চুয়াল্লিশের চালশে
'ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স' এর ক্রেতা মূল্য সূচক অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ডলারের মূল্য ১৯৭৫ সালের গড় দামের চেয়ে ৩৬৬.৭৪% বেশি।এই সময়কালের মধ্যে ডলারের গড় মূল্য প্রতি বছরে ৩.৭৫% করে হ্রাস পেয়েছে ।
১৯৭৫ সালের মুদ্রাস্ফীতি হার ছিল ৯.১৩%। ২০১৮ সালের মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ২.৪৪%। ২০১৮ ও ২০১৯ সালের মধ্যে গড় মূল্যস্ফীতির হারের ২০১৯ সালেই মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি। বলা বাহুল্য ,সদ্যসমাপ্ত ভোটেও মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব, পরিবেশ দূষণ তথা যথার্থ শিক্ষা ব্যবস্থা বিষয়ে কোনও দিশা বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাওয়ার প্রয়োজন হয়নি! দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি, ধর্মীয় সুড়সুড়ি, কুকথার বন্যা আর বিনা পরিশ্রমে সাবসিডি গেলানো... প্রকারান্তরে ঐ বরাদ্দটা যে কোনও নেতা বা দলের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে নয়, নিজের কর থেকেই আগত - এই সত্যটাকে উপলব্ধি করা থেকে বঞ্চিত করার নীতি যথারীতি ছড়ানো হয়েছে ।অ্যাকাউন্টে নগদ প্রাপ্তির টোপেও ভোট নেওয়া হয়েছে। এই চাঁদিফাটা গরমে অর্থনীতি কপচানোটা পুরোটাই কাকতালীয়। সঙ্গের ছবিটা অর্থনীতির স্মৃতি-কন্ডুয়নে বাধ্য করলো। 'আমরা আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম ' নয়, ধাপ্পাবাজির ' সেই ট্রাডিশন সমানে চলিতেছে... ' কথাটা বোধ করি অধিকতর সত্য। আর আমরা স্বপ্ন দেখছি, আগামী তেইশে সব বদলে যাবে ; এ দিবাস্বপ্ন তেইশ-বর্ষীয়দেরও দেখা উচিত নয়! কারণ, তাঁরা অন্ততঃ বার-বার তিনবার ভোট দিয়েও বাস্তবটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন। দীর্ঘদিন ফোকটে পেটের জ্বালা মেটানো গুন্ডা-মাওয়ালিদের পক্ষেও কঠোরভাবে না-মুমকিন।
ছবি: পুরানো কলকাতার চালচিত্র।(Via:Whatsapp)
১৯৭৫ সালের মুদ্রাস্ফীতি হার ছিল ৯.১৩%। ২০১৮ সালের মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ২.৪৪%। ২০১৮ ও ২০১৯ সালের মধ্যে গড় মূল্যস্ফীতির হারের ২০১৯ সালেই মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি। বলা বাহুল্য ,সদ্যসমাপ্ত ভোটেও মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব, পরিবেশ দূষণ তথা যথার্থ শিক্ষা ব্যবস্থা বিষয়ে কোনও দিশা বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাওয়ার প্রয়োজন হয়নি! দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি, ধর্মীয় সুড়সুড়ি, কুকথার বন্যা আর বিনা পরিশ্রমে সাবসিডি গেলানো... প্রকারান্তরে ঐ বরাদ্দটা যে কোনও নেতা বা দলের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে নয়, নিজের কর থেকেই আগত - এই সত্যটাকে উপলব্ধি করা থেকে বঞ্চিত করার নীতি যথারীতি ছড়ানো হয়েছে ।অ্যাকাউন্টে নগদ প্রাপ্তির টোপেও ভোট নেওয়া হয়েছে। এই চাঁদিফাটা গরমে অর্থনীতি কপচানোটা পুরোটাই কাকতালীয়। সঙ্গের ছবিটা অর্থনীতির স্মৃতি-কন্ডুয়নে বাধ্য করলো। 'আমরা আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম ' নয়, ধাপ্পাবাজির ' সেই ট্রাডিশন সমানে চলিতেছে... ' কথাটা বোধ করি অধিকতর সত্য। আর আমরা স্বপ্ন দেখছি, আগামী তেইশে সব বদলে যাবে ; এ দিবাস্বপ্ন তেইশ-বর্ষীয়দেরও দেখা উচিত নয়! কারণ, তাঁরা অন্ততঃ বার-বার তিনবার ভোট দিয়েও বাস্তবটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন। দীর্ঘদিন ফোকটে পেটের জ্বালা মেটানো গুন্ডা-মাওয়ালিদের পক্ষেও কঠোরভাবে না-মুমকিন।
ছবি: পুরানো কলকাতার চালচিত্র।(Via:Whatsapp)

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন