণ‍্যে থেকেও পাশে থাকা,ভালো রাখা,
মুগ্ধ হই, লুপ্ত হই,
ধ্বস্ত অথবা বিধ্বস্ত, হই মনে মনে।
বিস্মিত হয়ে ভাবি,
এভাবেও ছুঁয়ে থাকা যায়!জড়িয়েও কি?

সমগ্র সত্তায় নয় অংশে অংশে  প্রেম জমে-
কখনও আঁচলের প্রান্তে কখনও নাকের ডগায়,
কখনও শুধুই বা কানের দুলে।
সর্বাংশে পেতে চেয়েছো কি সর্বগ্রাসী?
কি জানি-তুমি অল্পতেই বড়ো খুশি।

ঘরের মানুষকে আদর করার সময়
মনের মানুষ ছুঁয়ে যায় কিনা একথা অর্থহীন।
জানি যে বড় অসময়, এ চাওয়াও অচাওয়া
তবু,বাসাবাসি,পাশাপাশি ছাড়িয়ে
হেঁটে যাওয়া যায় বহুদুর বহুপথ।
হোক তা দুদিক তবু গন্তব্য গন্তব্যই।
পাওয়া ছেড়ে অপাওয়াই প্রাপ্তি হয় যদি,
তবে থাক তা,হোক দুদিনের।
জীবন তো বাসি নয়,হোক সুবাসিত
জানো  তো গন্ধেরও গন্ধ থাকে!

তোমার সূর্য উঁকি দেয় চিকনি শাকের আড়ালে।
আমার সূর্য উঁকি দেয় কুয়াশার দঙ্গলে।
তোমার সূর্য কর্মব্যস্ত আমার কর্মহীন।
তবুও  জানি কোথাও তারা হয়ে গ্যাছে লীন।
দিগন্তে চাঁদ ডাকে-সূর্য তুমি উদিত থেকো
 দিনে রাতে বারো মাসে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ছেলেমানুষ মেঘেদের স্তবগাথা

প্রলাপ-পঞ্চক

বোধি-বিন্দু ১০